1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

খানাখন্দকে ভরা পেকুয়া-টৈইটং সড়ক

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৫
  • ৪৫ দেখা হয়েছে

এইচ এম রিয়াজ, পেকুয়া :
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় খানাখন্দকে ভরা পেকুয়া-টৈইটং সড়কের বেহাল দশায় জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। চলাচলের অনুপযোগী শোচনীয় এই পাকা সড়কের সংস্কার হচ্ছেনা দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে। মাঝে মধ্যে ইট, বালি, ও কংকর দ্বারা গর্তগুলোর সংস্কার করা হলেও তা বেশিদিন স্থায়ী হয়না।
পেকুয়া উপজেলা সদর থেকে দক্ষিণ দিকে বাঁশখালী সীমান্ত ব্রীজ পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার পাকা সড়কটি গত বিএনপি সরকারের আমলে সড়ক ও জনপদ বিভাগের অর্থায়নে পাকা করা হয়। এর পর থেকে আর কোন বড়ধরণের সংস্কার হয়নি এই সড়কের।
স্থানীয়রা জানান, পাকা এই সড়কটি অতিব জনগুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি বাঁশখালী সড়কের সংস্ককার হওয়ায় বাঁশখালী-আনোয়ারা দিয়ে সল্প ভাড়ায়, কম সময় ও নিরাপদে চট্রগ্রাম শহরে যাতায়াত করতে পারায় পেকুয়া, কুতুবদিয়া, চকরিয়া ও মহেশখালী উপজেলার হাজারো মানুষ প্রতিদিন এই সড়ক দিয়েই এখন যাতায়াত করছে, ফলে গুরুত্ব বেড়ে গেছে এই সড়কের। তারা আরো বলেন, আগে বাঁশখালী সড়ক নিয়ে আমরা অসস্থিবোধ করতাম কিন্তু বর্তমানে তার চিত্র পুরোটায় উল্টো।
এছাড়া এই সড়কের পাশেই রয়েছে হাজীবাজারস্থ দু’টি ইটের বাটা। সেখানকার তৈরিকৃত ইট এই সড়ক পথেই বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করা হয়। এছাড়াও স্থানীয় নানা পেশাজীবী মানুষের যাতায়াতও এই পথেই।
প্রতিদিন ভারি ও অতিরিক্ত পণ্য বোঝাই পরিবহন যাতায়াত করায় এই সড়ক খানাখন্দকে পরিণত হয়েছে। পিচ (বিটুমিন) উঠে গিয়ে ১৪ কিলোমিটার সড়ক জুড়ে অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের অনেক স্থানের কার্পেটিং উঠে ফাটল কিংবা দেবে গেছে। একটু বৃষ্টি হলেই সড়কের গর্তে পানি জমে থাকে। যানবহন চলাকালে গর্তের ময়লাযুক্ত পানি ছিটে পথচারীদের শরীরে লাগে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে। যে কারণে প্রতিদিনই ছোট-খাট দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। মুমূর্ষু কোন রোগীকে উপজেলা কিংবা জেলা শহরে চিকিৎসার জন্য নিতে হলে যানবহনের ঝাকুনিতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
এ ব্যাপারে স্থানীয় সিএনজি চালক মোঃ নবীর হোছাইন ও অন্যান্যদের সাথে কথা হলে তারা জানান, আমাদের কক্সবাজারে কোন গ্যাস পাম্প না থাকায় আমাদেরকে গ্যাস নিতে এই সড়ক দিয়েই মইজ্যার টেকসহ বিভিন্ন গ্যাস পাম্পে যেতে হয়। ৬ কিলোমিটার সড়ক পাড়ি দিতে দ্বিগুণ সময় লাগে। এরপর একটু অসাবধান হলেই ‍যানবহনের চাকা গর্তে পড়ে ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এটা উপজেলার প্রধান সড়ক। এর কোন বিকল্প সড়ক নেই। এ কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়েই এই সড়কে যাতায়াত করতে হয়।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com