1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

উখিয়ার ইনানী বীচে ময়লা আবর্জনার স্তুপ: পর্যটকরা বিমূখ

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৫
  • ৬ দেখা হয়েছে

ওমর ফারুক ইমরান, উখিয়া :
পর্যটন নগরী কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী সী-বীচের প্রতি পর্যটকদের রয়েছে আগ্রহ। কোন পর্যটক কক্সবাজার আসলেই একবার ঘুরে আসতে চায় সেই খ্যাতি অর্জনকারি ইনানী বীচ থেকে। কিন্তু যে পর্যটক একবার ইনানী ঘুরে আসলে তিনি ইনানী বিমুখ হয়ে পড়েন। পর্যটকদের আকর্ষণ করার মত সবই আছে ইনানী বীচে। তবে সবকিছুর জন্য প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বীচ এলাকায় অ-স্বাস্থ্যকর পরিবেশ। শুধু একটি কারণেই ইনানী বীচে কমে যাচ্ছে পর্যটকের আগমন। এমনটি জানালেন স্থানীয় লোকজন ও ব্যবসায়ীরা।
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও যত্রতত্র আবর্জনার স্তুপের কারণে পর্যটক বিমূখ হয়ে পড়েছে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান ইনানী সৈকতের প্রতি। কক্সবাজারের লাবণী পয়েন্ট, সুগন্ধা পয়েন্ট ও ডায়বেটিস পয়েন্টসহ প্রতিটি পয়েন্টে শুধুমাত্র বালিময় বীচ হলেও ইনানী বীচে রয়েছে ভিন্নতা। প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের মত অসংখ্য পাথর ইনানী বীচের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করেছে। কিন্তু সবকিছুকেই হার মানিয়েছে অ-স্বাস্থ্যকর পরিবেশ। যেখানে সেখানে রয়েছে আবর্জনার স্তুপ। ঢাকা থেকে আগত পর্যটক ইসমাইল জানিয়েছেন, যারা কক্সবাজার আসে তারা সবাই ইনানী যেতে পাগল। যেভাবেই হোক একবার ইনানী যেতে চায়। একই ভাবে আমরা ইনানী গিয়ে হতাশ হয়েছি। সমগ্র বীচ এলাকায় যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে তা অসহনীয়। বিশ্বের কোথাও এ ধরণের অপরিচ্ছন্ন বীচ আছে কিনা আমাদের জানা নেই। যার ফলে আগামীতে কক্সবাজার আসলেও ইনানীতে আর যাওয়া হবে না। সাভার থেকে আগত দম্পতি রায়হান ও তার স্ত্রী নুসরাত জাহান জানিয়েছেন, এখানে পর্যটকদের সুবিধার জন্য কিছুই করা হয় না। নেই কোন পাবলিক টয়লেট ও চেঞ্জিং রুম। যার ফলে যারা এখানে আসে সবাইকে নানা ভাবে দূর্ভোগ পোহাতে হয়। এদিকে বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি ও টুরিষ্ট পুলিশের তৎপরতায় এই এলাকায় পূর্ণ নিরাপত্তা থাকলেও শুধুমাত্র অপরিচ্ছন্নতার কারণে কক্সবাজারের অন্যতম পর্যটন এলাকার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ আগত পর্যটক, ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের বিস্মিত করে। স্থানীয় ব্যবসায়ী আবদু সবুর জানিয়েছেন, অপরিচ্ছন্নতার কারণে ইনানীতে পর্যটক আসা অনেক কমে গেছে। বীচের অন্যান্য এলাকা থেকে এই স্থানে দেখার বিষয় বেশী থাকলেও পর্যটক আসা কমতে শুরু করেছে। এই অপরিচ্ছন্নতার কারণে সমুদ্রের পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে। অনেকেই এই অবস্থা দেখে বিস্মিত হচ্ছেন। পর্যটক আসা কমে যাওয়ায় তেমন বেচা বিক্রিও নেই। এখানে যারা ব্যবসায়ী আছেন সবাই লোকসান গুনছেন।বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির পক্ষ থেকে নিয়োগ প্রাপ্ত নিরাপত্তাকর্মী মোহাম্মদ বেলাল জানিয়েছেন, এই এলাকায় নিরাপত্তা জনিত কোন সমস্যা নেই। আগত পর্যটকদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে। টুরিষ্ট পুলিশের পাশাপাশি বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির পক্ষ থেকেও তিনজন নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলী হোসেন জানিয়েছেন, বিষয়টি খোঁজ খবর নেওয়া হবে। পর্যটকদের অসুবিধা হয় সী-বীচে এমন ভাবে আবর্জনার স্তুপ থাকবে তা হয় না। শীঘ্রই পরিদর্শন পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com