1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

ঈদগাঁওতে ভরাট খাল দখলমুক্ত করার দাবী এলাকাবাসীর

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৪১ দেখা হয়েছে

 ঈদগাঁও  প্রতিনিধি :

সদরের ঈদগাঁওতে খাল দখলমুক্ত করার দাবী সচেতন এলাকাবাসীর। বর্তমানে এই খালটির স্মৃতি চিহৃও নেই। কতিপয় চক্ররা দখল করে গড়ে তুলছে দোকানপাঠ,ক্ষেতখামার,বসত বাড়ী সহ স্থাপনা। দেখার যেন কেউ নেই। এক সময়ে খাল দিয়ে নৌকা চলাচল করতো। সেটি বর্তমানে দখলের থাবায় বন্দি। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ নীরব থাকায় জনমনে নানান প্রশ্নের সৃষ্টি হচ্ছে। অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ার শংকাও প্রকাশ করে স্থানীয়রা। দখল আর ভরাটকারীদের বিরুদ্বে ব্যবস্থাসহ খননের দাবী এলাকার লোকজন।

বয়োবৃদ্বরা জানান, এই খাল দিয়ে এক সময়ে নৌকা চলাচল করতো। কিন্তু বর্তমান সময়ে খালের অধিকাংশ পয়েন্ট দখল করে তৈরী করে চলছে নানা স্থাপনা। কালের পরিক্রমায় খালের বুকে এখন আধাপাকাসহ দালানের সমারোহ। দেখে বোঝার উপায় নেই, এটি একসময় খাল ছিল। একের পর এক দখলের কারনে খাল স্বকীয়তা হারিয়ে মরা খালে পরিনত হয়ে পড়ে। মেহেরঘোনা জলনাসী যেটি উত্তর-মধ্যম-দক্ষিন মাইজ পাড়া হয়ে চৌফলদন্ডীর বুক চিরে মহেশ খালী চ্যানেল দিয়ে সাগরে গিয়ে মিলিত হয়।

দেখা যায়, বর্তমান সময়ে খাল-বেদখল আর পানি শুন্য। ক্ষীণ ধারা বয়ে যাওয়া খালে এখন গড়ছে দোকান পাঠসহ দালান। ঈদগাঁওর বৃহত্তর মাইজ পাড়ার খালটি গিলে খাচ্ছে। কেউ করছে খালের পাশঘেঁষে দালান,কেউ করছে দোকান, কেউবা সবজি বাগান। খালের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া মুশকিল হয়ে দাড়িঁয়েছে। মূল অংশটি সংকুচিত হয়ে পড়েছে।

যাতে করে, বর্ষা মৌসুমে পানি সুষ্টভাবে চলাচল করতে না পারায় পানি রাস্তা বা বাড়ীঘরে চষে বেড়ায়। খালের অস্তিত্ব বিলীন হওয়ায় প্রতি বর্ষা মৌসুমে প্লাবিত হয়ে হাটাচলাতো দুরের কথা, ফসলসহ ঘরবাড়িতে প্লাবিত হয়ে থাকে।

সূত্র মতে,গত কয়েক বছর পূর্বে স্কেবেটর দিয়ে মাইজ পাড়ার খালটি খনন করা হয়েছিল। খাল খননের কয়েক বছর যেতে না যেতেই ফের পূর্বের কায়দায় ভরাটে মেতে উঠছে কতিপয় চক্ররা। মাত্র দুয়েকটি অংশ ছাড়া সব পয়েন্টে দখল আর ভরাট করে গড়ছেন স্থাপনা। ভরাট ও দখল হয়ে যাওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে অনেক ফসলি জমি সেচের অভাবে অনাবাদী পড়ে থাকতে হয়। দ্রুত সময়ে খাল দখলমুক্ত করে খনন করা না হলে অদূর অবিষ্যতে খালের স্মৃতি চিহ্নও খোঁজে পাওয়া যাবেনা বলে মনে করেন প্রবীন ব্যাক্তিরা। পানির প্রবাহ হারিয়ে বর্তমানে খালটি মুমুর্ষও দখলদারিত্ব হয়ে যাচ্ছে। তদন্ত পূর্বক দখলকৃত খাল উদ্ধারে কর্তৃপক্ষের তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের দাবী।

তবে এলাকার লোকজন জানান, ঐতিহ্যবাহী এ খালটি একেক পর এক ভরাট হয়ে যাচ্ছে। এই খালটি ভরাট থেকে রক্ষা করার জোর দাবী।

সাবেক মেম্বার ছুরুত আলম জানান, বিগত ৫/৬ বছর পূর্বে মাইজ পাড়ার ভরাখালটি চারভাগের একভাগ খনন করার পর বাঁধা আসার কারনে খাল খননের কাজ থেমে যায়।

এই বিভাগের আরও খবর

  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com