1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

আর কত সহিংসতা হলে সেনা নামাবে ইসি ?

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৫
  • ২৩ দেখা হয়েছে

কক্সবাজার আলো ডেস্কঃ 

নির্বাচনকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বিভিন্ন পৌরসভা। প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের প্রার্থী, দুই দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে প্রতিদিন। বিরোধী জোটের প্রার্থীদের প্রচারণা ও বাসাবাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটছে। হামলা হচ্ছে কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রচারণাবহরেও। সম্প্রতি অসংখ্য হামলা এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বিভিন্ন পৌরসভায়। খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা পৌরসভায় সন্ত্রাসীদের হামলায় বিএনপির এক নেতা নিহত হয়েছেন। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরীর গাড়ি বহরে হামলার ঘটনা ঘটে। কুমিল্লায় হামলা হয়েছে সাবেক চিফ হুইপ জয়নাল আবদিন ফারুকের প্রচার বহরে। জামালপুর ও সরিষাবাড়ীতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পৌরসভা নির্বাচনে প্রচারাভিযানের সময় সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে এক বিএনপি নেতা নিহত, বিএনপি সমর্থিত এক মেয়র প্রার্থী ছুরিকাহত এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর স্ত্রীসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। উল্লেখ্য,  কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে আহত হয়েছিলেন শতাধিক।
মাটিরাঙ্গা পৌরসভায় বিএনপি প্রার্থী বাদশা মিয়ার পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে বাসায় ফেরার পথে ৪নং ওয়ার্ডে হামলায় নিহত হন উপজেলা কৃষকদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম (৪০)।

কলাপাড়ায় বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরীর গাড়ি বহরের ওপর হামলা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে নয়টার সময় কলাপাড়া পৌর শহরের রহমতপুর এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় আলতাফ হোসেন চৌধুরীর স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার চৌধুরী, পটুয়াখালী সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, পটুয়াখালী জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান সিকদার, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. রফিক খান, যুগ্ম সম্পাদক মো. আউয়াল আকন আহত হয়েছেন। এছাড়া, গাড়িবহরের ৬টি মাইক্রোবাস, ৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে।

হামলাকারীরা মাইক্রোবাসের সামনের কাঁচ ভেঙে ফেলে।

আলতাফ হোসেন চৌধুরীর গাড়িবহর যখন শহরের নতুন বাজার এলাকার দলীয় কার্যালয়ে যাচ্ছিল, তখন যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি মোরসালীন আহম্মেদ ও ছাত্রলীগ  কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল আলম টিটোর নেতৃত্বে ২৫-৩০ জন সন্ত্রাসী তার গাড়িবহরে ব্যারিকেড দেয় এবং লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়।

কুমিল্লার চান্দিনা পৌর নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী শাহ্‌ মো. আলমগীর খানের পক্ষে সাবেক চিফ হুইপ জয়নুল আবেদিন ফারুকের গণসংযোগে হামলা করে আওয়ামী লীগ। মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টায় পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের তুলাতলী এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের কোনো সমস্যা না হলেও এক সাংবাদিকসহ সমর্থিত কয়েকজন আহত হয়। আহত জাকির চান্দিনার সাপ্তাহিক মুক্তির লড়াই প্রতিনিধি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তুলাতলী কমিশনার মার্কেটের সামনে বিএনপি জাতীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক জয়নুল আবেদিন ফারুক চান্দিনা উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মফিজুল ইসলামসহ নেতাকর্মীদের নিয়ে গণসংযোগ করার সময় ৫-৬টি মোটরসাইকেল যোগে কয়েকজন যুবক এসে হামলার চেষ্টা করে। এসময় সাংবাদিক জাকির ছবি তুলতে গেলে তার ক্যামেরা কেড়ে নিয়ে মারধর করে।

জামালপুরে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় বিএনপির মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে শহরের মেথরপট্টি মোড় এলাকায় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর সমর্থকরা এই হামলা চালায়। এ সময় ২ জন আহত হয়। ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে তার লোকজন শহরের মেথরপট্টি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলো। এ সময় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনির সমর্থকরা ৫/৬টি মোটরসাইকেলযোগে এসে অতর্কিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আরমান বাদশা ও বিএনপি কর্মী আনোয়ার আহত হয়। পরে আরমান বাদশাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।  এ অবস্থায় আগামী ৩০শে ডিসেম্বর  নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কিনা তা নিয়ে জনগণ শঙ্কা প্রকাশ করছেন।
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর মাঝে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের ১২ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া- পাল্টা ধাওয়ায় উত্তেজনা বিরাজ করে। ঘটনাটি   পৌরসভার   চর বাঙালিপাড়া বাঁশতলা মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।  সরিষাবাড়ী পৌরসভার বাউসী বাঙালি পাড়ার ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আওয়ামী লীগের আব্দুল মালেকের সঙ্গে একই গ্রামের অপর বিএনপি সমর্থক প্রার্থী সোলায়মান হোসেন (বাচ্চু) গাজীর প্রতীকের সঙ্গে একই ওয়ার্ডের আব্দুল মালেক টেবিল ল্যাম্প প্রতীকের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের সমর্থকদের ধাওয়া- পাল্টা ধাওয়া ও মারপিটে এবং পাটকেল নিক্ষেপে সোলায়মান, আব্দুল মালেক, পৌর ৯ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল বারেক, সমর্থক হাসিনা বেগম, ফাতেমা বেওয়া, বেলাল হোসেন, খলিল, শাহ আলম আহত হয়।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী ও একই দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, গুলিবিনিময় ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এভাবে অব্যাহত ভাবে বেড়ে চলছে নির্বাচনী সহিংসতা । উদ্ভেদ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে প্রার্থী ও ভোটারদের। নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে ভোটারদের কাছে। ভোটারতদের প্রশ্ন আর কত সহিংসতা ঘটলে আসন্ন পৌর নির্বাচনে সেনাবাহিনী নামানোর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করবে নির্বাচন কমিশনার।

 

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com