1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

ঈদ আনন্দ নিরানন্দে কাটলো ঈদগাঁও’র গ্রামাঞ্চলের লোকজনের

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০১৫
  • ১৮ দেখা হয়েছে

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও :
দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর গত ক’দিন পূর্বে মহাখুশির ঈদ বিদায় নিল। এ ঈদে বৃহত্তর ঈদগাঁওর গ্রামাঞ্চলের সাধারণ অসহায় লোকজন ঈদের অনাবিল আনন্দ নিরানন্দে কাটালো। যার কারন মৌসুমের শুরুতে চলে গেল বন্যা। রেখে গেছে ধ্বংসাত্মক স্মৃতি। পাশাপাশি ঈদের পূর্বের দিন সহ ঈদের দ্বিতীয় দিন পর্যন্ত হালকা ও ভারী বর্ষনে ঈদ আনন্দ যেন মাটি হয়ে গেল গ্রামাঞ্চলের লোকজনের। একদিকে পাহাড়ি ঢলের পানিতে লন্ডভন্ড গ্রামগঞ্জের রাস্তাঘাট আর বাড়িঘর, অন্যদিকে ঈদেও বৃষ্টিপাতে গ্রামগঞ্জের লোকজনের মন মানসিকতা তেমন ভাল ছিল না। সব মিলিয়ে বৃহত্তর এলাকার গ্রামগঞ্জের লোকজন এবার ঈদের বাঁধভাঙ্গা আনন্দ নিরানন্দেই কাটালো। বলতে গেলে, পাহাড়ী ঢল আর প্রবল বৃষ্টিপাতের পানিতে কক্সবাজার সদর উপজেলার বৃহত্তর ঈদগাওয়ের অসংখ্য সড়ক-উপসড়ক ও ব্রীজ ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়েছে। এতে করে জন ও যান চলাচল করতে না পারায় দারুনভাবে ঈদ মৌসুমেও আত্মীয়-স্বজনদের বাড়ীতে বেড়াতে যেতে বিপাকে পড়েছে অসহায় লোকজন। যাতে করে বৃহত্তর এলাকায় শত শত মানুষজন দুর্ভোগ আর দুর্গতিতে পড়েছে। এনিয়ে গ্রামাঞ্চলের সাধারণ লোকজন দুর্বিসহ অবস্থায় জীবন যাপন করতে দেখা যাচেছ। এমনকি ঈদ কারো জন্য পৌষ মাস আবার কারো জন্য অভিশাপে পরিণত হয়েছে। এছাড়া বৃহত্তর ঈদগাঁও তথা চৌফলদন্ডী, পোকখালী, ইসলামাবাদ, জালালাবাদ, ইসলামপুর ও ঈদগাঁওয়ের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে লোকজন অসহায় অবস্থায় নিদারুন কষ্টে নিপতিত হয়েছে। কেউ কেউ এ দুর্ভোগ আর দুর্গতিতে এবছর কোনভাবে ঈদ কাটাতে পেরেছে আবার কেউ কেউ ঈদ আনন্দ থেকে পিছপা রয়েছে। পাশাপাশি বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকায় বন্যার পানিতে লন্ডভন্ড হয়ে যাওয়া গ্রামাঞ্চলের সড়ক-উপসড়ক ও ঘরবাড়ি ভেঙ্গে যাওয়ায় এবং অসহায় লোকজন সড়ক দিয়ে ছোট বড় যানবাহনে দূর-দূরান্তের আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে ঈদ মৌসুমে বেড়াতে যেতে না পারায় অনেকের চোখে-মুখে হতাশার কালোছায়া দেখা যাচ্ছে। এ ব্যাপারে পোকখালী এলাকার ছাত্রনেতা রাসেল মিয়া আজকের কক্সবাজারের এ প্রতিনিধিকে মুঠোফোনে জানান, ঈদের দিন বৃষ্টির কারনে ঈদ আনন্দ নিরানন্দে কাটলো লোকজনের। হতাশ অনেকে। তবে সচেতন মহলের মতে, বন্যা পরবর্তী যদি জরুরী ভিত্তিতে পাহাড়ী ঢলের পানিতে নিমজ্জিত হওয়া অর্থাৎ বন্যা কবলিত এলাকার রাস্তাঘাট, ব্রীজ সংস্কার করা হত, তাহলে বৃহত্তর এলাকার শত শত লোকজনের আনন্দপূর্ণ ঈদ আনন্দ নিরানন্দে কাটাতে হত না। তাই দ্রুততম সময়ে বিশাল এলাকায় ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তাঘাট, ব্রীজ সংস্কারের জোর দাবীও জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com