1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

এক হচ্ছে ধর্মভিত্তিক দলগুলো

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৫
  • ১৪ দেখা হয়েছে

ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে দেশের কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো। বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলনের চাপ বাড়াতেই এ উদ্যোগ। এর আগে বিভিন্ন সময় দলগুলোর মধ্যে ঐক্য দেখা গেলেও তা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো নেতাদ‌‌ের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এ তথ্য।

তবে ঐক্যবদ্ধ হলেও কোনও দল তাদের পুরনো রাজনৈতিক জোট ছাড়তে যাচ্ছে না বলেও জানিয়েছেন নেতারা। এমনকি নতুন কোনও রাজনৈতিক জোটও হবে না। শুধু নির্দিষ্ট ইস্যুতেই দলগুলো একযোগে আন্দোলন করবে।

সর্বশেষ হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবিতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করেছিল ধর্মভিত্তিক দলগুলো। সরকারের চাপে এখন নীরব হেফাজত। পুনরায় আন্দোলনে গতি ফেরাতেই এই ঐক্যের চেষ্টা। আগামী সেপ্টেম্বরে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে নামার জন্য দলগুলো তৎপর বলেও জানা গেছে।

রমজানে ইফতার মাহফিলের মধ্যে দিয়ে ঐক্য প্রচেষ্টার শুরু। তখন সব দল এ বিষয়ে একমত হয়।

ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে হেফাজতের আন্দোলনে বাকিরা এগিয়ে আসলেও এখন সরকারে চাপ ও মামলায় ভয়ে অনেকেই সক্রিয় নেই।

ঐক্যবদ্ধ হতে এরইমধ্যে ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নেতাদের মধ্যে একাধিক বৈঠক হয়েছে। রাজধানীর পল্টন, লালবাগ, গুলশানে গত একমাসে বৈঠকগুলোতে উপস্থিত ছিলেন দলগুলোর আমির, মহাসচিব পর্যায়‌‌‌ের নেতারা।

নাম না প্রকাশের শর্তে একাধিক নেতা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বরাবরই ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের মতো আন্দোলন করছে। এভাবে সরকারের ওপর চাপ তৈরি করা যাচ্ছে না। এখন সময় হয়েছে মূলধারার রাজনৈতিক দলের মতো নিজেদের অবস্থান তৈরি করার। এক্ষেত্রে ঐক্যের বিকল্প নেই। তবে এই ঐক্য মানে জোট নয়। দলগুলো আগের মতোই যে যার রাজনৈতিক অবস্থানে থাকবে, কর্মসূচি পালন করবে। একটি ইস্যুতে নির্ধারিত তারিখে সব দল সারাদেশে একযোগে আন্দোলন করবে। নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে আন্দোলনের কৌশল পরির্বতন হতে পারে।

তবে বরাবরের মতো আলাদা থাকছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন। দলের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমাদেরও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল ঐক্যবদ্ধ হতে। আমরা রাজি, তবে তাদের শর্ত দিয়েছিলাম। সবগুলো দলকে বিএনপি, আওয়ামী লীগ বা অন্যকোনও দলের জোট ছেড়ে আসতে হবে। তাহলে আমরাও আসবো। আমরা কারও ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হতে চাই না। আমাদের লক্ষ্য ইসলামের আইন বাস্তবায়ন, এজন্য ঐক্য আমরাও চাই। তবে কোনও দলের লেজুড়বৃত্তি করে ঐক্য সম্ভব না।

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মাদ জাফরুল্লাহ বলেন, আমরা ধর্মভিত্তিক দলগুলো ইসলামের পক্ষে কাজ করতে সবসময় একসাথে কাজ করতে প্রস্তুত। আমরা সুযোগের অপেক্ষায় আছি। নিয়মতান্ত্রিকভাবে যতটুকু সম্ভব কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের সঙ্গে অন্যান্য দলের যোগাযোগ আছে।

ঐক্যের ইঙ্গিত দিয়ে ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, যারা ইসলামি রাজনীতি করে তারা সব সময় আল্লাহর বিধান বাস্তাবায়নে একমত। তবে রাজনৈতিক বিষয়ে সবসময় ঐক্য থাকে না।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মাহফুযুল হক বলেন, এই মুহূর্তে বিশেষ কোনও ইস্যুতে ধর্মভিত্তিক দলগুলোর ঐক্যের প্রচেষ্টা হচ্ছে কি-না আমার জানা নেই।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মুফতি মুহাম্মদ ওয়াককাস বলেন, ধর্মভিত্তিক দলগুলো বরাবরই ধর্মীয় ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ। হয়ত যে যার দল থেকে আলাদা কর্মসূচি পালন করে। কিন্তু কেউ চুপ থাকে না। হেফাজতে ইসলামের আন্দোলন এর দৃষ্টান্ত। তবে হেফাজতকে দমনে সরকারের মনোভাবের কারণে অনেকে আগের মতো সক্রিয় নেই।

উৎসঃ   বাংলা ট্রিবিউন

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com