1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

উখিয়া সমাজসেবা অফিসে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
  • ১১ দেখা হয়েছে

ওমর ফারুক ইমরান, উখিয়া :
উখিয়া সমাজসেবা অফিসের দুর্নীতিবাজ কর্তাব্যক্তিরা দিনদিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এমনকি দায়িত্বরত অসাধূ কর্মকর্তারা মৃত ব্যক্তিদের জীবিত দেখিয়ে ভাতা উত্তোলনের বিষয়ে মাসিক আইনশৃংখলা কমিটির সভায় অভিযোগ তুলেছে খোদ কয়েকজন ইউপি চেয়ারম্যানগণ। এতে চরম ভাবে নাজেহাল হয়েছে ভারপ্রাপ্ত সমাজসেবা কর্মকর্তা। সম্প্রতি ধারাবাহিক প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে গত  রবিবার সকাল ১০টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় রতœাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল কবির চৌধুরী সমাজসেবা অফিসের দায়িত্বরত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হাফিজের নিকট থেকে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাসারিতার অভিযোগ তুলে কারণ জানতে চাইলে তিনি কোন সদোত্তর দিতে পারেনি। এমনকি চেয়ারম্যান মৃত ব্যক্তিকে কিভাবে জীবিত দেখিয়ে ভাতা উত্তোলন করা হয়েছে? এ ব্যাপারে আপনি পদক্ষেপ নিয়েছেন জড়িত ইউনিয়ন সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে? তার তিনি কোন মন্তব্য করতে পারেনি। অন্যান্য চেয়ারম্যানরাও তার নিকট থেকে বিস্তারিত ভাতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি উত্তর দিতে না পেরে চরম ভাবে নাজেহালের শিকার হন বলে ইউপি চেয়ারম্যান জানিয়েছেন। এসময় ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান ছেনুয়ারা বেগম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিল্লোল বিশ্বাস, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী সহ ৫ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তা, পুলিশ, বিজিবি প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ হাফিজ জানান, অফিসে কয়েকজন দুর্নীতিবাজ লোক রয়েছে যাদের কারনে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে আমি জেলা অফিসারকে অবহিত করেছি, তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। দৃঢ় কন্ঠে বলেন, ইনশাআল্লাহ কয়েক মাসের মধ্যে উখিয়া উপজেলা সমাজসেবা অফিস দুর্নীতিমুক্ত করা হবে।
অভিযোগ উঠেছে সমাজসেবা অফিসের রাজাপালং ইউনিয়নের দায়িত্বরত সুপারভাইজার মোঃ ফজলু এবং এমএলএসএস সুলতান আহমদ এ দু’জন দীর্ঘদিন যাবৎ উপজেলার সহজ সরল লোকজনদের ভয়ভীতি এবং বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে জনপ্রতি ৫শ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করার পর ভাতা হাতে তুলে দিয়ে থাকে। না হয়, অফিসে দিনের পর দিন, সপ্তাহের পর সপ্তাহ, আসা-যাওয়া করেও কোন কূল কিনারা হয় না বলে জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী রাজাপালং ইউনিয়নের পশ্চিম ডিগলিয়াপালং গ্রামের মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে জালাল আহমদ সহ একাধিক সাধারণ মানুষ ভাতা থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে সর্বত্র অভিযোগ উঠেছে।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com