1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

ঈদগাঁও বাজারে সড়কের দু’পাশে ওয়েল্ডিং কারখানা : দেখার কেউ নেই

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০১৫
  • ৪১ দেখা হয়েছে

laksm-welding-660x330এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও : কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁও বাজারের যাতায়াত সড়কের দু’পাশে ওয়েল্ডিং কারখানার আলোর ঝলকানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বাস ষ্টেশন থেকে আলমাছিয়া মাদ্রাসা গেইট, ষ্টেশন থেকে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, তেলীপাড়া সড়ক থেকে বঙ্কিম বাজার পর্যন্ত রাস্তার দু’পাশে পর্যায়ক্রমে চলছে ওয়েল্ডিং কারখানার আলোর ঝলকানি। এতে বিদ্যুৎ দিয়ে যেমন চলছে ওয়েল্ডিং তেমনি বিদ্যুৎ না থাকলে অভিরাম চলে গ্যাসের ওয়েল্ডিং। ঈদগাঁও সাধারণত দু’ভাবে ওয়েল্ডিংএর কাজ হয়। একটি হল বিদ্যুতের অন্যটি হচ্ছে গ্যাসের। গ্যাস ওয়েল্ডিংয়ে সাধারণত দু’টি সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়। জানা যায়, এতে একটি হচ্ছে অক্সিজেন গ্যাসের সিলিন্ডার অন্যটি হচ্ছে এসিটাইলিন গ্যাসের সিলিন্ডার। দু’টি সিলিন্ডারের উপরের মুখ থেকে একটি করে নলের মুখ খুলে অগ্নিসংযোগ করলে তাতে তীব্র আলোর ঝলকানি বাড়ে। এতে আলোর তীব্রতা সাধারণত ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২শ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে দুটি গ্যাসের সংমিশ্রনে তৈরী হচ্ছে কার্বনডাই অক্সাইড। যা মানব দেহের জন্য ভীষন ক্ষতিকর। তার উপর রয়েছে তেজসক্রীয়তা এতে বায়োদূষণ সহ মারাতœক পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে। এদিকে ঈদগাঁও ষ্টেশন সহ বাজারের মধ্যে ডজনাধিকেরও বেশি ওয়েল্ডিং কারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় রাস্তার পাশে অনবরত ওয়েল্ডিং করা হয়। যার তেজসক্রীয়তায় পথচারীদের চোখের মারাতœক ক্ষতি হচ্ছে। পাশাপাশি স্কুলগামী অনেক ছেলেমেয়ে এই ঝলকানি দেখার জন্য তার পাশে দাড়িয়ে থাকছে প্রতিনিয়ত। তা দেখে রাতে বাসায় গিয়ে অনেকে চোখের ভীষন যন্ত্রণায় ভোগছে। এসব কারখানায় সাধারণত শিশু শ্রমিক ব্যবহার কর হয়। তাদের সোলার প্রটেকশন গ্লাস ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও অনেক সময় তা ব্যবহার করা হচ্ছেনা। ফলে শ্রমিকদের দেখা যায় এই আলোর তীব্রতায় তারা ৩/৪ দিন পরপর চোখের অসুখে ভোগছে। এ ব্যাপারে চিকিৎসকের মতে, ওয়েল্ডিং কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের চোখে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। অপরদিকে এলাকার জনশক্তি বড় ধরনের সমস্যায় পড়ার আশংকা রয়েছে। তাই এলাকার সচেতন মহলের দাবী, এ সমস্ত ওয়েল্ডিং কারখানা গুলো যানচলাচল মুক্ত নির্ধারিত স্থানে নিয়ে গেলে চোখের মত মূল্যবান সম্পদ রক্ষা সহ অনেক অসতর্কতাবশত অগ্নিকান্ডের মত দুর্ঘটনা থেকে এলাকাবাসী, বাজারবাসী ও সাধারণ লোকজন রক্ষা পাবে। এ বিষয়ে তারা উর্ধ্বতন প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com