1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

উপকূলের জলদস্যু ডাকাত সর্দার মুজিব গ্রেফতার

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০১৫
  • ২৩ দেখা হয়েছে

অধরাই থেকে গেল সাহাব উদ্দিন,গিয়াস উদ্দিন,একরাম, নেজামও সালাহ উদ্দিন
চকরিয়া প্রতিনিধি :
কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকা চকরিয়া, মহেশখালী, কুতুবদিয়া উপকূলের জলদস্যু ডাকাত সর্দার শেখ মুজিবকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ১১ জুলাই শনিবার ভোরে জনতার সহায়তায় মহেশখালী উপজেলার ক্রাইমজোন কালারমার ছড়ার উত্তর নলবিলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। একই দিন তাকে আদলতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়। ডাকাত মুজিব মহেশখালীর কালারমার ছড়ার উত্তর নলবিলার মাঝের পাড়া গ্রামের উলা মিয়ার পুত্র। তার নামে বহু অপহরণ, নৌ ডাকাতিসহ অর্ধডজনাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। ডাকাত মুজিবকে গ্রেফতারের খবরে এলাকায় মিষ্টি বিতরন হয়েছে।
মহেশখালী থানার অপারেশন অফিসার জাফর আলম মুক্তবাণীকে জানান, জলদস্যু ডাকাত সর্দার শেখ মুজিব প্রকাশ মুজিব ডাকাত শনিবার ভোরে সাগরে নৌ ডাকাতি করে নলবিলা এলাকার একটি চিংড়ি প্রকল্পে বিশ্রাম নেয়ার খবর পেয়ে পুলিশ নিয়ে এগিয়ে আসে জনতা। এরপর মুজিব ডাকাত কে জনতার সহায়তায় আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

এলাকার অনেকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মুজিব ডাকাত পুরো মহেশখালী, চকরিয়া, কুতুবদিয়া ও পেকুয়ার উপকূলীয় এলাকায় দীর্ঘ দিন থেকে অপরাধের রাম রাজত্ব কায়েম করে আসছিল। এসব এলাকার ট্রলার মালিক থেকে শুরু করে সব ব্যবসায়ীর নিকট থেকে চাঁদা আদায় করতো। আর তার এবস অপকর্মে সহযোগীতা করে আসছে কালারমারছড়া উত্তরনলবিলা এলাকার মুজিব বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড উলামিয়ার পুত্র সাহাব উদ্দিন, তার ভাই গিয়াস উদ্দিন, সালাহ উদ্দিন, মৃত আব্দু ছত্তারের পুত্র একরাম ডাকাত, মৃত মোঃ নছিমের পুত্র নেজাম উদ্দিনসহ ১৫/২০ জনের একটি ডাকাত দল। অপরদিকে সংবাদে আসা এ ৫ জন কে আটক করে জিঙ্গাসাবাদ করলে মুজিব ডাকাতের অস্ত্র ভান্ডার এর খোঁজ পাওয়া যাবে বলে ধারনা এলাকাবাসীর।

মহেশখালী থানার ওসি সাইকুল আহমেদ জানান, আটককৃত মুজিবের বিরুদ্ধে মহেশখালী ও চকরিয়া থানায় অর্ধ ডজন মামলা রয়েছে। অপর দিকে এ জলদস্যু ডাকাত সর্দারকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার অস্ত্র ভান্ডার উদ্ধারের দাবী জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ডাকাত সদ্দার বজল মারা যাওয়ার পর এ বাহিনীর দেখ ভাল করেন শেখ মুজিব। উপকূলীয় মানুষের কাছে মূর্তিমান আতংক হিসেবে বিবেচিত বাহিনীর প্রধান শেখ মুজিব সহ এ বাহিনীর সদস্যরা। এই বাহিনীর প্রত্যেক সদস্য হত্যা,ডাকাতি, ধর্ষন, সহ অসংখ্য মামলার আসামী হয়। উপকূলীয় এলাকা ছাড়াও কালারমারছড়ার ইউনিয়নের পার্শ্ববতী মাতারবাড়ী, ধলঘাটা, শাপলাপুর ইউনিয়নের চলাচলকারী  যানবাহনগুলোকে প্রায় প্রতিদিন এই বাহিনীর হাতে ডাকাতির  শিকার হতে হয় । জানা গেছে,সংবাদে আসা এসব বাহিনীর হাতে দেশীয় অস্ত্র ছাড়া ও দেশের সর্বাধুনিক হালকা ও ভারী স্বয়ংক্রিয় আগ্নেঅস্ত্র রয়েছে বলে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও র‌্যাব নিশ্চিত হয়েছে। এসব অস্ত্র উদ্ধারের প্রয়োজন মনে করছেন এলাকাবাসী। পুলিশ-র‌্যাবের কাছ থেকে দাগী আসামী ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে উক্ত এলাকায়। তাছাড়া র‌্যাব-পুলিশÑডাকাতদের সাথে বন্দুক যুদ্ধের সময় প্রকাশ্যে ব্যবহার হয়েছে আধুনিক ভারী অস্ত্র। এসব অস্ত্র উদ্বারের প্রয়োজন মনে করছেন এলাকাবাসী। জানা গেছে, এসব দাগী সন্ত্রাসীরা কালারমারছড়ার প্রতিটি জনপদে প্রকাশ্যে চলাফেরা করলে ও পুলিশ এ পর্যন্ত  বিভিন্ন সময় সংবাদে আসা সন্ত্রাসীদের রহস্যজনক কারণে গ্রেফতার করছে না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় জনগন।

মহেখালী থানার নবাগত ওসি সাইকুল আহমদ জানান, পুলিশের অভিযান জোরদার রয়েছে, তবে এলাকার লোকজন সহযোগিতা করলে দাগী ডাকাতদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হব।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com