1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

উখিয়ায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিস নিয়ন্ত্রণ করছে দালাল চক্র!

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৫
  • ১০ দেখা হয়েছে

উখিয়া প্রতিনিধি:&&&&& উখিয়ায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিস নিয়ন্ত্রণ করছে চিহ্নিত কিছু দালাল চক্র। যার ফলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে হাজার হাজার গ্রাহক। কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ অফিস কর্তৃক দালাল থেকে দুরত্ব বজায় রেখে চলার জন্য প্রচারণা চালানো হলে ও ক্ষুদ পল্লী বিদ্যুৎ কিছু দুর্নীতি বাজ কর্মকতার সাথে গভীর সখ্যতা রেখে দালাল চক্র প্রতি নিয়তে বিদ্যুৎ গ্রাহক নিয়ে তাদের দালালি নির্ভিগ্নে চালিয়ে যাচ্ছে উখিয়া জোনাল অফিসে। কোন গ্রাহক সংযোগের জন্য অফিসে গেলে দালালদের তুষামোদ ও উৎকোষ ছাড়া সংযোগ পাওয়া দু’রহ ব্যাপার। খোঁজ নিয়ে জানা যায় বাংলাদেশ সরকার বিদ্যুৎতের স্বয়ংসম্পূর্ণতার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে নির্দেশ দিলেও উখিয়া জোনাল অফিস সেই নির্দেশকে তোয়াক্কা না করে দালালদের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করছে তাদের কার্যক্রম। অনলাইনের মাধ্যমে নিজস্ব ওয়েব সাইট থেকে ফরম পুরণের মাধ্যমে জমা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও প্রথমে যেতে হয় কিছু চিহ্নিত দালালের কাছে। তা না হলে বিদ্যুৎ অফিস ফরম গ্রহণ করেনা। প্রতিটি নতুন মিটার সংযোগের জন্য দালালদের অগ্রীম ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা জমা দিতে হয় দালালদের কাছে। তাহলে সংযোগ পাওয়া সম্ভব বলে একাধিক ভোগান্তির শিকার হওয়া গ্রাহকগণ জানিয়েছেন। পালংখালী গ্রামের মোহাম্মদ ভুলু মিস্ত্রী, থাইংখালী গ্রামের মুফিজ উদ্দিন চৌধুরী, রহমতের বিল গ্রামের মোহাম্মদ হারুন এবং উখিয়া জোনাল অফিসের কর্মরত কর্মচারী মোশারফ হোসনের নেতৃত্বে এ দালাল চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে সাধারণ গ্রাহকের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা। যা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের যোগসাজ রয়েছে বলে জানা গেছে।
দালাল চক্র বিভিন্ন ভাবে গ্রাহকের হয়রানীর পাশা-পাশি অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া, ট্রান্সফার্মার চুরিসহ নানান অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। ফলে সরকার হারাচ্ছে কোটি টাকার রাজস্ব। উল্লেখ্য যে, গত ১ ও ৩ আগস্ট থাইংখালীতে ২টি টমটম গ্যারেজে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার ফলে বিদ্যুৎ ট্রান্সফার্মার বাস্ট হয়ে সপ্তাহ ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ছিল পুরো এলাকা। এ অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কারনে উপজেলার বিদ্যুতের লোডশেডিং নিত্যনৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। একান্ত অনুসন্ধানে জানা গেছে ফরিদ উদ্দিনের বাড়ীতে ফ্রিজ, মটর-বোম মটর,হিটার,রাইচ কোকার ও ১০টি লাইট জ্বালিয়ে প্রতি মাসে বিল আসে মাত্র ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা। যেখানে অন্যান্য মিটারে বিল আসে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা। কি ভাবে ফরিদের বাড়ীর মিটারের বিল এত কম আসে তা সচেতন গ্রাহকদের ভাবিয়ে তুলেছে প্রতিনিয়ত। উখিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমবায় সমিতির সভাপতি ছৈয়দ হোসাইন চৌধুরীর কাছে দালালদের কু-কর্ম সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে আমরা পল্লী বিদ্যুৎ লাইন সার্ভিসিং ও পরিচালনা সুবিধার জন্য কিছু বৈদ্যতিক কাজ কর্মে পারর্দশি ব্যক্তিদের উক্ত কাজে ব্যবহার করে থাকি। এ সুযোগে তারা সাধারণ গ্রাহকের কাছ থেকে নানান ভাবে অর্থ আদায় করলে সেইটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। এক প্রশ্নের জবাবে বলেন , উখিয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিস দালাল মুক্ত করার জন্য ডিজিএমকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তার পরেও কিছু অসাধু কর্মকর্তার সাথে সখ্যতা রেখে দালালগণ এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com