1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

কক্সবাজার উপকূলের ৪০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৫
  • ৪২ দেখা হয়েছে

কক্সবাজার আলো :
টানা বন্যা আর ঘূর্ণিঝড় কোমেনের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে কক্সবাজারের উপকূলীয় বেড়িবাঁধ।
ছয় উপজেলার সাড়ে ৫৯৬ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে ৪০ কিলোমিটার মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ দিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে প্লাবিত হচ্ছে উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল।
বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষে অবস্থিত পেকুয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী, চকরিয়া, কক্সবাজার সদর ও টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ এলাকা। উপকূলীয় এসব এলাকার বেড়িবাঁধ প্রায় সব স্থানে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে।
এ ব্যাপারে পেকুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু জানান, বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় সাগরে জোয়ার শুরু হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি অফিস, হাসপাতাল, রাস্তাঘাট ও বাসাবাড়ি পানিতে তলিয়ে যায়। পরে ভাটার সময় পানি নেমে যায়।
এছাড়া সমুদ্রের পানিতে বিলীন হয়ে গেছে চিংড়িঘের, মৎস্য খামার, ফসলের জমি ও বীজতলা। বেড়িবাঁধ দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান তিনি। টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইসমাইল জানান, ২০১২ সালে আগস্ট মাসে পশ্চিমের দুই কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ভেঙে টেকনাফ-শাহপরীর দ্বীপ সড়কের পাঁচ কিলোমিটার নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। ফলে শাহপরীর দ্বীপের সঙ্গে টেকনাফ সদরের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। গত তিন বছরেও সংস্কার হয়নি পশ্চিম অংশের ওই দুই কিলোমিটার ভাঙা বেড়িবাঁধ। ফলে ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে সাগরের পানি ঢুকে ডুবে আছে সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) টেকনাফ-শাহপরীর দ্বীপ সড়কের প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পাকা সড়ক। দ্বীপের ৪০ হাজার মানুষকে নৌকা নিয়ে টেকনাফ আসা-যাওয়া করতে হচ্ছে। অন্যদিকে, জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হচ্ছে এখানকার ১০টি গ্রাম।
এদিকে জেলার ২১টি পোল্ডারে এবারের বন্যায় বেড়িবাঁধগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানিয়েছে।
পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সবিবুর রহমান জানান, কক্সবাজার জেলায় দু’দফা বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় কোমেনের আঘাতে জেলায় সাড়ে ৪০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে একটি প্রতিবেদন ও বাঁধ সংস্কারের প্রয়োজনীয় টাকার হিসাব ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে খুব দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হবে।
শুষ্ক মৌসুমে নকশা অনুযায়ী কাজ করলে আগামীতে বেড়িবাঁধ ভাঙন অনেকাংশে কমে আসবে বলে জানান তিনি।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com