1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :
শিরোনাম :
সাংবাদিক মামুনকে হত্যার চেষ্টা ঘটনায় জড়িদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবী সাংবাদিক ইব্রাহীম খলিল মামুনকে গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা বাংলাদেশ দূতাবাস আবুধাবিতে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উদযাপন কলাতলী ডলফিন মোড় থেকে ইয়াবাসহ যুবক আটক কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রকল্প পরিদর্শন করলেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী ঈদগাঁও থানার উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণে নিহিত ছিল বাঙালীর মুক্তির ডাক-অতিরিক্ত ডিআইজি জাকির হোসেন স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান এডঃ ওসমান গণি’র মৃত্যুতে কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির শোক উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ প্রাপ্তিতে র‌্যাবের আনন্দ উদযাপন 

অপারেশন হাসপাতালে, টাকা প্রাইভেট চেম্বারে!

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০১৫
  • ৩৪ দেখা হয়েছে

কক্সবাজার আলো :
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ সার্জন ডা.আয়ুব আলীর বিরুদ্ধে চিকিৎসা বানিজ্যের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। টাকা গ্রহন করে তাহার প্রাইভেট চেম্বারে, আর অপারেশন থিয়েটার ব্যবহার করেন সরকারি সদর হাসপাতালের। কেউ চাহিদা মত টাকা দিতে না পারলে রোগিকে অন্যত্র রেফার লেখে দেয়া হয় বলে অভিযোগে দাবি করা হয়।প্রাপ্ত অভিযোগে প্রকাশ বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত সংগঠন ড্যাবের সক্রিয় সদস্য ডাক্তার আয়ুব আলী বর্তমানে কক্সবাজারে বিএমএ এর ছত্রছায়ায় অবস্থান নিয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালকে ব্যক্তিগত সম্পদ হিসাবে দাপটের সাথে ব্যবহার করছেন। অভিযোগ রয়েছে গত কয়েক বছর ধরে সদর হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারকে তাহার প্রাইভেট চেম্বারের অসংখ্য রোগিকে কৌশলে এনে অপারেশন করে বিনিময়ে লাখ লাখ টাকা হাতিযে নিয়েছেন।মহেশখালি উপজেলার মাতারবাড়ির বাসিন্দা ব্যবসায়ী আব্দুস শুক্কুর অভিযোগ করে বলেন গত মে মাসে চকরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায়  তার শিশু পুত্রের হাতের হাড় ভেঙ্গে গেলে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।আব্দুস শুক্কুর অভিযোগ করে বলেন অপারেশন করে হাতের হাড় জোড়া লাগাতে হবে,অনেক টাকা লাগবে, কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার আয়ুব আলী এ কথা বলে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করলেও এর দুই দিন পরে তাহার ব্যক্তিগত চেম্বার সিআইসিতে ডেকে নিয়ে নগত ৩০ হাজার টাকা গ্রহন করে। পরে আবারও সদর হাসপাতালে একই রোগিকে ভর্তি করে অপারেশনের মাধ্যমে হাড়জোড়া লাগিয়ে দিয়ে ভাল করে বাড়ি পাঠায়। অভিযোগ উঠেছে এ রোগিকে প্রাইভেট চেম্বারে টাকা নিয়ে সদর হাসপাতালের ওটি ব্যবহার করে ভাল করলেও মোঠা অংকের টাকা দিতে না পারায় গত ১ আগষ্ট হাসপাতাল থেকে রেফার লেখে ফেরত দিয়েছে খুরুশকুলের অসহায় এক এতিম রোগিকে। খুরুশকুলের বাসিন্দা মাহাবুবর রহমান সুমন নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন নুর বানু (৪০)নামের এক এতিম মহিলা দুর্ঘটনার শিকার হয়ে একমাস আগে ডান হাতের দ‘ুকব্জি ভেঙ্গে যায়। অসহায় এ মহিলাকে মাহাবুবর রহমান গত ২২ জুলাই চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করে দেয়। কিন্তু ডাক্তার আয়ুব আলী রোগি নুর বানু এতিম বলে তা জানার পর সাথে সাথে রেফার লেখে দিয়ে হাসপাতাল ছেড়ে চলে যেতে বলেন। মাহাবুবর রহমান অভিযোগ করে বলেন ৩/৪দিন হাসপাতালে অবস্থান করে চলে গেলেও তাহার বড় ভাইয়ের নির্দেশে ৩০ জুলাইয়ে আবারো এনে ভর্তি করে বড় ভাইসহ এতিম এ মহিলার চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার রতন চৌধুরীর শরানাপন্ন হন।এ সময় ভর্তিকৃত রোগির বর্ননা দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক মোবাইলে ডাক্তার আয়ুব আলীকে চিকিৎসা দেয়ার জন্য অনুরুধ করলেও তাহার সহকারি ডাক্তার শুন্যতার কথা বলে অপারেশন করে হাড় জোড়া দিতে পারবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন।মাহাবুবর রহমান আরও জানান হাসপাতালের সর্বোচ্ছ কর্মকর্তার সহযোগিতা চেয়েও কোন কাজ না হওয়ায় এ বিষয়টি তার মেঝ ভাই সাংবাদিক মোর্শেদুর রহমান খোকনকে জানালে তিনি রোগির এক্সরে ও চিকিৎসার কাগজ পত্রসহ কারে গত ১ আগষ্ট সকালে সিভিল সার্জেন ডাক্তার কমর উদ্দিনের কাছে যান। সিভিল সার্জেন বিষয়টি অবগত হয়ে ডাক্তার এ হোসাইন সুমনকে দরিদ্র এতিম এ রোগিকে নুন্যতম সম্ভব খরচ নিয়ে চিকিৎসা করার অনুরুধ করেন। পরে সিভিল সার্জেনের অনুরুধে মানবিক কারনে এতিম এ রোগিকে ডিজিটাল হাসপাতালে ডাক্তার এ হোসাইন সুমনের তত্ত্বাবধানে রেখে অপারেশনের প্রায় অর্ধলক্ষ টাকার বিশাল ব্যয় গ্রহন না করে গত ৪ আগষ্ট ভেঙ্গে যাওয়া হাতের দু‘কব্জি অপারেশন করে জোড়া লাগিয়ে দেন। এ সময় এতিম এ রোগির অপারেশন সরঞ্জামসহ প্রয়োজনীয় ঔষুধ ক্রয়ে আর্থিক সহায়তা দেন সাংবাদিক মোর্শেদুর রহমান খোকন। ডাক্তার এ হোসাইন সুমন ও একজন সাংবাদিকের মানবিকতা দেখে অনেকটা মুগ্ধ হয়ে ডিজিটাল হাসপাতালের চেয়ারম্যান ওসমানসহ সকল কর্তৃপক্ষ এতিম এ রোগির অধিকাংশ ব্যয় মওকুপ করে এগিয়ে আসেন তারও।মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য,এ ধারায় সকলে এগিয়ে আসলেও কিন্তু এগিয়ে আসেননি সদর হাসপাতালের রাক্ষুসে ডাক্তার বলে পরিচিত আয়ুব আলী।জানা গেছে কক্টর ড্যাব সমর্থিত ডাক্তার আয়ুব আলী ২০০৮ সালে ঢাকা থেকে সরিয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ট্রান্সফার করা হয়।তাই একটানা ৭ বছর ধরে বহাল থাকায় নিবিঘেœ চিকিৎসা বাণিজ্যের সুযোগ নিয়েছেন তিনি। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ডাক্তার আইয়ুব আলীর সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে চেম্বারে টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করেন।তবে সদর হাসপাতালে অপারেশন করতে তার সহযোগী ডাক্তার না থাকায় হাড়ভাঙ্গা রোগীদেরকে অন্যত্র রেফার করেন বলে স্বীকার করেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্দ কক্সবাজারের সচেতন মহল রাক্ষুসে ডাক্তার আয়ুব আলীর অপসারন দাবি করেছেন।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com