1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

ঈদগাঁওতে ঈদের কেনাকাটার শেষ পর্যায়ে বস্ত্র বিপনীতে মৌসুমী গলাকাটা বাণিজ্য : বিপাকে ক্রেতারা

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০১৫
  • ৫২ দেখা হয়েছে

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও :
আর ক’টা দিন পর পবিত্র ঈদুল ফিতর। তাই জেলার ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা ঈদগাঁও বাজারে ঈদের কেনাকাটার শেষ পর্যায়ে রকমারী নাম, বাহারী সাইনবোর্ড এবং ভেতরে নজর কাড়া লাইটিং ডেকোরেশান সমৃদ্ধ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কাপড়ের দোকান সমূহে কেনাকাটার জন্যে দুর-দুরান্ত থেকে আগত সহজ-সরল ক্রেতা সাধারণ উচ্চ দামের যাঁতাকলে নিস্পেষিত হচ্ছেন। মিষ্টি মধুর কথার বেড়াজালে ভুলিয়ে-ভালিয়ে প্রকৃত দামের চেয়ে ৩/৪ গুণ দাম আদায় করে নেয়া হচ্ছে একের পর এক। বৃহত্তর ঈদগাঁওবাসীর মিলনকেন্দ্র ও যাবতীয় কেনা-কাটার জন্যে ঈদগাঁও বাজার পরিচিত লাভ করেছে সে বৃটিশ আমল থেকেই। বিশেষ করে, ঈদের কাপড় কেনাকাটা জন্যে পার্শ্ববর্তী ৭/৮ ইউনিয়নের জনসাধারণ এ বাজারের বড় বড় কাপড়ের দোকান সমূহে এসে থাকেন। গ্রামের ক্রেতা সাধারণের এ চাহিদা পূরন করতে কালক্রমে এখানে গড়ে উঠেছে প্রচুর সংখ্যক কাপড়ের দোকান। এমনকি বাজারের অভ্যন্তরীণ কয়েকটি রাস্তা কাপড়ের গলী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এখানে বড় পরিসরের দোকান সমূহে ঢাকা-চট্টগ্রাম ষ্টাইলে দোতলা করে নয়নাভিরাম চোখ ধাঁধানো ডেকোরেশান করা হয় এবং উপর তলা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করে বিয়ের কাপড়-চোপড় সহ অপরাপর সামগ্রী দোতলায় রাখা হয়। আগত ক্রেতার দল কাপড় পছন্দ করার পরে মুল্য নির্ধারণের প্রথম পর্যায়ে বিক্রেতা গুরু-গম্ভীর ভাব ধারণ করে অনেক্ষণ পর্যন্ত। ক্যালকুলেটর টেপাটেপির পরে কম দামে, এমনকি ক্রয় মূল্যে দেয়ার কথা বলে বহুগুণ বেশী দাম চেয়ে বসে। এমতাবস্থায় আগত ক্রেতাগণ অন্তত চোখ লজ্জার খাতিরে হলে ও বিক্রেতার দাবীকৃত দামের অর্ধেক মূল্যায়ণ করতে বাধ্য হয়। ফলে প্রকৃত দামের চেয়ে ২/১ গুণ দামে কাপড়ের সেট গছিয়ে দেয়া হয় গ্রাম থেকে আগত সহজ-সরল ক্রেতাদেরকে। এভাবেই ঠকছেন সহজ-সরল অনেক ক্রেতা সাধারণ। বিক্রি কর্মে নিয়োজিত অত্যন্ত চটপটে, হুঁশিয়ার এবং কথাবাজ সেলস্ ম্যানরা সহজেই তাদের কথায় আকৃষ্ট করে ফেলে ক্রেতাদেরকে। ঈদের অন্যতম অনুষঙ্গ-কাপড় কিনতে এসে ক্রেতাগণ এভাবে নিজের অজান্তেই কয়েক গুণ দাম দিয়ে বসেন। বিগত ঈদ বাজারে ছিল পাখি ড্রেস, এবার ঈদ বাজারে নতুন রূপ ধারণ করেছে কিরণমালা ড্রেসে। আদরের মেয়েরা কিরণমালা ড্রেসের জন্য নাছোড়বান্দা হয়ে বসে থাকে পিতা-মাতাদের কাছে। সিরিয়াল নাটক বুঝে না সে বুঝে না, পাখির নামকরণে পাখি ড্রেসের পাশাপাশি এবারের ঈদ বাজারে আরেক সিরিয়াল নাটক কিরণ মালার নামকরণে কিরণমালা ড্রেসে ছেয়ে গেছে সবকটি মার্কেট। তবে প্রকৃত কিরণমালা ড্রেস না থাকলেও নকল কিরণমালা ড্রেসের বেড়াজালে আটকা পড়েছে ক্রেতাগণ। তবে একেক ধরণের দরদাম নিয়ে বিপাকে এসব লোকজন। বেশ ক’দিন পূর্বে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অসহায় ট্রলি চালক তার মেয়েকে ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে অবশেষে ঈদের কেনাকাটা সরূপ কিরণমালা ড্রেস কিনে দিতে বাধ্য হয়েছে। যাতে করে একেক বছর একেক ধরণের ড্রেসের আবির্ভাব ঘটিয়ে পিতামাতাসহ আত্মীয়-স্বজনদেরকে বিপাকে ফেলে। আবার যারা দোকানীদের এসব ব্যাপারে আগে থেকে ওয়াকিবহাল, তারা বুঝে-শুনেই দরদাম করে কাপড় কিনেন। ফলে তেমন সুবিধে করতে পারেনা ব্যবসায়ীরা। যারা দোকানীদের মিথ্যেকথা,মিথ্যে কসম বা শপথ করে বসেন, তারাই শুধু ঠকেন ও প্রতারিত হন। বাজারে আসা অনেক ব্যক্তি অভিমত ব্যক্ত করেন যে, সাবধান হতে হবে ক্রেতাদেরকে এবং একাধিক দোকান ঘুরে দেখে-শুনে-বুঝে দামদর করে কেনাকাটা করতে হবে। অপরদিকে বেশ কয়েকজন নারী ক্রেতার সাথে আজকের কক্সবাজারের এ প্রতিনিধির কথা হলে তারা হতাশ কণ্ঠে জানান, বিগত বছরের তুলনায় এবার ঈদ বাজারে নানা ডিজাইনেবল কাপড় চোপড়ের দাম কিন্তু চড়া। তারপরও কিনতে হচ্ছে, করার কিছু নেই বলে জানান।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com