1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

অনৈতিক মাছ চাষের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০১৫
  • ৪৮ দেখা হয়েছে

কক্সবাজার আলো ডেস্ক :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নদী, খাল ও অন্যান্য প্রাকৃতিক জলাশয়ের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে মৎস্য চাষের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু ব্যক্তি সুন্দরবনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নদী, খাল ও অন্যান্য প্রাকৃতিক জলাশয়ে অনৈতিকভাবে মাছ চাষ করছে। এটা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। কোন প্রভাবশালী ব্যক্তিরা আমাদের নদী ও জলাশয়গুলো ধ্বংস করছে, এটা আপনাদের দেখতে হবে এবং তারা যে-ই হোক না কেনো তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি আজ রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অডিটোরিয়ামে মৎস্য সপ্তাহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণকালে এ নির্দেশ দেন।
মৎস্য অধিদপ্তর আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ সায়েদুল হক। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ।
এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিনা আফরোজ ও মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ আরিফ আজাদ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
মৎস্য খাতের ব্যাপক সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে অর্থনীতিকে আরো শক্তিশালী করতে ‘সাগর নদী সকল জলে, মাছ চাষে সোনা ফলে’- এই প্রতিপাদ্য নিয়ে এ বছরের ২০১৫ মৎস্য সপ্তাহ গতকাল থেকে শুরু হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী সুন্দরবন এলাকায় গড়াই ও মধুমতি নদী এবং ঘাসিয়াখালী খাল খননের কথা উল্লেখ করে বলেন, ম্যানগ্রোভ ফরেস্টের সংলগ্ন নদী ও খালগুলোর পানি প্রবাহ বেড়ে গেলে, এর লবণাক্ততায় সুন্দরবন হ্রাস পেত। কিন্তু সুন্দরবন এলাকায় নদী ও খালগুলোতে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে মাছ চাষ চলছে, যা বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট ও এর সংলগ্ন নদী ও খালগুলোর জন্য ক্ষতিকর। এজন্য এক্ষেত্রে বিশেষ নজর দিতে হবে।
এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, সরকার ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঘাসিয়াখালী খালের খনন শুরু করেছে। এই ঘাসিয়াখালী খালের সঙ্গে ছোট ও বড় অনেক খাল যুক্ত হয়েছে। কিন্তু কিছু ব্যক্তি পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে ঘের তৈরির মাধ্যমে এসব খালে অনৈতিকভাবে মাছ চাষ করছে।
প্রধানমন্ত্রী এসব অঞ্চল ঘুরে এভাবে অনৈতিক পন্থায় মাছ চাষের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে খুলনা অঞ্চলের অধিবাসী মৎস্য প্রতিমন্ত্রীকে নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শন করে অবৈধ মাছ চাষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি মাছ রফতানির সঙ্গে সম্পৃক্তদের রফতানিকৃত মাছের মান নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ দিয়ে অনৈতিক পন্থা অবলম্বনকারীদের সতর্ক করে দেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার আগে ওই বছরে চিংড়ি রফতানি বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। কিছু অসাধু ব্যক্তির লোহা মেশানোর কারণে এটা হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, চিংড়ির সঙ্গে লোহা মেশালে বিদেশীরা তা খাবে না এবং এতে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এজন্য এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে এবং অসৎ পন্থা অবলম্বনকারীদের মনে রাখতে হবে যে এ ধরনের কর্মকা- শাস্তিযোগ্য।
তিনি বলেন, তাঁর সরকার চিংড়ি, মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রফতানির জন্য বিভিন্ন বাস্তবমুখী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছে।
এর মধ্যে ঢাকার কাছে সাভারে একটি এবং চট্টগ্রাম ও খুলনায় ২টি আধুনিক মান নিয়ন্ত্রণাগার স্থাপনের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, কক্সবাজারে আরো একটি আধুনিক মান নিয়ন্ত্রণাগার স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলছে।
সূত্র : বাসস।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com