1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

আলোচনা সভায় সাংবাদিক নেতারা -বুদ্ধিজীবীরা সত্য বলতে পারছেন না

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৫
  • ৪১ দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনে গতকাল ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও বিএফইউজে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে : নয়া দিগন্তবাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনে গতকাল ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও বিএফইউজে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে : নয়া দিগন্ত
স্বাধীনতার ৪৪ বছর অতিক্রান্ত হতে চলেছে, আজও শহীদ বুদ্ধিজীবী হত্যার প্রকৃত রহস্য অনুদঘাটিত রয়ে গেছে। উপরন্তু দেশের বুদ্ধিজীবীরা আজ কথা বলতে পারছেন না। সত্য কথা বলতে গিয়ে বর্তমানে বুদ্ধিজীবীদের জীবন ফের হুমকির মুখে পড়েছে।
বিএফইউজে ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের ডিইউজের উদ্যোগে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভায় সাংবাদিক নেতারা এসব কথা বলেন। বিএফইউজের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়শন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা বক্তৃতা করেনÑ বিএফইউজের সাবেক সভাপতি ও সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রুহুল আমিন গাজী, বিএফইউজের মহাসচিব এমএ আজিজ, ডিইউজের সভাপতি আবদুল হাই শিকদার, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, জাতীয় প্রেস কাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিএফইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, ছড়াকার আবু সালেহ, ফটো সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম মহসিন, মহাসচিব মীর আহমেদ মীরু প্রমুখ।
রুহুল আমিন গাজী বলেন, বুদ্ধিজীবী হত্যার মধ্য দিয়ে দেশে যেমন গুপ্তহত্যার রীতি চালু হয়েছিল বর্তমান সময়েও দেশে ঠিক একই অবস্থা বিরাজ করছে। তিনি বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর দেশে একদলীয় শাসন চলছে। যারা বুদ্ধির চর্চা করছে তাদের ওপর সরকার নির্যাতন চালাচ্ছে। গোপনে মানুষ ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন মানুষ গুম হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রকৃত বুদ্ধিবীবীরা আজ কথা বলতে পারছেন না। এক ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় জাতি দিন পার করছে।
এম এ আজিজ বলেন, ’৭৪ সালে ২০ হাজার মানুষকে হত্যাকারী গণবাহিনীর নেতা ও খুনিদের বিচার করা হচ্ছে না। অথচ বুদ্ধিজীবী হত্যার মিথ্যা অভিযোগে রাজনৈতিক নেতাদের ফাঁসিতে ঝুলানো হচ্ছে।
আবদুল হাই শিকদার বলেন, আজ আমরা নিরাপত্তাহীন। ’৭১ সালে পাকিস্তানী বাহিনী যেমন নিজেদের জনগণের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, তেমনি বর্তমান সরকারও দেশের সাধারণ নাগরিকের ওপর হামলা চালাচ্ছে। নিজের গদি টিকিয়ে রাখতে ক্ষমতাসীনেরা যাকে তাকে আটক করছে, নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে।
সৈয়দ আবদাল আহমদ বলেন, ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি শোকবহ দিন। ১৯৭১ সালে এই দিনে দেশের বুদ্ধিজীবীদের ধরে নিয়ে হত্যা করা হয়। যারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব চায়নি তারাই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে। তিনি বলেন, বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করার কাজটি পরিকল্পিতভাবেই করা হয়েছিল। আজও বুদ্ধিজীবীরা জীবনের নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন।
সভাপতির বক্তৃতায় এম আবদুল্লাহ বলেন, স্বাধীনতার পর দেশে এমন অবস্থা আর কখনো হয়নি। এখন একের পর এক মিডিয়া বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে এবং সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীদের নাজেহাল করা হচ্ছে। সরকার পত্রিকা বন্ধ করেই ক্ষান্ত হয়নি, সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতাদেরও ঠুনকো অভিযোগে আটক করে মিথ্যা মামলায় তাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com