1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
শিরোনাম :
“প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতায় বিশ্বমানের পর্যটন নগরী হবে কক্সবাজার”: সচিব হেলালুদ্দীন ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, আইনের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন শহরের পূজা মন্ডপগুলোতে দর্শনার্থী ও পূজারিদের ভিড় অশুভ শক্তির বিনাশই দুর্গোৎসবের বৈশিষ্ট্য-জেলা প্রশাসক প্রেসিডেন্টস কাপে চ্যাম্পিয়ন মাহমুদউল্লাহ একাদশ ঈদগাঁওতে এবার সীমিত পরিসরে শারদীয় দূর্গাৎসব উদযাপিত সরাসরি ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে চবি’তে শিক্ষার্থী ভর্তির সিদ্ধান্ত সেন্টমার্টিনে আটকেপড়া চার শতাধিক পর্যটক ফিরলেন রোহিঙ্গাদের ফেরাতে গ্রিসের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রদূত আন্দাজে ব্যাট ঘোরায় না গেইল : টেন্ডুলকার

অনলাইনে মোবাইল বিক্রি করতে গিয়ে যুবক অপহৃত

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০১৫
  • ২২ দেখা হয়েছে

কক্সবাজার আলো ডেস্ক :
অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিয়ে মোবাইল বিক্রি করতে গিয়ে আদাবর শেখেরটেক এলাকার ইসলামী ব্যাংকের সামনে থেকে অপহৃত হন মো. মোহাইমিনুল ইসলাম আনাস নামে এক যুবক। শুক্রবার দিবাগত রাতে রাজধানীর একটি হোটেল থেকে ওই কিশোরকে উদ্ধার করে পুলিশ। অপহরণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে দুইজন বিকাশ এজেন্টও রয়েছে। মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম কার্যালয়ে যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, অনলাইনে পণ্য কেনাবেচার ওয়েবসাইটে একটি মোবাইল বিক্রির জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছিল কিশোর মোহাইমিনুল। যথারীতি কেনার আগ্রহ দেখিয়ে তাকে ফোন করেন এক ক্রেতা। কথামতো সে আদাবরের শেখেরটেক এলাকায় ইসলামী ব্যাংকের সামনে আসে। সেখান থেকে কথিত ওই ক্রেতা ও তার সহযোগীরা মোহাইমিনুলকে অপহরণ করে বাবার কাছে দশ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।অপহরণকারী চক্রের আরো দুসদস্য পলাতক রয়েছে। এদের মধ্যে একজন নারী ও একজন পুরুষ। তাদের আটকের চেষ্টাও অব্যাহত আছে বলে জানান মনিরুল ইসলাম। আটক ব্যক্তিরা হলেন মো. শাহাদাৎ হোসেন, মো. শরীফ হোসেন, নিধন চন্দ্র দাস, মো. সেলিম, হোটেল বয় মো. আব্দুল কাদের, বিকাশ এজেন্ট মালিক মো. নাছির উদ্দিন ও তার কর্মচারী মো. বাপ্পি। মনিরুল ইসলাম জানান, এ চক্র দীর্ঘদিন ধরে এ কাজ করে আসছিল। একই কৌশলে আরো ৫ থেকে ৬ জনকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করেছে তারা। মুক্তিপণের টাকা বৈশাখী হোটেলের পাশের ১৭/২ নম্বর ভবনের নিচতলায় নাছির টেলিকমের বিকাশের দোকান থেকে আদায় করা হতো। দোকানের মালিক নাছির ও কর্মচারী বাপ্পি এ কাজে অপহরণকারী চক্রকে সাহায্য করত। এই অপহরণের সঙ্গে বৈশাখী হোটেল কর্তৃপক্ষও জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা এই সন্দেহের কারণ হিসেবে মনিরুল বলেন, ‘তিন-চার দিন ধরে হোটেলের একটি কক্ষে একজনকে বন্দি করে নির্যাতন করার বিষয়টি জানবে না এটা হতে পারে না।’ ওই হোটেলের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। সেই সঙ্গে এখন থেকে রাজধানীর হোটেলগুলোতে পুলিশের পক্ষ থেকে নজরদারি বৃদ্ধি করার কথাও সাংবাদিকদের জানান। আটকদের বরাত দিয়ে গোয়েন্দা কর্মকর্তা মনিরুল বলেন, বৈশাখী হোটেলের ৫ম তলার ৫০১ নম্বর কক্ষে আটকে রেখে ওই কিশোরকে নির্যাতন করে অপহরণকারীরা। ওই সময় কিশোর চিৎকার করলে তার বাবা-মাকে শুনিয়ে মুক্তিপণ দাবি করে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com