1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

কালারমারছড়া-মাতারবাড়ী সড়কে ডাকাত একরামের নেতৃত্বে যাত্রীবাহি গাড়ীতে ডাকাতি

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০১৫
  • ৬ দেখা হয়েছে

এ.এম হোবাইব সজীব, কক্সবাজার আলো :
মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া সড়কে চলছে গণ-ডাকাতি। এতে করে বিশাল এলাকাবাসী চরম উদ্ধেগ উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছে। কালারমারছড়া ইউনিয়নের চালিয়াতলী-মাতারবাড়ী সড়কে ইউনিয়নের উত্তরনলবিলা এলাকার একরাম ডাকাত, সাহাব উদ্দিন, গিয়াস উদ্দিন, সালাহ উদ্দিন, নেজাম উদ্দিন, রিদুয়ানসহ ১৫/২০ জনের সশস্ত্র ডাকাতদল যাত্রীবাহী ৪/৫টি সিএনজি গাড়ীতে হানা দিয়ে ডাকাতি সংগঠিত করেছে। রবিবার রাত ১১ দিকে এ ডাকাতি সংগঠিত হয়।
জানা গেছে, ডাকাতিকালে বদরখালী ফেরিঘাট থেকে মহেশখালী এবং মহেশখালী থেকে বদরখালী গামী দুই দিক থেকে আসা গাড়ী থামিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে ৪টি মোবাইল সেট নগদ ১১ হাজার টাকাসহ মূল্যবান জিনিস পত্র জামা কাপড় ছিনেয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ডাকাতদের কবলে পড়া লোকজন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দুই দিক থেকে আসা গাড়ী চালিয়াতলী- মাতারবাড়ী সংযোগ সড়কের ধারাখাল ব্রীজে একদল ডাকাতদল রাস্তায় ব্যারিকেড় দিয়ে সিএনজি গাড়ী গতিরোধ করে ঘন্টা ব্যাপী ডাকাতি সংগঠিত করে।
সড়কের ডেঞ্জারজোন খ্যাত কালারমারছড়ার- মাতারবাড়ী  সংযোগ সড়কে প্রকাশ্যে দিন দুপুরের ফিøম স্টাইলে এবং রাত্রি কালিন সময়ে জঘন্যতম ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতি কবলে পড়া মাতার বাড়ী সিকদার পাড়া এলাকার সাইফুল জানান, ডাকাতরা সংখ্যায় নগন্য  হলেও নানা কারনে তাদের সাথে পেরে উঠছেনা ঐ সড়কের যাতায়াত কারীরা । এমনকি স্থান গুলো দূগম পাহাড়ী এলাকা উপজেলার কালারমারছড়া-মাতারবাড়ী ইউনিয়নের সামীন্তবর্তী এলাকা হওয়াতে ইউনিয়নের রশি টানাটানির কারনে দীর্ঘ বছর ধরে দুভোর্গ পোহাচ্ছে উপজেলার হাজার হাজার লোকজন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মহেশখালীতে স্থল পথের যাতায়তের প্রবেশদ্ধার কালারমারছড়া উত্তরনরবিলা-চালিয়াতলী গ্রাম। এছাড়া প্রশাসনিক জনসচেতনার অভাবে দুই ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়াতে অসহায় ভূক্ত ভোগীরা ঘনঘন ডাকাতির শিকারে আক্রান্ত হচ্ছে। নানা সূত্রে মতে, গত জুলাই মাসে উল্লেখিত স্থানে ডজন খানিক ডাকাতির ঘটনা ঘটে দেশ বাসিকে ভাবিয়ে তুলেছে , এবং ডাকাতির আঘাতে আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে শতাধিকের ও বেশি লোকজন। অন্যদিকে নগদ টাকাসহ লুট করে নিয়ে যাওয়ার সম্পদের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮/১০ লক্ষ টাকার কাছাকাছি হবে বলে ধারনা করেছেন স্থানিয় লোকজন। ভূক্ত ভোগী এবং স্থানিয় মানুষেদের সাথে কথা বলে হলে তারা  ডাকাত প্রবল এলাকায় স্থায়ী ভাবে যদি একটি পুলিশ বক্স স্থাপন করে হয় অথবা সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কালারমারছড়া ফাঁড়ি পুলিশ এবং মাতারবাড়ী ফাঁড়ি পুলিশের টহল জোরদার হলে থামবে ডাকাতি । জানা গেছে, নানা সময়ে উপজেলার কালারমারছড়া  উওরনরবিলা-মাতারবাড়ী সংযোগ সড়কে বছরের পর বছর ধরে ডাকাতির ঘটনা ঘটলে ও এই নিয়ে দুই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও প্রশাসনের কোন মাথা ব্যাথা নেই। অন্যদিকে কালারমারছড়া পুলিশ ক্যাম্প এবং মাতারবাড়ী পুলিশ ক্যাম্প থাকলে ও কোন প্রকার এ্যাকসেন  না নেওয়ার অভিযোগ তোলেন লোকজন। মহেশখালী  উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক পরোয়ার হাবিব (বকুল) ও স্থানিয় ইউ.পি সদস্য নুরুনবী জানিয়েছেন, পুলিশের স্থায়ি ভাবে চৌকি বসানো না হলে ডাকাতি থামানো যাবে না। উত্তরনলবিলা-চালিয়াতলী এলাকার বেশ কিছু প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় উঠতি প্রজন্মের কিছু যুবক ডাকাতির মত জঘন্যতম ঘটনা ঘটাচ্ছে।
ব্যবসায়ী জকরিয়া জানান, মহেশখালী উপকূলের জলদস্যু ডাকাত সর্দার শেখ মুজিব পুলিশ হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর কিছুদিন উক্ত সড়কে ডাকাতি বন্ধ থাকলে ফের একরামের নেতৃত্বে ডাকাত দল বেপরোয়া হয়ে সড়কে যাত্রাবাহী গাড়ীতে ডাকাতি ঘটাচ্ছে প্রতিনিয়ত। উপকূলীয় মানুষের কাছে মূর্তিমান আতংক হিসেবে বিবেচিত কারাগারে থাকা শেখ মুজিব বাহিনীর সদস্যরা। এই বাহিনীর প্রত্যেক সদস্য হত্যা,ডাকাতি, ধর্ষন, সহ অসংখ্য মামলার আসামী হয়। পার্শ্ববতী মাতারবাড়ী, ধলঘাটা, শাপলাপুর ইউনিয়নের চলাচলকারী  যানবাহনগুলোকে প্রায় প্রতিদিন এই বাহিনীর হাতে ডাকাতির  শিকার হতে হয়। এ ব্যাপারে মুঠো ফোনে জানতে চাওয়া হলে মহেশখালী থানার ওসি সাইকুল আহমেদ বলেন, ডাকাত শেখ মুজিব গ্রেফতার হওয়ার পর উক্ত সড়কে ডাকাতি আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে, তবে অক্ষত থাকা ডাকাতদের গ্রেফতার করতে পুলিশ অভিযান চালাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com