1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
শিরোনাম :
হ্নীলায় টেকনাফ সাংবাদিক সমিতি (টেসাস) এর কার্যালয় উদ্বোধন আমি মরে গেলে আমার সব সৃষ্টি ধ্বংস করো- কবীর সুমন রাত ৮টায় এল ক্লাসিকো যুদ্ধে বার্সা-রিয়াল করোনায় আরও ১৯ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১০৯৪ সাংবাদিকনেতা গাজীর মুক্তির দাবিতে কক্সবাজারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কক্সবাজার প্রধান সড়ক বিএস মতে সড়ক বিভাগের অধিগ্রহণকৃত জমিতেই নির্মিত হবে ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতির শোক দুঃসময়ে আইনি লড়াইয়ে এগিয়ে আসেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক: প্রধানমন্ত্রী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রফিক-উল হক আর নেই টেকনাফ পৌর-ছাত্রলীগের বিশেষ জরুরী সভা অনুষ্ঠিত

‘আয়লানকে নিজের ছেলে মনে হচ্ছিল’

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
  • ১৯ দেখা হয়েছে

কক্সবাজর আলো ডেস্ক :
তুরস্কের সমুদ্র সৈকত থেকে তিন বছরের আয়লান কুর্দির মৃতদেহটি পরম মমতায় কোলে তুলে নিয়েছিলেন তিনি কে জানেন? তিনি হলেন তুর্কি পুলিশ কর্মকর্তা মেহমেত সিপ্লাক। বিখ্যাত সেই ছবির কল্যাণে এবার লাইম লাইটে ওঠে এসেছেন ওই তুর্কি পুলিশ।
সম্প্রতি নিজ দেশের এক সংবাদ মাধ্যমকে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন মেহমেত সিপ্লাক। সেটিও গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও সামাজিক মাধ্যমগুলোতে। তুর্কি সংবাদ মাধ্যম ‘দোরগান’য়ের কাছে সেদিনের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি বলেছেন, ‘নিথর দেহটি কোলে তুলে নেয়ার সময় তার কেবল নিজের ছেলের মুখটাই মনে পড়েছিল।’
পেশাগত কর্তব্যের তাগিদেই তাকে সেদিন ছোট্ট আয়লানের দেহ কোলে তুলে নিতে হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘আমি যখন শিশুটির কাছে গেলাম তখন কেবল প্রার্থনা করছিলাম। হায় আল্লাহ, সে যেন বেঁচে থাকে। কিন্তু তার মধ্যে কোনো প্রাণের অস্তিত্ব না পেয়ে আমি ভীষণভাবে ভেঙে পড়েছিলাম।’
ব্যক্তিজীবনে এক সন্তানের জনক মেহমেত বলেন, ‘ওই মুহূর্তে আমার কেবল নিজের ছয় বছর বয়সী ছেলেটার কথা মনে পড়ছিল। আর নিজেকে আমি বসিয়েছিলাম ওর বাবার স্থানে। আমার পক্ষে সেদিনের অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।’
ছোট্ট আয়লানকে কোলে তুলে নেয়া তার এই ছবি বিশ্ব জুড়ে আলোচনার ঝড় তুলেছে। যদিও সে কথা জানেন না বলে দাবি করেছেন মেহমেত সিপ্লাক। এ সম্পর্কে তার সাফ কথা, ‘আমি আমার কর্তব্য পালন করেছি মাত্র!’
গত বুধবার গ্রিস আসার সময় শরণার্থীদের যে দু’টি নৌকা ডুবে গিয়েছিল তারই একটিতে ছিল আয়লান ও তার পরিবার। পরে তার নিষ্প্রাণ দেহটি তুরস্কের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় বোদরুম সৈকতে ভেসে ওঠেছিল, যা এখন শুধুই ইতিহাস। সাগরতীরে বালির দিকে মুখ করে পড়ে থাকা লাল শার্ট আর কালো প্যান্ট পরা শিশু আয়লানের ছবি যেন ইউরোপে শরণার্থী সঙ্কটেরই প্রতিচ্ছবি, যা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে খোদ ইউরোপেই।
গত শুক্রবার আয়লানকে সমাহিত করা হয়েছে সিরিয়ার কোবানি শহরে। ফলে তার এ সমাধি যেন ইসলামিক স্টেট জিহাদিদের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে সিরীয় কুর্দিদের প্রতিরোধ লড়াইয়ের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। ওই নৌকাডুবিতে প্রাণ হারিয়েছে আইলানের চার বছরের ভাই গালেব ও তার মা রেহানাও। পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য হচ্ছেন আয়লানের বাবা আবদুল্লাহ কুর্দি, সবকিছু হারিয়ে যিনি ফিরে গেছেন কোবানিতেই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com