1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. joaopinto@carloscostasilva.com : randaldymock :
  3. makaylabeaurepaire@1secmail.com : scotty7124 :
  4. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  5. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  6. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :
শিরোনাম :
মধ্যরাতে স্কুল শিক্ষককে হত্যার হুমকি : সহযোগিতা করলো না পুলিশ। রিপোর্টার্স ইউনিটি কক্সবাজার’র নির্বাচন কাল দুদকের মামলায় কারাগারে টেকনাফের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সিটি নির্বাচন বানচাল করতে আ’ লীগ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করছে: খসরু  ইসলামাবাদে মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১ নাপিতখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ফুটবল প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ দারোয়ান-গৃহকর্মী নিয়োগ দিলে পুলিশকে জানানোর আহ্বান বাগদাদের বুকে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ২৮ ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ১৬ মৃত্যু, শনাক্ত ৫৮৪ মুজিববর্ষে জমিসহ নতুন ঘর পাচ্ছে ৮৬৫ গৃহহীন, শনিবার হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারে বন্যা কবলিত চার উপজেলায় ঈদ নেই!

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০১৫
  • ৫৭ দেখা হয়েছে

আমিনুল কবির :
কক্সবাজার জেলার চারটি উপজেলায় বন্যা কবলিত মানুষগুলো এখনো ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। বন্যা পরবর্তী প্রভাব পড়েছে ঈদবাজারে। গত সপ্তায় প্রবল বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রামু, কক্সবাজার সদর, চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলায় বহু ঘর, কাচা-পাকা সড়ক বিধবস্ত হয়। ভেঙ্গে যায় বেড়ি বাঁধসহ গ্রামীণ অবকাটামো সড়ক। প্লাবিত হয় বসতঘর, ক্ষেত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ঢলে পানিতে ভেসে গিয়ে ও দেয়াল চাপায় নিহত হন অন্তত ২৪ জন। ওই সব এলাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সরকারী ও বেসরকারী ভাবে বিভিন্ন সাহায্য সহযোগীতা দেয়া হয়। কিন্তু এসব সাহায্য প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে জানান সাময়িক ক্ষতির শিকার লোকজন। সরেজমিন রামু ও কক্সবাজার সদর উপজেলার বন্যা কবলিত এলাকাগুলো পরির্দশনে দেখা গেছে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিশেষ করে মধ্য ও নি¤œ আয়ের মানুষগুলো এখনো ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। আগামী ১০ দিন পর মুসলমানদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। কিন্তু প্রতি বছরের মতো সেই ঈদ আনন্দ আর নতুন জামা কাপড় কেনার আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়নি। ব্যবসা বাণিজ্যেও মন্দা ভাব নেমে এসেছে। ঈদের ব্যাপক বেচা বিক্রির জন্য মালামাল মজুদ করে বেশীর ভাগ ব্যবসায়ী বেকায়দায় পড়েছে।
কক্সবাজারের রামু সদরের কয়েকটি মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, বেশীরভাগ ব্যবসায়ী অরস সময় কাটাচ্ছে। ক্রেতা নেই, তাই কোন নতুন জামা কাপড়,শাড়ী, জুতা সেন্ডেল সহ কোন সামগ্রীই বিক্রি হচ্ছে না। কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা জানান, পুরো উপজেলার মানুষ বন্যায় আক্রান্ত। যোগাযোগ অবস্থাও খারাপ। দূভোগে পড়ে যাওয়া অনেকে বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারেনি। বন্যা পরবর্তী প্রভাব ঈদ বাজারে পড়েছে।
কক্সবাজার শহরের অভিজাত বাণিজ্যিক বিপনী বিতানগুলোর অনেক স্থানে একই অবস্থা বিরাজ করছে। ঈদের বিক্রির জন্য নিত্য নতুন ও বাহারী কাপড়ের পসরা সাজানো হলেও আশানুরূপ ভাবে বিক্রি করতে পারছে না। ব্যবসায়ীরা বলেন, গত মঙ্গলবার ১৯ রমজান অতিবাহিত হয়েছে। শহরের এমনও কোন কোন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যারা এ পর্যন্ত কোন ধরনের বেচা-বিক্রি করতে পারেনি। এরপরেও তারা আশায় বুক বেধে আছে। হয়তু আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কিছুটা বেচা-বিক্রির আশা প্রকাশ করেন তারা।

এই বিভাগের আরও খবর

  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com