1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

আজও হৃদয় মাতিয়ে রাখেন খালিদ হাসান মিলু

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ, ২০২১
  • ৩৬ দেখা হয়েছে

কক্সবাজার আলো ডেস্ক :
তার গাওয়া গানে ভিউ বাড়ে রোজ। কে রাখে তার খবর। সংবাদেও আসে না সেসব। এখনো প্রতিদিন বাজে তার গান। ইউটিউবে চোখ রাখলেই সেটা বোঝা যায়। বিশেষ করে চলচ্চিত্রের জন্য গাওয়া তার অসংখ্য গান কালজয় করে বেজে চলেছে শ্রোতাদের হৃদয়ে।

বলছি খালিদ হাসান মিলুর কথা। তাকে কেউ বলেন মধুমাখা কণ্ঠের গায়ক। কেউ কেউ ‘স্বর্ণকণ্ঠ’ বলে তাকে সম্মানিত করে থাকেন।

এই কিংবদন্তি গায়কের আজ মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০৫ সালের ২৯ মার্চ রাত ১২টা ১০ মিনিটে সবাইকে দুঃখের সাগরে ভাসিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি দেন সুদর্শন এই কণ্ঠশিল্পী।

১৬ বছর কেটে গেছে প্রস্থানের। তাকে আজও মনে করেন শ্রোতারা। তার স্মৃতিচারণে নস্টালজিকও হন অনেকে সোশাল মিডিয়ায়। তবে যে চলচ্চিত্রকে ভালোবেসে আমৃত্যু গান করে গেছেন মিলু সেই আঙিনাতে নেই তার কোনো স্মৃতির উত্তাপ। তার জন্ম কিংবা মৃত্যু কিংবা কোনো উপলক্ষেই তাকে নিয়ে কোনো আয়োজন চোখে পড়ে না চলচ্চিত্রাঙ্গনে। অথচ তার কণ্ঠ দিয়ে জনপ্রিয় হয়েছে সিনেমার বহু গান। জনপ্রিয় হয়েছে অনেক সিনেমা। প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন অনেক নায়ক-পরিচালক। মুনাফা ঘরে তুলেছেন অনেক প্রযোজক।

এমন শিল্পীকে একেবারে ভুলে যাওয়া নিয়ে অবশ্য চলচ্চিত্রের অনেক সিনিয়ররাও মন খারাপ করেন। তাদের মতে, ‘এটা গুণীর কদরের অবমাননার মতো। আজকে মিলুর মতো শিল্পীকে ভুলে যাওয়ার মিছিল দেখে ভয় হয়, একদিন আমাদেরও কেউ মনে রাখবে না! আজ যারা সবকিছুতেই নেতৃত্ব দেন তাদের উচিত মিলুর মতো শিল্পীর গুণ ও ব্যক্তিত্ব সবার সামনে তুলে ধরা। তাহলে নতুন প্রজন্ম আরও একটা মিলুর দেখা পেলেও পেতে পারে। এমন শিল্পী যুগে যুগে জন্মায় না।’

প্রসঙ্গত, খালিদ হাসান মিলুর সংগীত জীবন শুরু হয় আশির দশকের প্রথম দিকে। তার প্রথম অ্যালবাম ‘ওগো প্রিয় বান্ধবী’। প্রথম অ্যালবাম দিয়েই বাজিমাত করে দিয়েছিলেন তিনি। তার প্রকাশিত অন্যান্য অ্যালবামের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘প্রতিশোধ নিও’, ‘নীলা’, ‘শেষ ভালোবাসা’, ‘আয়না’ ইত্যাদি।

১৯৮২ সাল থেকে খাদিল হাসান মিলু চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দেয়া শুরু করেন এবং প্রায় ২৫০টি চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দেন তিনি। সেসব গানের বেশিরভাগই ছিল তুমুল শ্রোতাপ্রিয়। তার মধ্যে আজও মুখে মুখে বাজে ‘প্রাণের চেয়ে প্রিয়’ ছবির ‘যে প্রেম স্বর্গ থেকে এসে’, ‘বিদ্রোহ চারিদিকে’ ছবির ‘জীবন ফুরিয়ে যাবে’, ‘ভালোবাসি তোমাকে’ ছবির ‘অনেক সাধনার পরে’, ‘বাবা কেন চাকর’ সিনেমার ‘আমার মতো এতো সুখী’ ইত্যাদি গান।

তাদের জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে আরও উল্লেখ করা যায়- ‘সেই মেয়েটি’ ‘কতদিন দেখিনা মায়ের মুখ’, ‘নিশিতে যাইও ফুলবনে’, ‘নীলা তুমি আবার এসো ফিরে’, ‘ও ও রুবি’ ইত্যাদি।

তিনি ১৯৯৪ সালে হৃদয় থেকে হৃদয় চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পুরুষ কণ্ঠশিল্পী বিভাগে পুরস্কার লাভ করেন।

মিলুর দুই পুত্র প্রতীক হাসান ও প্রীতম হাসানও বাবার পথ ধরে গান করে যাচ্ছেন নিয়মিতই।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com