1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

ঈদগাঁও’র ঈদ বাজারে কেনাকাটা করতে গিয়ে গ্রামাঞ্চলের লোকজন হয়রানির শিকার

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০১৫
  • ২৮ দেখা হয়েছে

imagesএম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও : ঈদ বাজারে জেলার ব্যস্ততম বৃহত্তম বাণিজ্যিক এলাকা ঈদগাঁও বাজারে রকমারী নাম, বাহারী সাইনবোর্ড এবং ভেতরে নজরকাড়া ডেকোরেশান সমৃদ্ধ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কাপড়ের দোকান সমূহে কেনাকাটার জন্যে আগত সহজ-সরল ক্রেতা সাধারণ সু-চতুর সেলস্ম্যানদের কাছে উচ্চ দামের যাঁতাকলে নিস্পেষিত হচ্ছেন। মিষ্টি মধুর কথার বেড়াজালে আবদ্ধ করে ভুলিয়ে-ভালিয়ে প্রকৃত দামের চেয়ে ত্রিগুণ-চতুর গুণ দাম আদায় করে নেয়া হচ্ছে। ৭/৮ ইউনিয়নবাসীর মিলনকেন্দ্র ও যাবতীয় কেনা-কাটার জন্যে ঈদগাঁও বাজার পরিচিত লাভ করেছে বৃটিশ আমল থেকেই। বিশেষ করে বিয়ের কাপড় কেনাকাটা জন্যে পার্শ্ববর্তী বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের জনসাধারণ এ বাজারের বড় বড় কাপড়ের দোকান সমূহতে এসে থাকেন। গ্রামের ক্রেতা সাধারণের এ চাহিদা পূরন করতে কালক্রমে এখানে গড়ে উঠেছে প্রচুর সংখ্যক কাপড়ের দোকান। এমন কি বাজারের অভ্যন্তরীণ কয়েকটি রাস্তা ‘‘কাপড়ের গলী’’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এখানে বড় পরিসরের দোকান সমূহে ঢাকা-চট্টগ্রাম ষ্টাইলে দোতলা করে নয়নাভিরাম ডেকোরেশান করা হয় এবং উপর তলা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করে বিয়ের কাপড়-চোপড় সহ অপরাপর সামগ্রী দোতলায় রাখা হয়। আগত ঈদ বাজারের ক্রেতার দল কাপড় পছন্দ করার পরে মুল্য নির্ধারণের প্রথম পর্যায়ে বিক্রেতা গুরু-গম্ভীর ভাব ধারণ করে অনেকক্ষণ পর্যন্ত। ক্যালকুলেটর টেপাটেপির পরে কম দামে, এমনকি ক্রয় মূল্যে দেয়ার কথা বলে ৪/৫ গুণ বেশী দাম চেয়ে বসে। এমতাবস্থায় আগত ক্রেতাগণ অন্তত চক্ষুলজ্জার খাতিরে হলে ও বিক্রেতার দাবীকৃত দামের অর্ধেক মূল্যায়ণ করতে বাধ্য হয়। ফলে প্রকৃত দামের চেয়ে দু’তিন গুণ দামে কাপড়ের সেট গছিয়ে দেয়া হয় গ্রাম থেকে আগত সহজ-সরল ক্রেতাদেরকে। এভাবেই প্রতিনিয়ত ঠকছেন সহজ-সরল অনেক ক্রেতা সাধারণ। বিক্রি কর্মে নিয়োজিত অত্যন্ত চটপটে, হুঁশিয়ার এবং কথাবাজ সেলস্ম্যানরা সহজেই তাদের কথায় আকৃষ্ট করে ফেলে ক্রেতাদেরকে। বিয়ের অন্যতম অনুষঙ্গ-কাপড় কিনতে এসে ক্রেতাগণ এভাবে নিজের অজান্তেই কয়েক গুণ দাম দিয়ে বসেন। আবার অনেক ব্যবসায়ী কমিশন ভিত্তিতে এজেন্ট ও নিয়োগ করে থাকেন। নিয়োজিত এজেন্টরা কাজী অফিস,স্বর্ণের দোকান, কাপড়ের দোকানসহ প্রভৃতি স্থানে উদ্দেশ্যমুলক ঘুরাফেরা করে থাকে। ক্রেতারা ঈদের বাজারে ঐ দোকান থেকে কাপড় কিনলেই নিয়োজিত এজেন্ট দোকানদারের কাছ থেকে নির্দিষ্ট কমিশন পেয়ে থাকে। অন্যদিকে প্রতারিত হচ্ছেন ক্রেতাগণ। অনেক ব্যক্তি অভিমত ব্যক্ত করেছেন যে, এক্ষেত্রে প্রশাসন অথবা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার করার কিছুই নেই, বরং সাবধান হতে হবে ক্রেতাদেরকে এবং একাধিক দোকান ঘুরে দেখে-শুনে-বুঝে দামদর করে কেনাকাটা করতে হবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ঠ ব্যবসায়ীগণের সততা ও সাধুতার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঈদ বাজার করতে আসা গ্রামাঞ্চলের একাধিক লোকজন আজকের কক্সবাজারের এ প্রতিনিধিকে জানান, কাপড় ব্যবসায়ীরা চলমান অভ্যেস,নিয়ম ও আগ্রাসী গলাকাটা মানসিকতা পরিবর্তন না করলে ক্রেতা সাধারণ ঠকতে ঠকতে এক পর্যায়ে সাবধান হয়ে যাবেন এবং ধীরে ধীরে ককসবাজার-চকরিয়া-চট্টগ্রাম মুখী হয়ে কেনাকাটা করতে বাধ্য হবেন। বেশ কয়েকজন সুশীল সমাজের মতে, ঈদকে ঘিরে ঈদগাঁও’র বিক্রেতারা ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের লক্ষ্যে হরেক রকমের ডেকোরেশন করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে আলোয় আলোকিত করতে যাচ্ছে। তাই ব্যবসায়িক মৌসুম রমজানে গ্রামাঞ্চলের ক্রেতা সাধারণের কাছ থেকে জিনিসপত্রের দাম উচ্চ মূল্যে নেওয়ার অপেক্ষার প্রহর গুণছেন বলেও জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com