1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

কোমেনের আতংক কেটে গেলেও, কেটে যায়নি সেন্টমার্টিন দ্বীপের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের আর্তনাদ

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০১৫
  • ৫৭ দেখা হয়েছে

আব্দুল মালেক, সেন্টমার্টিন :
কোমেনের আতংক কেটে যাওয়া সত্তেও কেটে যায়নি সেন্টমার্টিন দ্বীপের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের আর্তনাদ।  গত ২৯ জুলাই মধ্য রাত হতে পরের দিন বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত প্রকৃতির সৃষ্ট তীব্র বাতাস ও ভারি বৃষ্টির “কোমেন” পরিবর্তন করে দিল সেন্টমার্টিনের চেহেরা। ইতিহাসে সেন্টমার্টিন দ্বীপে এধরণের ক্ষতির সম্মুখীন হয়নি। কোমেনের আঘাতের ভয়ে আশ্রয় নিয়েছিল বিভিন্ন হোটেল,রিসোর্ট,বড়-ছোট বিল্ডিং-এ।দুদিন পর দূর্বল হয়ে যাওয়া কোমেন ও বিপদ সংকেতের নির্মম আঘাতের স্বীকার হওয়া আশ্রয়কারী আশ্রয় কেন্দ্র ত্যাগ করে,নিজ নিজ বাড়ি ফেরত গেলে,দেখে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। ১৩শত বসত বাড়ির মধ্যে সম্পূর্ণ ভেঙ্গে যায় ২শতাদিক বাড়ি,আংশিক ক্ষতি হয় ৩শ এর উপরে বাড়িঘর।আহত হয় ৫০ জনের অধিক। হারিয়ে যায় ২টি ফিশিং বোট,১ টি সার্ভিস বোটসত ২০ টির অধিক বড়-ছোট নৌকা ডুবে যায়। পানিতে তলিয়ে যায় ৩শ একরের মত ফসলি জমি,পানি বন্দি হয়ে পড়ে কোনার পাড়া,পশ্চিম পাড়া,মাদলবনিয়া পাড়া,হলবনিয়া পাড়া,মাঝর পাড়াসহ বেশ কিছু এলাকা।ভেঙ্গে পড়ে প্রায় ৫শ নারিকের গাছসহ হাজারো ভিন্ন গাছগাছালি।
এতে গাছচায় মৃত্যু হয় মৃত অলি আহমদের পুত্র দিন মজুরী ইসলাম(৫০)। পৃথিবীতে রেখে যায় তার স্ত্রী, ৪মেয়ে ও ৩ছেলে বড় ছেলে জাহিদ হোসেন সেন্টমার্টিন বি.এন স্কুলের ৮ শেণীর ছাত্র।
অন্যদিকে, ঘর ছাড়া হয়ে উম্মুক্ত  খোলা আকাশের নিচে থাকতে হচ্ছে অসহায় দ্বীপের মানুষগুলো।
সাগরের পানিতে প্লাবিত হয়েছে দ্বীপের চার পাশের নিম্ন এলাকায়, এতে মিষ্টি পানির নলকূপগুলো লবণ পানিতে পরিণত হওয়ায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির অভাব।
সেন্টমার্টিন প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানের সাথে দেখা করলে তিনি বলেন,সাগর প্রচন্ড উত্তাল হওয়ার কারণে তিন দিন ধরে টেকনাফের সাথে যোগাযোগ বিচিন্ন।এতে কোন ধরণের পণ্য আনতে না পারায় খাবারে সংকট দেখা দিয়েছে। সমুদ্রের পানি প্লাবিত হয়ে বেশ কিছু এলাকার পানি লবণাক্ত হয়ে যায়।
ঘরছাড়াঅসহায় আবছার বলেন,”আরার বেগ্গুন হারায় ফেল্লি,হাইবেল্লা ভাত নপাইর,দোয়ানত বেগ্গুন বেশি দামে বেচের” অর্থাৎ সেন্টমার্টিনে আমরা সব কিছু হারিয়ে ফেলেছি,খাবারের ভাত পাচ্ছিনা,দোকানের সব কিছু ডাবল দামে বিক্রি করছে।
সেন্টমার্টিন পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ বলেন,আমরা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের বিভিন্ন হোটেলে,রিসোর্টে অবস্থানের ব্যবস্থা করেছি।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com