1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের একাধিক স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ টেকবাঁক : ইশারা চিহ্ন বসানোর দাবী

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০১৫
  • ১৫ দেখা হয়েছে

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও :
পর্যটন নগরীতে ঈদ মৌসুমে ঈদের আনন্দ উদযাপন করতে বিশ্বের অন্যতম পর্যটন শহর কক্সবাজারে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকদের আগমনকে ঘিরে মহাসড়কে ছোট বড় দূর্ঘটনা রোধকল্পে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে একাধিক টেক-বাঁক এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়ে পড়েছে। তাই দুর্ঘটনা রোধকল্পে ইশারা চিহ্ন বসানোর জোর দাবী জনিয়েছেন সচেতন মহল। কোথাও ডানে মোড়-আঁকা-বাঁকা রাস্তা বা সতর্কীকরণ চিহ্ন না থাকায় প্রতিনিয়ত এসব এলাকায় ছোট বড় নানা যানবাহন  ও মালবাহী ট্রাক দূর্ঘটনার শিকার হয়ে ঘটছে বহু লোকের প্রাণহানির ঘটনা। একাধিক সূত্র মতে, বিভিন্ন জেলার দূরপাল্লার বড় বড় যানবাহন পর্যটন নিয়ে কক্সবাজারে আসার পথে দিন/রাতে ঐসব গাড়ীর ড্রাইভারগন ইশারা চিহ্ন না পেয়ে গতিরোধ হারিয়ে যে কোন মুহুর্তে দূর্ঘটনার স্বীকার হতে পারে। তাই দূর্ঘটনা রোধকল্পে কিংবা পর্যটকদের যানমাল নিরাপত্তার স্বার্থে চট্টগ্রাম কক্সবাজার চলাচল সড়কে টেকবাকে সতর্ক চিহ্ন বসানোর দাবী সচেতন লোকজনের। এদিকে ককসবাজার বাস টার্মিনাল থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার সময় মহাসড়কে ছোট বড় প্রায় ২৫টি টেক-বাঁক রয়েছে। তৎমধ্যে খরুলিয়া, বাংলাবাজার, রামু, পানিরছড়া, ঈদগাঁও, নাপিতখালী, মেধাকচ্ছপিয়া, ডুলাহাজারা, মালুমঘাট, ফাঁসিয়াখালী, চকরিয়া,হারবাং সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে। দুর থেকে এসব স্থানের টেক-বাঁকগুলি দেখা না যাওয়ার কারণে যানবাহন দূর্ঘটনার আশংকা করছেন এ সড়কের নানা যানবাহন ও ট্রাকের একাধিক ড্রাইভাররা। তাছাড়া মহাসড়কে অসংখ্য বাঁকের পাশাপাশি ১৫ টির অধিক হাট বাজার থাকায় গাড়ি চলাচলের ক্ষেত্রে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে, ককসবাজার লিংরোড, খরুলিয়া বাজার, পানির ছড়া বাজার, কালিরছড়া বাজার, ঈদগাঁও বাস ষ্টেশন, নতুন অফিস বাজার, খুটাখালী বাজার, ডুলাহাজারা বাজার, মালুমঘাট বাজার, চকরিয়া সোসাইটি অন্যতম। এসব ষ্টেশন ও বাজারে অবৈধ ভাবে জীপ, মাইক্রো ও টেক্সী দাঁড় করিয়ে রাখার কারণে যানজটের কবলে পড়তে হয় ঘন্টার পর ঘন্টা। সরেজমিন দেখা যায়, উল্লেখিত টেক-বাঁকে প্রতি বছরে একাধিক লোকের প্রাণহানি ঘটে। এর মধ্যে বেশির ভাগ দূর্ঘটনা টেক বা বাঁকে অতিক্রম করার সময়। অপরদিকে সড়ক, ফুতপাত দখলমুক্ত করা যাচ্ছেনা। এ মহাসড়ক দিয়ে বেশি ওজনের ট্রাক, লরি নিয়ন্ত্রণহীন চলাচলের কারণে সড়কের অনেকাংশে দেবে গেছে। এক ড্রাইভার জানান, সদরের ইসলামপুর নাপিতখালী মোড়ের বাঁকটি বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। দ্রুতগতিতে গাড়ি চালিয়ে বাঁকে আসলে গতি নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। যার কারণে দূর্ঘটনা ঘটে থাকে প্রায় সময়। এদিকে একাধিক শিক্ষার্থীর মতে, সড়ক দূর্ঘটনায় ঘন ঘন প্রাণহানি রক্ষার্থে টেক-বাকে অবিলম্বে সতর্কীকরণমূলক চিহৃযুক্ত সাইনবোর্ড বসানো হোক। অন্যথায় সড়ক দূর্ঘটনা থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে পড়বে। এব্যাপারে বেশ ক’জন গাড়ীর হেলপার আজকের কক্সবাজারের এ প্রতিনিধিকে জানান, দিবারাত্রীতে যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে টেক-উঠনী-নামনীতে অধিকাংশতে চিহ্ন না থাকায় নানা যানবাহন চলাচলের সময় হরেক রকম সমস্যায় সম্মূখিন হতে হয়। তারা অতিসত্তর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের এসব ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে ইশারা চিহৃ বসানোর লক্ষ্যে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট দাবী জানান।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com