1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
শিরোনাম :
সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজী গ্রেপ্তার লাইফ সাপোর্টে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক টেকনাফে চার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা রঙ্গিখালী মিনি টমটম চালক সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা মাদক পাচারকারী নিহত,ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার শিগগির জেলা ও মহানগর কমিটি ঘোষণা: কাদের করোনায় আরও ২৪ প্রাণহানি, নতুন শনাক্ত ১৫৪৫ স্বাস্থ্যবিধি মেনে কক্সবাজার জেলায় ২৯৯ মন্ডপে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দুর্গোৎসব জলবায়ুর ন্যায্যতা ও লৈঙ্গিক ন্যায়বিচারের (Gender Justice) দাবিতে সমুদ্র সৈকতে পদযাত্রা (Walk for Survival) করেছে একশনএইড হচ্ছে না মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষা, অ্যাসাইনমেন্টে মূল্যায়ন

ঈদগাঁওতে ফিল্ম স্টাইলে ১০ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়ে ২৪ বছরের প্রতারক স্ত্রী কহিনু উধাও

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
  • ৬ দেখা হয়েছে

ক্রাইম রিপোর্টারঃ
ঈদগাঁও ইসলামপুরের নতুন অফিস রিজার্ভপাড়া হাসিনা আক্তার বুলুর মেয়ে কহিনুর আক্তার নামের এই নারী। বিয়ের নামে প্রতারণা করে। বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। ধনী পরিবারের ছেলে কিংবা প্রবাসীদেরকে টার্গেট করে ফিল্ম স্টাইলে প্রেমের ফাঁদে ফেলে। এরপর বিয়ে করতে বাধ্য করে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার লুটে নেয়। বিয়ের কয়েক সপ্তাহ যেতে না যেতেই তাদেরকে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে মোহরানার নামে টাকা আদায় করে। কারো সাথে আসল চেহারা, কারো সাথে বিয়ের ঠিক ফর্দা, করো সাথে অভিনয় কিংবা কারো সাথে কাবিন নামা সম্পন্ন করে বিভিন্ন কৌশলে বিয়ে ভেঙ্গে দিয়ে বে-কায়দায় ফেলে ক্ষতিপূরণ আদায় করে। এরকম অহরহ ঘটনা ঘটিয়েছে কহিনুর নামের এই নারী। তার প্রেমের ফাঁদে ফেলে অনেক ছেলের জীবন এখন এলোমেলো হয়ে গেছে। আর্থিক ক্ষতিগ্রস্থের পাশাপাশি সামাজিক ভাবে বির্পযয়ের মুখে পড়েছে অনেক পরিবার। বিয়ের নামে একাধিক যুবক আর্থিক হয়রানি প্রতারণার স্বীকার হচ্ছে, তার কাবিন ছাড়াও অনেক অবৈধ স্বামী আছে। তাঁর এবং তাঁর মায়ের ৫ স্থানে ৫ রকম মিথ্যা মামলা ও অভিযোগ নারী ও শিশু নির্যাতন ও ট্রাইবুন্যালের ২ লক্ষ টাকার যৌতুকের নামে একটি মামলা করেন। ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ১ লক্ষ টাকা যৌতুকের অভিযোগ করেন। পুলিশ সুপার এর কার্যালয়ে আরেকটি অভিযোগ করেন। সেখানে লিখিত ভাবে বলেন। তাঁর মেয়ের কাবিন হয়নাই, বিয়ে হয়নাই। জোরপূর্বক উঠিয়ে নিয়ে গেছে। পরিশেষে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে আরেকটি অভিযোগ করে। মিথ্যা অযুহাতে মোহারনার নামে টাকা আদায়ের জন্য তদবীর করে। এতে জাতীয় মহিলা আইনজীবি সমিতি। সেখানে তার তথ্য গোপন করে আরেকটি মিথ্যা অভিযোগ করেন। সংবাদিক নাছিরের বিয়ের আগে আর পরে তাঁর বাবা সৌদি আরবে থাকায় একটি ভিসা দিবে বলে এবং তা না হলে জায়গা দিবে বলে তাঁর মা হাছিনা আক্তার ভুলু ৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। নাছিরের বাড়ী থেকে একমাস পর নগদ টাকা ৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কার মূল্যবান কাপড় চোপড় ইত্যাদি হাতিয়ে নিয়ে অন্য ছেলের সাথে তাঁর পিত্রালয়ে চলে যায়। সেখানে গিয়ে নারী নির্যাতনের মামলার ভয় দেখিয়ে মোহরনার নামে টাকা আদায় করার জন্য মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলা দিয়ে নাছিরকে ফাঁসাতে গিয়ে সে এখন নিজে ফেঁসে গেছে। নারী নির্যাতনের মতো এধরণের কোন ঘটনা না ঘটার পরেও শুধু মাত্র হয়রানি এবং মোহরানার নামে টাকা আদায়ের জন্য পরিকল্পিতভাবে মামলাগুলো দায়ের করা হচ্ছে। এই প্রতারক কহিনু তার গর্ভে থাকা অনেক সন্তানও নষ্ট করেছে। সে বিভিন্ন নেশার ট্যাবলেট খেয়ে একদিন তাঁর স্বামী নাছিরকে হত্যার চেষ্টা করলে স্বামী টের পেলে র্তক বির্তক হয়, এতে কিছু দিন আগে তার অবৈধ কাজে জসিম নামের একটি ছেলেকে হাতে নাতে কহিনুর বাড়ী থেকে আসার সময় অনৈতিক কাজে কমিউনিটি পুলিশ ভোর ৫ টায় নতুন অফিস বাজারস্থল ৩ হাজার টাকা ও মোচলোকা নিয়ে তাদেরকে ছেড়ে দেয়। কমিনিটি পুলিশের মধ্যে ছিলেন, ১। আমির হামজা ২। শাহাব উদ্দিন ৩। নুরুল আলম ৪। শাহ আলম এবং মার্চ এর ৩ তারিখে কহিনুর ও ভুলুর নেতৃত্ব কক্সবাজার টার্মিনালে তাঁর অবের্ধ প্রেমিকের সাথে একটি বড় ধরণের ঘটনা ঘটায়। সেখান থেকে মর্ডেল থানার এস.আই খোরশেদের নেতৃত্বে পুলিশ দল তাদেরকে থানায় নিয়ে যায়। একরাত একদিন পর ইসলামপুর চেয়ারম্যান কাদের মাষ্টার মোচলেখা দিয়ে তাদেরকে নিয়ে যায় ও এতে নারী লোভী নামদারী কিছু নেতা সাধু সেজে বিভিন্নভাবে ফোন করে তাদের পক্ষে কথা বলে মোহরনার নামে টাকা আদায়ের চেষ্টা করে। কিন্তু তাঁদের নিজেদের ফায়দা হাছিলের জন্য করে। সে এতো বিয়ে করার পরেও অবিবাহিত বলে বিয়ে করা টাকা হাতিয়ে নেওয়া তাঁর এবং তাঁর মায়ের একমাত্র পেশা। এলাকায় কহিনু ও ভুলু মামলা বাজ হিসাবে পরিচিত। এতে তারা এলাকার মেম্বার চেয়ারম্যানের বিচারের আচারের কোন ধরণের তোয়াক্কা করে না। এক পর্যায়ে নাছির সাংবাদিকদের সামনে তার সমস্ত টাকা পয়ঁসা স্বর্ণালঙ্কার হারিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এতে তাঁর এলাকার বাড়ীতে আলোচনার সমালোচনার ঝড় উঠেছে। শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর এই বিচার মহান আল্লাহ, প্রশাসন মিডিয়া জনগণের কাছে ছেড়ে দিলেন। তাঁর পেছনে কিছু কুচক্রী মহল এলাকার কয়েকজন নারী লোভী ছেলে ও তাঁর জেঠা সোলতান আহমদ, লাল মিয়া সহ আরো কিছু প্রভাবশালী লোক এই টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে খাচ্ছে এলাকার সচেতন মহলের দাবী ঐ প্রতারক কহিনুরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করছে। এব্যাপারে ১। বক্তব্য তার এলাকার স্থানীয় মেম্বার জনাব, আবদুল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক নাছিরের আগে অনেক বিয়েও হয়েছে বিচার আচার হয়েছে। তাঁরা মানুষ ভাল নয় বলে জানান ২। বক্তব্য স্থানীয় মহিলা মেম্বার জনাবা নুর আয়েশা সাথে কথা হলে তিনি বলেন। ঐ মেয়েটি অনেক বিবাহ হয়েছে। তাঁর বিচারে আচারে আমার অসহ্য হচ্ছে। ঘটনার সততা স্বীকার করেন ৩। বক্তব্য স্থানীয় চেয়ারম্যান জনাব কাদের মাস্টার এর সাথে যোগাযোগ করা কহিনুর ভুলূ তারা দুইজনকে মার্চ এর তিন তারিখে মডেল থানা থেকে চালান করার সময় আমি মোচলেখা দিয়ে নিয়ে আসি। ঘটনা সততা স্বীকার করেন ৪। বক্তব্য ঈদগাহ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরীর সাথে কথা হলে ঐ মেয়েটিকে আমি অনেক দিন আগে থেকে ভাল করে চিনি ৫। বক্তব্য বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবি সমিতি এডভোকেট সাজ্জাতুন নেছা লিপির সাথে সরাসরি কথা হলে ঐ কহিনুর নামের মেয়েটি তথ্য গোপন করে একটি অভিযোগ দেন ঐ মেয়েটির যত রকমের মামলা ও আগের কাবিনের কাগজ পত্র আমাকে দেন। আমি তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব, ৬। বক্তব্য একই স্থানের বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবি সমিতির মোহাম্মদ বশির উল্লাহ জানান মেয়েটির বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট থাকলে পুলিশকে ধরিয়ে দিব ৭। বক্তব্য সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাবা হেলেনাজ তাহেরার সাথে কথা হলে ঐ মেয়েটি বিচার আমার কাছে অনেক আছে উক্ত মেয়েটি ভাল নয় বলে জানান ৮। বক্তব্য সদর উপজেলার সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাছিমা আক্তার বুকুলের সাথে কথা হলে মেয়েটি আমার কাছে আসছিল। আমাকে তারা অভিযোগ দিয়েছে। তাদেরকে আমি পরে আসতে বললে তারা আমার কাছে আর আসেনি। মোবাইল ফোন রিসিভ না করায় আমি বুঝতে পারলাম মেয়েটি ভাল নয় ৯। বক্তব্য ঈদগাহ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর আইসি মিনহাজ মাহমু§দ ভূঁইয়ার সাথে কথা হলে ঐ মেয়েটি মামলা তদন্ত করে আমি যা দেখলাম। মেয়েটি লোভী প্রতারক ও ঠক প্রকৃতির মহিলা। বিবাহকে পূঁজি করে টাকা উপার্জন করা তাঁর মূল চাওয়া। ইসলামাবাদ টেকপাড়া কবির আহমদের ছেলে জসিমের সাথে ৯৯/১১তাং ১৪১০/২০১১ ইং মূলে বিবাহ হয়। ঈদগাহ মাইজপাড়া ছৈয়দ নুরের পুত্র এরশাদুল হক তাঁর ০১/১২ তাং ২০/১০/২০১২ ইং ঈদগাহ কানিয়া ছড়া গুরা মিয়ার পুত্র নাছির উদ্দিনের সাথে নিহা ১২/০৩/১৪ ইং তাং ১১/০৭/২০১৪ ইং সে মেয়েটি কাবিন ছাড়া নিহা ছাড়া আরো অনেক বিবাহ করছে মর্মে জনশ্রুতি আছে। সে অবিবাহিত বলে বিয়ে করে কিছুদিন যাইতে না যাইতে অহেতুক অজুহাত সৃষ্টি করে স্বামীর বাড়ী ত্যাগ করে পিত্রালয়ে চলে যায় সেখান থেকে পারিবারিক ও নারী নির্যাতন মামলার ভয় দেখিয়ে মোহরানার নামে টাকা আদায় করা তাঁর মূল পেশা। ১০। বক্তব্য কক্সবাজার মডেল থানা তদন্ত কর্মকর্তা জনাব বকতিয়ারের সাথে যোগাযোগ করা হলে কহিনু নামে মেয়েটি বিরুদ্ধে মামলা করতে বলেন ও আমাদের যত রকম সহযোতিা করতে হয় তাই করব। ১১। বক্তব্য মডেল থানার ওসি. জনাব, মোহাম্মদ আসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে মেয়েটির বিরুদ্ধে মামলা করতে বলেন আমি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নিব ১২। বক্তব্য পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথ এর সাথে যোগযোগ করা হলে আমি বাহিরে আছি। মডেল থানা ওসি আসলামের সাথে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নেন ১৩। বক্তব্য এ ব্যাপারে কহিনুর সাথে যোগাযোগ করা হলে আমি অনেক বিয়ে করছি টার্মিনাল থেকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছিল। সে সত্যতায় স্বীকার করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com