1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

ঈদগাঁওতে তিন চাকার যানবাহন নিয়ে কারো স্বস্তি-কারো অস্বস্তি

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
  • ১৭ দেখা হয়েছে

এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও :
কক্সবাজার সদর উপজেলার ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা ঈদগাঁও বাসস্টেশনসহ সড়ক-উপসড়ক জুড়ে ছেয়ে গেছে যন্ত্রচালিত তিন চাকার যানবাহন তথা সিএনজি, টমটম ও ব্যাটারী চালিত রিক্সার দৌরাত্ম্য চরমে। এতে করে দেখার কেউ না থাকায় ছোটখাট দুর্ঘটনা ঘটেই চলছে প্রায়শঃ। এ নিয়ে কারো স্বস্তি, আবার কারোা অস্বস্তি শোনা যাচ্ছে। পাশাপাশি ব্যস্ততম বাজারবাসী ফের যানজটের কবলে পড়েছে। এজন্য পথচারীরা দুষলেন স্থানীয় প্রশাসনকে। সচেতন মহলের অভিযোগ যে, একদিকে এসব ব্যাটারী চালিত যানবাহনের কারণে এলাকায় বিদ্যুতের অপচয় হচ্ছে। অপরদিকে বাড়ছে যানজট। ঈদগাঁও’র বাসস্টেশনসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সাধারণ রিক্সার পাশাপাশি যন্ত্রচালিত এসব লাইসেন্সবিহীন টমটম ও ব্যাটারী রিক্সা চলছে সমানতালে। তাতেও অদক্ষ ও আনাড়ী চালক। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন নিয়ন্ত্রণ না থাকায় এগুলোর সঠিক সংখ্যা জানাও দুষ্কর। কিন্তু নীতিমালার সীমাবদ্ধতার অজুহাতে এগুলো নিয়ন্ত্রণের দায়দায়িত্ব নিতে চায় না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। কোন রকম ভয়, দ্বিধা-দ্বন্ধ ছাড়া রাস্তায় দূরন্ত বেগে ছুটে যাওয়া ব্যাটারী চালিত এসব যানবাহনে বাড়ছে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনা। বাসস্টেশনে আসা বেশ ক’জন পথচারীর মতে, টমটম ও ব্যাটারী চালিত রিক্সা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে নিচ্ছে তাদের কাছ থেকে যাতে তারা হতাশ এবং মর্মাহত। এরকম অসংখ্য অভিযোগ ঈদগাঁও বাজারে আগত বহু পথচারীর অভ্যন্তরীন চলাচলরত রিক্সা, টমটমসহ ছোট বড় যানবাহনের বিরুদ্ধে। আবার দেখা যায়, এসব ব্যাটারী চালিত যানবাহন ব্যস্ত সড়কে চলে অনেকটা দূর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে। অন্যদিকে বিদ্যুৎচালিত অটোরিক্সার পাল ঢাকা-চট্রগ্রাম শহর থেকে বিতাড়িত হয়ে ধেয়ে আসছে কক্সবাজারের প্রতিটি উপজেলার আনাছে কানাছে। কেননা চট্রগ্রাম শহরে বিদ্যুতের অপচয়ও যানজট নিরসনে এসব যানবাহন চালানো নিষিদ্ধ করেছিল প্রশাসন। এরপর থেকে চট্রগ্রাম শহরের অটোরিক্সা গুলো ঝাঁকে ঝাঁকে ধেয়ে আসছিল গ্রাম থেকে গ্রামে। এছাড়া এসব মোটর চালিত গাড়ির চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে অদক্ষ চালকের অসতর্কতার কারনে পর্যটন শহর কক্সবাজারে ঝরে গেছে কলেজ পড়–য়া সম্ভাবনাময়ী কয়েকটি তাজা প্রাণ। এচিত্র শুধু শহরে সীমাবদ্ধ নেই গ্রামীণ জনপদেও এসব ব্যাটারী চালিত টমটম,রিক্সার আগ্রাসনে বিদ্যুৎতের ভয়াবহ লোডশেডিং হচ্ছে। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বিদ্যুৎ নির্ভরশীল ব্যবসা বাণিজ্য। এদিকে বাসস্টেশনসহ বাজারের যত্রতত্র স্থানে টমটম আর ব্যাটারী চালিত রিক্সার কারনে একের পর এক যানজট লেগেই থাকে। যাতে করে অসহায় লোকজনের দুর্ভোগ আর দূর্গতি যেন চোখে পড়ার মত। তবে সাধারণ লোকজন ও পথচারীর মতে, এসব যানবাহনের কারনে যানজট ফের সৃষ্টি হওয়ায় বাজারে প্রবেশ করাতো দুরের কথা, হাটাচলাও দায় হয়ে পড়েছে। সে সাথে অতিসত্ত্বর যানজট বিরোধী অভিযান পরিচালনার জোর দাবী জানান তারা। অপরদিকে ঈদগাঁও বাজারে টমটম ও রিক্সা মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ার কারনে প্রতিনিয়ত যানজটের নাকালে অতিষ্ট এলাকাবাসী। এদিকে সরকার সারা বাংলাদেশের বাইশটি মহাসড়কে তিন চাকার যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার আলোকে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁও বাসস্টেশনে ইতিপূর্বে তিন চাকার যানবাহনের বিরুদ্ধে কয়েকটি অভিযান পরিচালিত হয়। এসব অভিযান নিয়ে কারো স্বস্তি আবার কারো অস্বস্তি প্রকাশ করতে শোনা যায়। তবে সচেতন মহলের মতে, টমটমসহ তিন চাকার যানবাহন মহাসড়ক থেকে তুলে নিলে ভাল হয়, অন্যদিকে এসব যানবাহন না থাকলে রোগীসহ সাধারণ লোকজন চলাফেরা করতে মহা সমস্যায় পড়বে বলেও জানান। তবে দুদিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার আহবান জানিয়েছেন তারা। অন্যদিকে বেশ কয়েকজন তিন চাকার যানবাহন চালকের মতে, এসব যানবাহন চলতে না দিলে আমাদেরকে অনাহারে-অর্ধাহারে মরতে হবে। আমরা কোনদিকে যাব এ নিয়ে মহা টেনশনে ভুগছেন তারা। তাই এ সকল ব্যাটারী চালিত টমটম ও অটোরিক্সার রামরাজত্ব থেকে পরিত্রান পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন পথচারীরা।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com