1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :
শিরোনাম :
সাংবাদিক মামুনকে হত্যার চেষ্টা ঘটনায় জড়িদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবী সাংবাদিক ইব্রাহীম খলিল মামুনকে গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা বাংলাদেশ দূতাবাস আবুধাবিতে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উদযাপন কলাতলী ডলফিন মোড় থেকে ইয়াবাসহ যুবক আটক কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রকল্প পরিদর্শন করলেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী ঈদগাঁও থানার উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণে নিহিত ছিল বাঙালীর মুক্তির ডাক-অতিরিক্ত ডিআইজি জাকির হোসেন স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান এডঃ ওসমান গণি’র মৃত্যুতে কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির শোক উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ প্রাপ্তিতে র‌্যাবের আনন্দ উদযাপন 

কক্সবাজার কলাতলি হাইওয়ে রেস্ট হাউসের প্রায় জমিই বিক্রি : পাহাড় ধ্বসের শংকা

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০১৫
  • ৪২ দেখা হয়েছে

এম.শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার :
কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের মালিকানাধীন কলাতলি হাইওয়ে রেস্ট হাউসের আশপাশের পাহাড় শ্রেণীর প্রায়ই জমি বিক্রি হয়ে গেছে। সওজ এর কর্মচারীরা এসব ভুমি রোহিঙ্গাদের নিকট দেদারছে বিক্রি করে দেওয়ায় পাহাড়ের পাদদেশেই গড়ে উঠেছে শতাধিক রোহিঙ্গা বসতি। এসব অবৈধ স্থাপনা গুলো যেমনি চলছে বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ তেমনি ভাবে ঘটছে ব্যাপক ভাবে পাহাড় কাটার ঘটনা। এতে করে পাহাড় ধ্বসে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করছে সচেতন মহল।
বেদখল হয়ে যাওয়া মুল্যবান সরকারী ভু-িসম্পত্তি নিয়েও সড়ক বিভাগ ও বনবিভাগের মধ্যে চলছে রশিটানা টানি। একে অন্যের উপর দোষ চাপিয়েই দায় এড়াতে চাচ্ছে রহস্যজন কারণে।
জানা গেছে, ৯১ সালে তৎকালীন যোগাযোগ মন্ত্রী কর্ণেল অবঃ অলী আহম্মদ কক্সবাজার বনবিভাগের আওতাধীন আরএস ৮০০১ দাগের কলাতলি এলাকায় ১০ একর বনভুমি অবমুক্ত করে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নামে বন্দোবস্তি নেওয়া হয়। ওই জমির কিছু অংশে পরবর্তীতে সওজ বিভাগ ‘হাইওয়ে রেস্ট হাউস’ নামের একটি স্থাপনা নির্মাণ করেন। কিন্তু সওজ’র মালিকানাধীন ১০ একর জমির বেশির ভাগই ইতোমধ্যে বেহাত হয়ে গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের কতিপয় কর্মকর্তা ও কয়েকজন কর্মচারী মিলে রোহিঙ্গাসহ বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে প¬ট আকারে দখল স্বত্ত্ব বিক্রি করে দিয়েছে। ক্রেতারাও অনেকে রোহিঙ্গাদের কাছে হাত বদল করেছে এই জমি। হাইওয়ে রেস্ট হাউসের পশ্চিম ও দক্ষিণ পাশে নির্বিচারে পাহাড় কেটে, পাহাড়ের পাদদেশেই গড়ে তোলা হয়েছে অসংখ্য রোহিঙ্গা বসতি। এসব অবৈধ বসতিগুলোর বেশির ভাগ বাড়িতে চলছে দেহ ব্যবসা, মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপ। অপরাধীদের ডেরা ও ইয়াবা হাত বদলের আস্তানা হিসেবেও ব্যবহার হয়ে আসছে বেশ কিছু চিহ্নিত অবৈধ রোহিঙ্গা বসতি।
সরকারী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হাইওয়ে রেস্ট হাউসের আশপাশে অপরাধীদের বিচরণ ও অবৈধ স্থাপনাগুলো অপরাধের ঘাঁিট হিসেবে ব্যবহার করার দিনদিন অরক্ষিত হয়ে পড়ছে হাইওয়ে রেস্ট হাউসটি। অনেকেই হাইওয়ে রেস্ট হাউসে অবস্থানকারী ভিআইপি লোকজনের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন অধিবাসি জানান, সওজ এর জমিতে গড়ে তোলা ঘরগুলোর মধ্যে বিশেষ করে বুইত্তানী নামের এক রোহিঙ্গা মহিলার বাড়িতে ইয়াবা, দেহ ব্যবসা চলছে। এছাড়া কামাল ও আমিন নামের ব্যক্তির ভাড়া বাসাসহ আরো বেশ কয়েকটি বসতি ছিনতাইকারী সহ অপরাধীদের ডেরা ও ইয়াবা হাত বদলের ঘাঁটি হিসেবে নিরাপদে ব্যবহার হয়ে আসছে বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, হাইওয়ে রেস্ট হাউসের পশ্চিম ও দক্ষিণাংশে ব্যাপক হারে পাহাড় কাটা হয়েছে ও অব্যাহত আছে। নির্বিচারে পাহাড় কেটে গড়ে তোলা হয়েছে অবৈধ ঘরবাড়ি। এ বিষয়ে সওজ বিভাগ এবং পরিবেশ অধিদপ্তরও অজ্ঞাত কারণে নিশ্চুপ রয়েছে।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী রানা প্রিয় বড়–য়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবী করেন, অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠা জমিগুলো তাদের নয়, বনবিভাগের।
তবে কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগ সুত্রদাবী করেন, পাহাড় কাটা হচ্ছে এবং অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে সড়ক বিভাগের জমিতে। এখানে আমাদের করার কিছু নেই।
স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, বেদখল হয়ে যাওয়া জমিগুলো সড়ক বিভাগ কিংবা বনবিভাগের হলেও এগুলো সরকারী সম্পত্তি। এসব মুল্যবান ভু-সম্পত্তি রক্ষার করা জরুরী। এছাড়া পাহাড়ের পাদদেশে গড়ে তোলা এসব রোহিঙ্গা বসতঘরগুলোর উপর পাহাড় ধ্বসে পড়ে যে কোন সময় প্রাণহানি সহ বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করা হচ্ছে।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com