1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :
শিরোনাম :
চকরিয়ায় পিকআপ চাপায় দুই মোটর সাইকেল আরোহী নিহত, আহত ১ কাউন্সিলর কাজী মোরশেদ আহমদ বাবু’র মৃত্যুতে এমপি কমলের শোক প্রকাশ আমিরাতের শারজায় “মদিনা আল খাইর সুপার মার্কেটে”র শুভ উদ্বোধন বাম ছাত্র সংগঠনের মশাল মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল তিনদিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে হেরে গেলেন কাউন্সিলর কাজী মোরশেদ আহমদ বাবু বায়তুশ শরফ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা তাহেরুল ইসলামের জানাজায় শোকাহত মানুষের ঢল শনিবার সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারেই চলবে কাউন্সিলর বাবু’র চিকিৎসা : মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের জন্মবার্ষিকী আজ আন্দামান সাগর থেকে ৮১ রোহিঙ্গা উদ্ধার, আটজনের মৃত্যু

উন্নয়ন বঞ্চিত ঈদগাঁও বাজার

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৫
  • ৩৫ দেখা হয়েছে

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও :
প্রায় বহু লাখ টাকায় ইজারা হওয়া “ঈদগাঁও বাজার” এবার উন্নয়নের ছোঁয়া পাবে তো? এ জিজ্ঞাসা সচেতন বাজারবাসীর। ইজারাদারের সুদৃষ্টি ও কমিউনিটি পুলিশি সিস্টেম চালু হলে উন্নয়ন সম্ভব বলে অভিজ্ঞজনের অভিমত। কক্সবাজার জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক এলাকা ঈদগাও বাজার। নিলাম ডাক হয় বহু লাখ টাকায়। সদর উপজেলার ঈদগাও ও জালালাবাদ এবং অংশবিশেষ ইসলামাবাদ ইউনিয়ন নিয়েই অবস্থিত। প্রাচীন কাল হতেই সপ্তাহের প্রতি শনি ও মঙ্গলবার দু’দিন হাট বসে । হাটের দিনগুলোতে বৃহত্তর ঈদগাওর পার্শ্ববর্তী রামু, চকোরিয়া ও পার্বত্য নাইক্ষ্যংছড়ি হতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পন্য সহ নানান ধরনের পণ্য নিয়ে বাইরের ব্যবসায়ীরা আসেন। কিন্তু বেচা বিক্রির স্থান হয় বাজারের অভ্যন্তরীন রাস্তাগুলোতে। বাজারে আগত ক্রেতাসাধারনের হাঁটা চলার কোন স্বাভাবিক পরিবেশ থাকেনা। এমনকি দোকানগুলোও ক্ষণিকের জন্য উপ-ভাড়া দিয়ে দৈনিক ফায়দা হাসিলে ব্যস্ত থাকে। তাছাড়া আগেভাগেই দোকানের অংশবিশেষ বাড়িয়ে রাস্তাও দখল করে রাখে। মাঝে মধ্যে মোবাইল কোর্ট চালানো হলে কয়েকদিনের জন্য ভালো মানুষ হয়ে যায় অসাধু ব্যবসায়ীরা। পরে আবার পূর্বের কায়দায় ফিরে যায়। বিগত ২০০৮ সাল হতে ২০১১ সাল পর্যন্ত কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম চালু ছিল। মরিচ বাজারে একটি অফিস নিয়ে কমিটির কাজ শুরু হয়। কমিটিতে ব্যবসায়ী দোকানদারসহ  বিভিন্ন স্তরের সুশীল সমাজের নের্তৃবৃন্দ ছিলেন। তখনকার সময়ে বাজারের অলিগলি প্রশস্ত, স্বাভাবিক চলাফেরার পরিবেশ সৃষ্টি সহ চুরি ডাকাতি ও যানজট বলতে গেলে নিয়ন্ত্রনে ছিল। সময়ের চক্রে কমিউনিটি পুলিশের কার্যক্রমে নেমে আনে স্তবিরতা। ফলে নিয়ন্ত্রনহীনতায় চলে যায় সব কিছু। বাজারবাসী আশা করেন  যে, ঈদগাঁও বাজারের চেহারাটি যেন পরিবর্তন হয়। যুগ যুগ ধরে অত্যন্ত আবশ্যকীয় পাবলিক টয়লেট ও  সুষ্টু ড্রেনেজ সিষ্টেমের অভাব, মাছ ও তরকারী বাজারের পঁচা দূর্গন্ধ পরিবেশ এখনো বিদ্যমান। এমনকি প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে বাজারের ব্যবসায়ীরা মহা দুর্ভোগ আর দূর্গতিতে পড়তে দেখা যায়। যার কারণ, সুষ্ঠু ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি ও ঢলের পানি যাতায়াত করতে না পারায় এ দশার সৃষ্টি বলে জানা যায়। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ীদের মতে, কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম বহাল রেখে বাজার ইজারাদার ও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে বাজারকে একটি সুন্দর পরিচ্ছন্ন, যাজটমুক্ত ও চুরি ডাকাতি মূক্ত করে তোলা সম্ভব। তবে ঈদগাঁও পুলিশের মতে, আইন শৃঙ্খলার জন্য পুলিশ কাজ করছে। বাজারের উন্নয়নে ইজারাদারের পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম অনেকটা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

এই বিভাগের আরও খবর

  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com