1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে যাত্রীদের দুর্ভোগ

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০১৫
  • ১৪২ দেখা হয়েছে

SAMSUNG CAMERA PICTURES

দেশের সর্বদক্ষিণের উপজেলার শহর টেকনাফের সাথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম জনগুরুত্বপূর্ণ কক্সবাজার-টেকনাফ ৭৯ কিলোমিটার সড়কের প্রায় ২১টি স্পটে খানা খন্দকে একাকার হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির পানিতে এসব খানা খন্দক পরিপূর্ণ থাকায় অসাবধানতা বশত: যাত্রীবাহী গাড়ি খাদে পড়ে দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। বাস মালিকদের অভিযোগ, খানা খন্দকের কারণে তাদের যানবাহনের মূল্যবান যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। যাত্রীদের অভিযোগ খানা খন্দকের কারণে নির্ধারিত সময়ের চাইতে অতিরিক্ত মূল্যবান সময় তাদের ব্যয় হচ্ছে।
টেকনাফ থেকে বালুখালী পর্যন্ত, বালুখালী থেকে লিংকরোড, লিংক রোড থেকে চকরিয়া পর্যন্ত ৩টি প্যাকেজে প্রায় আড়াই কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দে বিগত অর্থ বছরে এ সড়কটি মেরামত ও কার্পেটিং এর কাজ সম্পন্ন হওয়ার মাত্র ৩ মাসের ব্যবধানে সড়কের ২১টি স্পটে খানা খন্দকে একাকার হওয়ার ঘটনায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষার শুরুতে এসব খানা খন্দকের স্পটগুলোতে যানবাহন চলাচলের প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিনিয়ত সৃষ্টি হচ্ছে অপরিকল্পিত যানজট। যে কারণে সাধারণ যাত্রীদের অসহনীয় দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিন কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের কোটবাজার এলাকা ঘুরে দেখা যায় জন গুরুত্বপূর্ণ এ ষ্টেশনে শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে আছে। গাড়ি নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিকের দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ জানালেন, স্থানীয় যানবাহনগুলো তাদের নির্দেশও মানছে না। স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা আবুল মনসুর চৌধুরী জানান, এ ষ্টেশনটি চৌমুখী হওয়ার কারণে ষ্টেশনের গুরুত্ব অনেকাংশে বাড়লেও তার উন্নয়ন হয়নি। বিশেষত ষ্টেশনের উভয় পাশে ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গা হওয়ার কারণে যার যার অবস্থানে তাদের ইচ্ছানুযায়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে।
এমতাবস্থায়, বিগত অর্থ বছরে সাংসদ আবদুর রহমান বদি পথচারীদের নিরাপদ যাতায়ত ও যানবাহন চলাচল নিশ্চিত করার জন্য রাস্তার উভয় পার্শ্বে ব্রিক সলিং এর কাজ সম্পন্ন করলেও তা জনগণের কাজে আসেনি। ওই ব্রিক সলিং এর উপরে ভাড়া দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে। এতে করে ষ্টেশনের যেমন সৌন্দর্য্য নষ্ট হয়েছে, তেমনি পথচারী ও যানবাহন যাতায়তে দুর্ভোগও বেড়েছে। এভাবে উখিয়া সদর, কুতুপালং, বালুখালী, থাইংখালী, পালংখালী, উলুবনিয়া, হোয়াইক্যং, মধ্যম হ্নীলা, মৌলভী বাজার, ঝিমংখালী, হ্নীলা, বন্দর এলাকা ও টেকনাফ সদর সহ প্রায় ২১টি স্পটে ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ার কারণে এসব স্থানে নিত্য নৈমিত্তিক যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে আন্ত:জেলা বাস-মিনি বাস মালিক-শ্রমিক সমিতির লাইন সম্পাদক জালাল উদ্দিন জানান, সড়ক সংস্কার ও কার্পেটিং কাজে অনিয়মের কারণে রাস্তার এহেন দুর্দশার সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে কক্সবাজার সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রানা প্রিয় বড়–য়া জানান, তিনি সবেমাত্র কর্মস্থলে যোগদান করেছেন। কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার মাধ্যমে সংস্কারের উদ্বেগ নেওয়া হবে বলে সাংবাদিকদের আশ্বস্থ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
Site Customized By NewsTech.Com