1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

উখিয়ায় মসজিদে জুমা খুতবা পড়া অবস্থায় ইমামকে গলা ধাক্কা

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৫
  • ৮ দেখা হয়েছে

উখিয়া প্রতিনিধি :
উখিয়া হলদিয়া পালং  এ এক মসজিদে সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে জুমার নামাজ পন্ড করে দিয়েছে, এ সময় উক্ত সন্ত্রাসীরা মসজিদে প্রবেশ করে খুতবা পড়া অবস্থায় ইমামের হাত থেকে খুতবা কেড়ে নিয়ে ব্যাপক মারধর পূর্বক মসজিদ থেকে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে, এ নিয়ে এলাকার সাধারণ মুসল্লিদের মাঝে ক্ষুভের সৃষ্টি হয়েছে।
জনা যায়, উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়ন রুমখাঁ হাতির ঘোনা গ্রামের মহিউস সুনাœহ (মোহাম্মদ আলী ফকির) মাদ্রাসা ও জামে মসজিদে গত ১৪ আগষ্ট জুমাবার পবিত্র জুমার নামাজ আদায়ের জন্য মহল্লার মুসল্লিরা উপস্থিত হয়। এ সময় উক্ত মসজিদের ইমাম হামিদ উল্লাহ বয়ানের পর খুতবা দিচ্ছিল। এ সময় উক্ত এলাকার মৃত: ছৈয়দুর রহমানের পুত্র: হাজী শামসুল আলম তার পুত্র: মোহাম্মদ সেলিম ও মীর আহম্মদের পুত্র: আবু তাহের, আবদুস ছালাম, শফিক রহমান ও জয়নালের নেতৃত্বে এক দল সন্ত্রাসী মসজিদে প্রবেশ করে শত শত মুসল্লিদের সামনে ইমামের হাত থেকে জোরপূর্বক খুতবা কেড়ে নিয়ে মারধর করে তাকে মসজিদ থেকে বের করে দেয়। এ সময় জুমার নামাজ আদায়ের জন্য আসা সাধারণ মুসল্লিদের মাঝে আতংকের সৃষ্টি হয়। উক্ত মসজিদে নামাজ পড়তে না দেওয়ায় আগত কিছু সংখ্যক মুসল্লিরা পার্শ্ববর্তি বিভিন্ন মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করলে ও অসংখ্য মুসল্লি পার্শ্বের খালেদ বিন ওয়ালিদ মাদ্রাসার খোলা মাঠে গিয়ে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় করেন। উক্ত মসজিদের দাতা হলেন মৃত: ফকির আহম্মদ মৃত: তৈয়ম গুলাল ও মৃত ইসহাক আহমদ তাদের অবর্তমানে বর্তমান মসজিদের মতুয়াল্লির দায়িত্ব পালন করছেন মৃত: কবির আহম্মদের পুত্র ইমাম শরীফ সাংবাদিকদের তিনি জানান, মসজিদটি কে ঘিরে রয়েছে তিনটি সমাজ প্রায় ১২০টি পরিবার অন্য এলাকার ছেলে-মেয়েদের তুলনায় আমাদের গ্রামের ছেলে মেয়েরা ইসলামের সু-শিক্ষা থেকে পিঁছিয়ে পড়ায় ও ধর্ম প্রাণ মুসল্লিরা যাতে নামাজ আদায়ের পাশাপাশি মহান আল্লাহর ইবাদাত বন্ধেগী করতে পারেন সে জন্য আমার পিতার নেতৃত্বে কয়েক জন ধর্মপ্রাণ এলাকাবাসীর সহযোগীতায় এই মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণ হয়। শুরুতে এখানে মকতবের শিক্ষা হাফেজি শিক্ষা ও এতিম খানা থাকলেও এলাকার কিছু দখলদার লোভী মানুষের কু-দৃষ্টি পড়ার কারণে ঐ সব শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে এবং অব্যাবস্থাপনা ও কমিঠি না থাকায় স্থাপনা গুলো জরাঝিন্ন হয়ে পড়ে। যার কারণে নতুন একটি মসজিদ কমিঠি অতি জরুরী হয়ে পড়ছিল। সে লক্ষ্যে গত জুমাবার এলাকার ও সমাজ সেবক এবং  সচেতন মুরব্বীদেরকে উপস্থিত থাকার অনুরোধ করা হলে তারা সবাই ঐ দিন উপস্থিত হয়। মসজিদে যথারীতি ইমাম সাহেব খুতবা দেওয়ার সময় এলাকার বহু মামলার আসামী হাজী শামসুল আলমের নেতৃত্বে মসজিদে প্রবেশ করে ইমামের উপর হামলার মত এহেন জঘণ্য ধর্ম বিরোধী নেক্কার জনক  ঘটনা ঘটায়। মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে আসা এলাকার মুরব্বী বদি আলম, শামসুল আলম, আব্দুল হক, জাফর আলম, ছৈয়দ আলম সহ একাধিক মুসল্লী জানান হাজী শামসুল আলম একজন ভুমিগ্রাসী দখলবাজ ব্যাক্তি সে দীর্ঘদিন যাবত উক্ত মসজিদ মাদ্রাসার জমি টির উপর কু-দৃষ্টি ফেলে সে চেয়েছিল মসজিদ-মাদ্রাসা বন্ধপূর্বক উচ্ছেদ করে মসজিদের জমি টি দখলে নেওয়ার। ইতি মধ্যে সে উক্ত জমির কিছু অংশ মাটি কেটে ঘর তৈরী করে দখল করে নিয়েছে। সে মসজিদ ভিটাকে নিজের ভোগদখলীয় জমির মত ব্যবহার করে গরু-ছাগল ছেড়ে দিত। এতে মসজিদ ভিটার মূল্যবান বৃক্ষরাধির ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। ইমাম সাহেব এ ব্যাপারে তাদেরকে নিষেধ করার করণে মসজিদে খুতবা দেওয়া অবস্থায় তার উপরে হামলা চালিয়ে পবিত্র জুমার নামাজের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে যার কারণে এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা উক্ত মসজিদে নামাজ পড়তে পারেনি। পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহৎ মুসলিম রাষ্ট্র বাংলাদেশ, এদেশে ধর্মের উপর আঘত এনে মসজিদের পবিত্র জুমার নামাজ আদায় করতে না দেওয়া ঐ হাজী শামসুল আলম গংদের খুটির জোর কোথায়? তারা কি ধর্ম ও আইনের উর্দে? এ প্রশ্ন ধর্মপ্রাণ মসুলমানদের। অভিলম্বে সরজমিন তদন্ত পূর্বক মসজিদে প্রবেশ করে ইমামের উপর হামলাকারী ও নামাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি প্রদানের জন্য প্রসাশনের নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন। এলাকার সচেতন মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com