1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

উখিয়ায় ভোটার প্রত্যাশীদের চরম ভোগান্তি

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০১৫
  • ৩৯ দেখা হয়েছে

ওমর ফারুক ইমরান, উখিয়া প্রতিনিধি :
কক্সবাজারের উখিয়ায় জাতীয় পরিচয়পত্রের নিবন্ধন ও ভোটার তালিকাভুক্তি নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম চলছে। অসংখ্য ভোটার ও জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন প্রত্যাশী লোকজন চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত বিশেষ এলাকা বাসিন্দা হওয়ায় এখানকার লোকজনদের পড়তে হচ্ছে নানা সমস্যায়। অনেক কষ্ট করে নির্ধারিত কাগজপত্র জোগাড় করেও সংশ্লিষ্ট এলাকার তথ্য সংগ্রকারীদের দেখা মিলছেনা, দেখা মিললেও অনেক ক্ষেত্রে নিবন্ধন ফরম পাওয়া যাচ্ছে না।
গত ২৫ জুলাই থেকে সারাদেশ ব্যাপি ভোটার তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে কক্সবাজার জেলার সদর, মহেশখালী ও উখিয়া উপজেলার ভোটার ও জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন প্রত্যাশীদের মাঝে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোটার তথ্য সংগ্রহকারীরা সংশ্লিষ্টদের ঘর-বাড়ীতে গিয়ে ২০০০ সালের ০১ জানুয়ারীর পূর্বে যাদের জন্ম সে সব নাগরিকদের তথ্য সংশ্লিষ্ট এলাকার তথ্য সংগ্রহকারীরা তাদের রেজিষ্ট্রারের সংরক্ষন করার কথা। প্রয়োজনীয় সংখ্যক চাহিদা অনুযায়ী নিবন্ধন ফরম বিনা মূল্যে বিতরণের কথা। কিন্তু উখিয়ার অধিকাংশ এলাকায় তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বে নিয়োজিত তথ্য সংগ্রহকারীরা ভোটারদের ঘরবাড়িতে যাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।
জালিয়াপালং ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, হলদিয়াপালং ইউপি চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন মিন্টু, রতœাপালং ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল কবির চৌধুরী সহ স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করে জানান অধিকাংশ ক্ষেত্রে তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি-বাড়ি না গিয়ে কোন দোকানে বা স্কুলে বসে তাদের কাজ সেরে নিচ্ছে। এতে গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকার ভোটার উপযোগী অনেক লোক ভোটার হতে পাচ্ছে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের রক্ষণশীল পরিবারের মহিলারা ভোটার হওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশংকা রয়েছে। এছাড়াও নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত বিশেষ এলাকা হওয়ায় এখানকার ভোটার প্রত্যাশীদের জন্ম নিবন্ধন সনদ, মা-বাবা, চাচা- ফুফু, আপন ভাই-বোনের জাতীয় পরিচয়পত্র, সংশ্লিষ্ট পরিবারের জায়গা জমি সংক্রান্ত খতিয়ান, বিদ্যুৎ বিল, অভিভাবকদের কেউ মৃত হলে তার মৃত্যু সনদ, ভোটার হতে বিলম্ব হলে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের বিশেষ প্রত্যয়নপত্র সহ বিভিন্ন ধরণের কাগজপত্র ভোটার প্রত্যাশীদের তথ্য সংগ্রহকারীদের নিকট জমা দিতে হচ্ছে। এছাড়াও ইতি পূর্বে প্রণীত ভোটার তালিকা সমূহে অসংখ্য মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক ভোটার তালিকা ভুক্ত হয়ে যাওয়ায় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে উখিয়া সহ ১৪টি উপজেলাকে বিশেষ স্পর্শকাতর এলাকা হিসাবে ঘোষনা করে এসব এলাকার ভোটার প্রত্যাশিদের জন্য বিশেষ ফরমের মাধ্যমে নিবন্ধনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এরপরও বিদেশি নাগরিকদের ভোটার তালিকাভুক্তি কঠিন হওয়ায় এবং রোহিঙ্গারা এসব এলাকা ছাড়াও বিভিন্ন এলাকা ছড়িয়ে পড়ায় এবছর পূর্বের ১৪ উপজেলা পাশাপাশি আরো ২২টি উপজেলাকে বিশেষ এলাকা হিসাবে চিহ্নিত করে সে সব এলাকায় ও ভোটর প্রত্যাশিদের ব্যাপারে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এরপরও রোহিঙ্গা নাগরিকরা বিভিন্ন কৌশলে বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় অর্ন্তভূক্ত হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।
উখিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসারের অতিরিক্ত দায়িত্বে নিয়োজিত টেকনাফ উপজেলা নির্বাচন অফিসার নুরুল ইসলাম বলেন, আগামী ৯ আগষ্ট পর্যন্ত ১ম পর্যায়ের ভোটার অর্ন্তভূক্তির কাজ চলবে। ভোটার তথ্য সহ কারীদের দায়িত্বহীনতার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন ইতিমধ্যে একাধিক তথ্য সংগ্রহকারীদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে তথ্য সংগ্রহ না করার কারণে সতর্ক করা হয়েছে। এর পরও বিদেশী নাগরিক নিবন্ধন সহ যেকোন ধরণের অভিযোগ পাওয়া গেলে, সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উখিয়ায় ৫৯ তথ্য সংগ্রহকারী ও ১৩ জন সুপারভাইজার রয়েছে। ভোটার ফরম সংকটের ব্যাপারে তিনি বলেন নির্বাচন কমিশনের বিশেষায়িত এলাকা হওয়ায় ভোটার ফরম বিতরনে কিছুটা কড়াকড়ি রয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com