1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

কক্সবাজারে কানের দুলের জন্য শিশু হত্যার অভিযোগে একজনের ফাঁসির আদেশ

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০১৫
  • ৩৩ দেখা হয়েছে

কক্সবাজার আলো :
টেকনাফে ৫ বছরের শিশু সুমাইয়া আক্তার হত্যার ঘটনায় নুরুল ইসলাম নুরুল্লাহ নামের এক যুবককে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে জেলা দায়রা জজ। সুমাইয়া হত্যা মামলার ময়না তদন্ত, এরপর সাক্ষ্য প্রমাণ এবং দু-পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তি তর্ক শেষে আদালত আসামি নুরুল্লাহকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করেন। আদালত সুত্র জানায়, কক্সবাজারের টেকনাফে কানের দুলের জন্য সুমাইয়া নামের এক শিশু হত্যার অভিযোগে নুুরুল ইসলাম নুরুল্লাহ নামে একজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সাদিকুল ইসলাম তালুকদার।  ৯ আগষ্ট রবিবার দুপুরে জনাকীর্ণ আদালতে শুনানী শেষে এ আদেশ দেয়া হয়।
ঘটনার বিবরণ :
সুমাইয়া সাবরাং মুন্ডার ডেইল এলাকার প্রবাসী মোঃ ইদ্রিসের একমাত্র মেয়ে।  সৌদি প্রবাসী ইদ্রিস প্রথম রমজানে স্ত্রী সন্তানদের সাথে রোজা ও ঈদ করতে দেশে আসেন।  বিদেশ থেকে আসার সময় একমাত্র মেয়ে সুমাইয়ার জন্য এক জোড়া কানের দুল আনেন পিতা ইদ্রিস। এ দুলই কাল হলো সুমাইয়ার।  ৫ আগস্ট ২০১২ রবিবার বিকালে র্স্বনের দুল পড়া অবস্থায় বাড়ীর পাশে বড় মাদ্রাসার মাঠে খেলতে যায় সুমাইয়া।   এরপর তাকে আর খুজে পাওয়া যায়নি। মেয়েকে খুজাখুজি করে না পেয়ে বিদেশ প্রবাসী ইদ্রিস ৭ আগষ্ট ২০১২ ইং তারিখে থানায় ২৮৪ নং নিখোঁজ ডায়রী করেন। ৯ আগষ্ট বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ীর পূর্বপাশ্বে একটি ডোবার পানিতে সুমাইয়ার লাশ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে খবর দিলে টেকনাফ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে সুরতহাল করার সময় শিশুটির দেহের সাথে বাম হাতটি বিচ্ছন্ন অবস্থায় পায়। এসময় কানের দুলও না থাকায় আত্মীয় স্বজনদের মাঝে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পুলিশ শিশুর লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরন করে। এ ঘটনায় টেকনাফ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করে।
এদিকে নিহত সুমাইয়ার আত্মীয়-স্বজন লাশের সাথে হাত ও কানের দূল না থাকায় এলাকায় খোঁজ নিতে শুরু করে। এক পর্যায়ে জানাযায়, নিহত সুমাইয়া খেলা শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় সুলতান আহাম্মদ‘র পুত্র নূরুল ইসলাম প্রঃ নূরুল্ল্যা (২২) তার পিছু নেয় বলে খবর পায়।
এ সংবাদে নূরুল্ল্যার অবস্থান জানতে তার বাড়ীসহ বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান চালায় সুমাইয়ার স্বজনরা। তারা জানতে পারে সে টেকনাফ থেকে পালিয়ে কক্সবাজার খুরুশকুল এলাকায় অবস্থান করছে।  ১৮ আগষ্ট তাকে খুরুশকুল থেকে আটক করে টেকনাফ থানায় নিয়ে আসা হয়।
আটক নুরুল্লাহ জানায়, ৬ আগস্ট সন্ধ্যায় জাফর ও জসিমসহ ৩ জন সুমাইয়াকে কবর স্থানের মোড় হতে মুখ চেপে ধরে পাশ্বে পানের বরজে নিয়ে যাওয়া হয়।  কানে দুল খোলার সময় সে চিৎকার দিলে তারা সুমাইয়াকে শ্বাস^রুদ্ধ করে হত্যা করে কানের দুল খুলে নেয়।  রাতে পাথরের সাথে তাকে বেধে পানের বরজ সংলগ্ন ডোবাই ফেলে দেয়া হয়। যে দিন শিশুটির লাশ পাওয়া যায় সেদিন টেকনাফে স্বর্নের দুল বিক্রি করে সে কক্সবাজার খুরুশকুল চলে যায়।
১৯ আগষ্ট চাচা মোঃ গিয়াস উদ্দিন বাদী হয়ে নূরুল্লাসহ ৩ জনকে আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু করেছে।
টেকনাফ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) স্বপন কুমার মজুমদার মামলা তদন্তের দান্ত¡ নেন। ঐ দিন রাতে অপর আসামী একই এলাকার কামাল হোসনের পুত্র জাফর আলম (২৩) কে আটক করা হয়। এদিকে পুলিশ নূরুল্লার স্বীক্ষারুক্তি মতে স্বর্ণের দুল গুলো উদ্ধার করেছিল ।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com