1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

কক্সবাজারে স্কুল ছাত্রী তানহার আত্বহত্যা : আধুনিক নামধারি স্বার্থপর নারীরা জবাব দেবেন কি ?

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০১৫
  • ৫৩ দেখা হয়েছে

হাসিনা আজাদ :
তানহা মেয়েটার মৃত্যুকে আমি মানষিকভাবে কিছুতেই মেনে নিতে পারছিনা।  একটা তরতাজা হাস্যেজ্বল প্রান নিমিষেই কিছু মুহুর্তের ব্যবধানে নিস্তব্ধ হয়ে গেল!!!! তাও কিনা একজন মায়ের একজন নারীর অপমান সইতে না পেরে।  আমাদের সমাজে এখনও কিছু আধুনিক নামধারি স্বার্থপর নারী রয়েছেন যারা নিজেদের সন্তানের কুকীর্তি চোখে দেখেনা অন্যের সন্তানকে অপমান করতেও দিধা করেনা।  একজন নারী যখন মা হয় আমি মনে করি তখন সে জগতের মাতৃত্বকেই ধারন করে অথচ সেই নারী কিনা নিজের সন্তানের জন্য মা আর অন্যের সন্তানের জন্য একজন বাজে মহিলার রুপে আবির্ভতু হয়। যাক বাজে মানুষদের কথা আজ নয়।  এখনকার টিনএজাররা অনেক বেশি আধুনিকতার মধ্যে বড় হচ্ছে নিত্যনতুন গ্যাজেট আবিস্কারের মাধ্যমে পৃথিবী এখন হাতের মুটোয়।  তাই মাবাবাদের উচিত সন্তানদের প্রতি আর ও অধিক সচেতন হওয়া।  টিনএজ বয়সের আবেগ খুবই স্পর্শকাতর হয়। তাই সন্তানদের বোঝাতে হবে তাদের নিজেদের গুরুত্ব কত। সে নিজে কতটা মুল্যবান পরিবারের জন্য সমাজের জন্য পৃথিবীর জন্য। সন্তানকে দামি কাপড় পরালে আধুনিক খাবার খাওয়ালে নতুন নতুন জায়গায় বেড়াতে নিয়ে গেলেই কেবল গুরুত্ব বোঝানো হয়না। সারাদিনে অন্তত একটি ঘন্টা সন্তানের সাথে একান্তে ব্যয় করোন। বন্দুরমত হাসিখুসি আড্ডা দুষ্টুমির ছলে জেনেনিন ওদের মানসিক অবস্থা দৃষ্টিভন্গি। সন্তানদের কাছে মাবাবার সম্পর্ককে শুধুমাত্র আদর শাসন, সম্মানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ওদের সাথে বন্দুত্ব সুলভ আচরন করোন, সন্তানের মানসিক নির্ভরশীলতার ব্যাক্তি হয়ে উটোন।  সেই সাথে তাকে বুঝিয়ে দিন তার কাজের গুরুত্ব, সঠিকএবং ভুল দিকগুলো। টিনেজদের কাছে একটা ছোট্ট বিষয় ও খুবই গুরুত্বের যদিও সেটা বড়দের চোখে কোন বিষয় ই না। তাদের বয়সটা বুঝতে হবে আমরাও ওই বয়স পার করে এসেছি তাই সন্তানদের ছোট্ট বিষয় ও তাদের মত করে গুরুত্ব দিন তবে আপনার দৃষ্টি কি বলে তা বৃঝিয়ে বলোন। তাকে বুঝান সে এবং তার সবকিছুই খুবই গুরুত্বপূর্ন, কিন্তু সে যেটা ভাবতেছে সেটাই সমাধান নয়। অবশ্য সেক্ষেত্রে মা বাবার দৃষ্টিভন্গিও সঠিক হতে হবে। মা বাবার মধ্যে যদি নৈতিক মুল্যবোধ না থাকে, অহংকার থাকে আর মন যদি কলোষিত হয় তাহলে সে মা বাবা কখনও সন্তানকে সঠিক পথ দেখাতে পারবেনা। তাই নিজের বিবেক কেও প্রসারিত রাখতে হবে। সন্তানকে শুধু মুখের কথায় শি ক্ষা না দিয়ে নিজের আচরনের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিন সঠিক পথ কোনটি নৈতিকতা কি, ব্যক্তিত্ব কেমন হতে হবে। পারিবারিক শিক্ষা থেকেই কেবল সন্তানের নৈতিক চরিত্র,ব্যক্তিত্ব,মনুষ্যত্ব গড়ে উঠে । এটা কখনই কোন শিক্ষাঞ্জন বা শিক্ষক পুরাপুরি গড়ে দিতে পারেনা। সন্তানকে বুঝান একটি মানুষের জীবনের সব কাজই সঠিক হয়না, দোষগুন দুটি নিয়েই মানুষ। তবে ভুলগুলোকে শুধরে নিতে হবে। তাকে বা তার কাজকে যদি কেউ হেয় প্রতিপন্ন করে তাছ্ছিল্য করে সেটা তাদের অযোগ্যতা তার অযোগ্যতা নয়।যদি তার বিবেক বলে এটা সঠিক ছিল তাহলে অবশ্যই সঠিক। আর বিবেকহীন অযোগ্য মানুষের কথাকে গুরুত্ব দিতে নেই। এযুগে প্রেম ভালবাসা এখন সাধারন তুচ্ছ হয়ে দাড়িয়েছে। প্রেমভালবাসার জন্য জীবন নয় জীবনের জন্যই প্রেম এবং ভালবাসা। এই উপলব্দিটা সন্তানের ভেতর জাগিয়ে দিন। পড়ালেখার পাশাপাশি সন্তানদের সংসারের ছোট ছোট দায়িত্ব দিন। সংসারের সুখদুঃখ গুলো শেয়ার করোন কিভাবে কাটিয়ে উটলেন সেইদিনগুলি তাকে বলোন। সামর্থ আছে বলে শুধু ঐশ্বর্য সুখ এসব দেখাবেননা। জীবনের চলার পথ কখনও সংগ্রামের হয় অভাবের হয় জটিলতাও থাকে। সেসব কিছু যে উত্বরন করতে পারে সেই কেবল সফলতা পায়। আর সন্তানদের পড়ালেখা ছাড়াও অন্য প্রতিভাগুলোর গুরুত্ব দিন। তার সখ কি জেনে সেটাই উৎসাহিত করোন। বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলোন সন্তানের মাজে। সফল মানুষের জীবনি পড়তে দিন। উপহার হিসেবে বই দিন কখনও কখনও আর সে বইটা পড়লে আপনি খুশি হবেন বলেদিন। আর সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন ধর্মীয় নৈতিকতাগুলো শেখান। পৃথিবী অনেক বড়, চলার পথে অনেক বাধা বিপত্বি দুঃখ দুর্দশা আসতে পারে সে যেন নিজেকে ছোট মনে না করে হার না মানে সেভাবেই তার ব্যক্তিত্বকে গড়ে তুলোন টিনএজ বয়সের সময়গুলো জীবনের সবদিকথেকেই তার জন্য গুরুত্বপুর্ন, তাই সে যদি এই সময়গুলোকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে মাত্র কয়েকটা বছর কাটিয়ে দিতে পারে তাহলে তার সামনের চলার পথগুলি অনেক সরল এবং সম্মানের হবে সেই বোধ তার মাজে তৈরি করে দিন।সর্বোপরি সবসময় চেষ্টা করোন সন্তানের মনের কাছে থাকার। প্রতিমুহুর্তে বাবা মা সুলব আচরন নাকরে মাজে মাজে বন্ধুসুলব আচরন করোন তবে যখন কড়া শাসনের দরকার হয় তখন প্রশ্রয় না দিয়ে শাসন করোন।সন্তানরা গুরুত্বপুর্ন মা বাবা ও তাদের জন্য গুরুত্বপুর্ন এটা বুঝতে দিন। তাদের সুন্দর এবং সটিক ব্যক্তিত্ব গঠনে সহায়তা করোন তাহলে হয়ত আর কোন তরতাজা প্রান এভাবে হারিয়ে যাবেনা। ভদ্রদের প্রতি অনুরোধ অন্যের সন্তানকে খারাপ বলার আগে নিজের সন্তান কতটা ভাল তা জেনে নিন। প্রত্যেকের কাছেই কিন্তু তার সন্তান প্রিয়। তাই অন্যের ক্ষতি করার আগে নিজরটা ভাবুন।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com