1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

কুতুবদিয়াকে হতাশায় ডুবিয়ে ফাইনালে সদর উপজেলা

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১৬৩ দেখা হয়েছে

এম.এ আজিজ রাসেল :

বেশ জমে উঠেছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে কক্সবাজার পৌরসভা আয়োজিত বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফানালে মুখোমুখি হয় শক্তিশালী সদর উপজেলা বনাম কুতুবদিয়া। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলায় দ্বীপ উপজেলাকে ১—০ গোলে পরাস্ত করে জেলার ফাইনালে যাওয়ার গৌরব অর্জন করেছে হট ফেভারিট সদর উপজেলা। যার ফলে অনেকটা ভাল খেলেও হতাশায় ডুবে কুতুবদিয়ার খেলোয়াড় ও সমর্থকেরা।


বুধবার (২০ জানুয়ারি) বিকালে কক্সবাজার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় সেমিফাইনাল দেখতে ফুটবল প্রেমীদের ঢল নামে স্টেডিয়ামে। এই ভীড় সামাল দিতে হিমশিম খেয়ে উঠে আয়োজক কমিটির সদস্যরা। খেলা শুরুর ৩০ মিনিট আগে দুই দলের সমর্থকে টুইটুম্বুর হয়ে উঠে গ্যালারি। ধারণা করা হচ্ছে প্রায় ৩০ হাজার ফুটবল প্রেমীর মিলনমেলা বসে এদিন।
খেলার শুরুতে দু’দলই বেশ গুছিয়ে খেলতে থাকে। আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে দর্শকদের মাঝে। সেই উত্তেজনা ছুঁয়ে যায় স্টেডিয়াম ছাড়িয়ে বঙ্গোপসাগরকেও। তবে তৃণমূল খেলোয়াড়দের নিয়ে মাঠে নেমে প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামাল দিতে বেশ বেগ পেতে হয় কুতুবদিয়াকে। শক্তিশালী সদর উপজেলা নাইজেরিয়ান ৩ খেলোয়াড় নিয়ে দখলে নিয়ে নেয় পুরো মাঠ। তাদের দাপুটে শৈল্পিকতায় অনেকটা নাস্তাবুদ হয় কুতুবদিয়ার রক্ষণ শিবির। প্রথমার্ধে সদর উপজেলা ৩টি গোলের সুযোগ পায়। আর কুতুবদিয়া পায় ২টি। দুই দলের গোলরক্ষক দলকে সময়মতো বিপদমুক্ত করে প্রশংসা কুঁড়ায় সবার।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও দ্বিগুণ জ¦লে উঠে সদর উপজেলা। এই অর্ধে সমন্বিত আক্রমণ থেকে গোল আসতে পারতো ৩টি। কিন্তু কুতুবদিয়ার অভিজ্ঞ গোলরক্ষক তাদের সব পরিকল্পনা ভেস্তে দেয়। কিন্তু ম্যাচের ১০ মিনিট আগে ঘটে অঘটন। এসময় সদরের মিডফিল্ডার নুরুল আলম কালুর কর্ণার শটে হেড দিয়ে গোল করেন নাইজেরিয়ান মিডফিল্ডার বেকহাম। তার গোলে দল এগিয়ে যায় ১—০ গোলে। এদিকে গোল হজম করে দলকে বিপদমুক্ত করতে একের পর এক কাউন্টার এ্যাটাকে যায় কুতুবদিয়া। কিন্তু সদর উপজেলার অভিজ্ঞ গোল রক্ষক রাহুলের তালুতে তাদের সব শট বিফলে যায়। ম্যাচ বাকির ৫ মিনিটে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে লাথি মারার কারণে সদর উপজেলার কালুকে লাল কার্ড দেন রেফারি। এরপর আর সুবিধা করতে পারেনি কুতুবদিয়া। যার ফলে রেফারির শেষ বাঁশিতে হারের কষ্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।
অলরাউন্ডার নৈপূণ্যে ম্যাচ সেরা হয় সদর উপজেলার অতিথি খেলোয়াড় নাইজেরিয়ান বেকহাম। তাকে ম্যান অব দ্যা ম্যাচের ট্রফি তুলে দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান কায়সারুল হক জুয়েল, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুল করিম মাদু, প্যানেল মেয়র—২ টুর্নামেন্ট কমিটির আহবায়ক হেলাল উদ্দিন কবির, কাউন্সিলর সালাউদ্দিন সেতু, মিজানুর রহমান, ওমর ছিদ্দিক লালু, সাহাবউদ্দিন সিকদার, শাহেনা আকতার পাখি, ইয়াছমিন আকতার, জাহেদা আকতার ও ক্রীড়া লেখক সমিতির সভাপতি মাহবুবুর রহমান ও টুর্নামেন্টের মিডিয়া ও প্রচার কমিটির সদস্য সাংবাদিক এম.এ আজিজ রাসেল।
সদর উপজেলা ঃ রাহুল, শেফায়েত, জাহেদ, হেলাল, সামডে, হুমায়ুন, মাদু, নুরুল আলম কালু, বেকহাম, আবু হানিফ, সুখা, জয়নাল, নুরুল আমিন, রুবেল, হিমেল, আরিফ, নেয়াজ, সোহেল, ম্যানেজার আমির হোসেন ও কোচ খালেদ হোসেন।
কুতুবদিয়া উপজেলা ঃ আয়ুব খান, নুরুল আলম, অভি দাশ, মামুন, মিল্টন, প্রম্ন হ্লা সিন মারমা, মিজবাহ, সাইমুন, নেয়ামত, আক্তার হোসেন বাতু, নেছার হাছান, ডাবলু, মোজাহিদ, মিজান, সাহেদ, বশর, সালাহ উদ্দিন, দিদার, রাহুল, ফিরোজ, ম্যানেজার বিমল কান্তি শীল ও কোচ তাছরিফুল হোছাইন পিউলি।
রেফারি ঃ ফিফার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বিটুরাজ বড়–য়া, সহকারি রেফারি ঃ হেলাল উদ্দিন, বিশ^জিৎ সাহা ও আলী হোসেন।
সুবিধাজনক সময়ে সদর উপজেলা বনাম সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের ফাইনাল খেলার তারিখ ঘোষণা করা হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com