1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

ঈদগাঁওবাসীকে লন্ডভন্ড করে দিয়েছে বন্যা : গ্রামাঞ্চলের লোকজন এখনো পানিবন্দী

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০১৫
  • ১১ দেখা হয়েছে

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও :
তিনদিন ধরে টানা ভারী বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের পানি দ্বিতীয়বারের মত ঈদগাঁওবাসীকে লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। এখনা পর্যন্ত বৃহত্তর এলাকার গ্রামাঞ্চলের লোকজন পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। বন্যা পরবর্তী বিশাল এলাকার সড়ক-উপসড়কে ক্ষতবিক্ষত চিহ্ন ভেসে উঠছে। জানা যায়, গেল বন্যার ২০দিন পার হতে না হতে ফের বন্যার সম্মুখীন হয়েছে বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকার লোকজন। গতকাল ২৬ জুলাই পাহাড়ী ঢলের পানি আর প্রচন্ড বৃষ্টিপাতে বৃহত্তর ঈদগাঁও তথা জালালাবাদ, ইসলামাবাদ, পোকখালী, চৌফলদন্ডী, ইসলামপুরসহ ঈদগাঁও ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামগঞ্জের বাড়িঘরে হাটু পরিমাণ পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। চলাচলে দুর্ভোগ আর দুর্গতিতে পড়েছে মানুষজন। গেল বন্যার সময় রাস্তাঘাটের সংস্কার না হওয়ায় জনদুর্ভোগ পড়ার পাশাপাশি আবারো একই দশায় ভুগছেন এলাকার লোকজন। এদিকে দক্ষিণ চট্টলার বৃহত্তম বাণিজ্যিক কেন্দ্র ঈদগাঁও বাজারজুড়ে হাটু পরিমাণ পানিতে ভাসছে দোকানপাট। শতকরা ৬০ ভাগ দোকানে বন্যার পানি প্রবেশ করে প্রচুর পরিমাণ মালামাল ক্ষয়ক্ষতি হয়। বিগত বন্যার সময় ব্যবসায়ীরা বাজারের ব্যাপক ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে না উঠতেই ফের একই দশায় পড়েছে ব্যবসায়ীরা। এ নিয়ে তাদের চোখে মুখে মলিন চেহারা ভেসে উঠছে। অপরদিকে ঈদগাঁও মাইজপাড়ার ভরাখাল দিয়ে সুষ্ঠুভাবে বন্যার পানি যাতায়াত করতে না পারায় খালের পার্শ্ববর্তী বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করে মহাদুর্ভোগে পড়েছে এলাকার মা-বোন। এছাড়াও পোকখালীর আলফজল পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকা এখনো বন্যার পানিতে পানিবন্দী অবস্থায় অসহায় লোকজন দিন কাটাচ্ছে বলে জানান রাসেল মিয়া নামের এক ছাত্রনেতা। ইসলামাবাদের পাহাশিয়াখালী, টেকপাড়া, চৌফলদন্ডীর বিভিন্ন এলাকা, ভোমরিয়াঘোনা, তেলিপাড়া, বাঁশঘাটাসহ প্রত্যন্ত গ্রামগঞ্জে পানিতে সয়লাব রয়েছে। বৃষ্টিপাত কিছুতেই কমছে না। খালবিলে বন্যার পানি থৈ থৈ করছে। গেল বন্যায় বাঁশঘাটার ব্রীজটি ভেঙ্গে যাওয়ায় বিপুল সংখ্যক লোকজনের চলাচলে নিদারুন কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। অন্যদিকে বন্যার পানিতে ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ডোবা রয়েছে। দূর-দূরান্তের শিক্ষার্থীরা শিক্ষাঙ্গনে এসে মহাবিপাকে পড়তে দেখা গেছে। আবার ঈদগাঁও ভূমি অফিস, জালালাবাদ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র বর্তমানে পানিবন্দী। এছাড়া ঈদগাঁও বাজারের কয়েকটি মার্কেটেও পানি প্রবেশ করতে দেখা গেছে। সবমিলিয়ে ব্যবসায়ীদের লাখ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা যায়। চৌফলদন্ডীর ওয়াপদা বাঁধ সংস্কার না করলে বর্ষা মৌসুমে আরো মহা মরণ দশায় ভুগতে হবে বলে জানান এক জনপ্রতিনিধি। দেখা গেছে বন্যার পানি থেকে রক্ষা পেতে অনেকে দোকান কিংবা মার্কেটের সামনে বাঁধ দিয়ে পানি রক্ষার চেষ্টা চালিয়েছে। তারপরও বন্যার পানি থেকে রক্ষা পায়নি তারা। বিশাল এলাকার গ্রামগঞ্জের লোকজন রাখে আল্লাহ মারে কে অবস্থায় দিনাতিপাত করছে বলে জানা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com