1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

অবরুদ্ধ গণতন্ত্রের বদ্ধ কপাট খুলে দেয়ার আহ্বান খালেদা জিয়ার

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৫
  • ২০ দেখা হয়েছে
কক্সবাজার  আলো ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারমন বেগম খালেদা জিয়া বলেন, বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে শাসক গোষ্ঠী প্রতিনিয়ত বিরোধী দলের নেতাদের চরিত্র হননের হীন ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারের এ ধরণের ফ্যাসিবাদী-অগণতান্ত্রিক ভূমিকা ও দুর্বৃত্তায়ন এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যার পরিণতিতে দেশের মানুষের দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম।
আজ শুক্রবার বিএনপির মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন।

খালেদা জিয়া বলেন, “সরকারকে আমরা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, তারা কোনভাবেই জনগণের নির্বাচিত সরকার নন”। দুঃখের বিষয় পাঁচ বছর ক্ষমতায় বহাল থাকার আকাংখা ব্যক্ত করে ’জনগণই যে সকল  ক্ষমতার উৎস’ সে সত্য কথাটি সরকার ক্রমাগত অস্বীকার করে চলেছেন। কারণ, এ সরকার জানেন, তাদের সঙ্গে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ নেই। তাই তাদের অনৈতিক ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে যেয়ে আজ তারা মরিয়া হয়ে বিএনপি নেতা-কর্মীদের প্রতি দমন-নিপীড়ণের পথ বেছে নিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমি সরকারকে আরও স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, দমন-নিপীড়ণ ও গ্রেফতার করে পৃথিবীতে কোন ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতে পারেনি।

খালেদা জিয়া বলেন, বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে একে একে কারাগারে অন্তরীণ করে দলকে নেতৃত্বশুন্য করার ষড়যন্ত্র করছে সরকার।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আমাদের দলের তরফ থেকে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বারবার বলা হয়েছে- বিএনপি কখনো সন্ত্রাসের রাজনীতি করেনি এবং সন্ত্রাসীদের প্রশ্রয়ও দেয়নি। এটা সবারই জানা যে, বিএনপি দেশের অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে মুক্ত করার লক্ষ্যে শান্তিপূর্ণ পথে গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে। কিন্তু আন্দোলন চলাকালে সরকারি এজেন্টরা, শাসক দলীয় লোকেরাই সন্ত্রাসী কর্মকা- ঘটিয়ে তার দায় বিরোধী দলের কাঁধে চাপানোর অপপ্রয়াস নিয়েছিল। আর এটা কারোই অজানা নয়।

খালেদা জিয়া বলেন- বিগত আন্দোলনে সন্ত্রাসী ঘটনাগুলোর সঙ্গে শাসক দলীয় ক্যাডারদের জড়িত থাকার ঘটনা-তখনকার বহু পত্র-পত্রিকায়ও প্রকাশিত হয়েছিল।

বিবৃতিতে খালেদা জিয়া, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু,  চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক এম এ মান্নান, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, মিজানুর রহমান মিনু, এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক ও কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী আহমেদ রুমী, পলœী উন্নয়ন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও জয়পুরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি মোজাহার আলী প্রধান, সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সৈয়দা আশিফা আশরাফি পাপিয়া, জাতীয় নির্বাহী  কমিটির সদস্য, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও হবিগঞ্জ পৌর মেয়র জি কে গউস,  সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হোসেন খান, জাতীয় নির্বাহী  কমিটির সদস্য হাজী মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়দুল হক চান, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন, ঝালকাঠি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নুপুর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট আবুল কালাম, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাজীব আহসানসহ আটক সকল নেতা-কর্মীদের মুক্তি দাবি করেন।

পাশাপাশি বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা না দিয়ে, দলন-নিপীড়ণের পথ থেকে সরে এসে মৌলিক মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে অবরুদ্ধ গণতন্ত্রের বদ্ধ কপাট খুলে দেয়ার আহ্বান জানান খালেদা জিয়া।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com