1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

ছাত্রলীগের দশ ডেঞ্জার ইউনিট

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০১৫
  • ৫৩ দেখা হয়েছে

২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের প্রথম মেয়াদে বিশাল জয়ের পর মেয়াদকালীন কার্যক্রম দ্বারা সবচেয়ে আলোচিত ও সমালোচিত হয় সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। অভ্যন্তরীণ কোন্দল, খুন, হত্যা, ধর্ষণ, টেন্ডারবাজি, শিক্ষক লাঞ্ছনাসহ এমন কোনো কাজ নেই যা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের দ্বারা সংঘটন হয়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও এসব কারণে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্টের মূল নিয়ামক হিসেবে দায়ী করে আসছেন ছাত্রলীগকে। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ছাত্রলীগের ১০১টি সাংগঠনিক ইউনিটের মধ্যে ১০টি বিপজ্জনক বা ডেঞ্জার ইউনিট। এসব এলাকায়ই সবচেয়ে বেশি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। বিশ্লেষকরা অবশ্য এসবও বলছেন বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে ছাত্রলীগের ইতিহাস অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ছাত্রলীগ যদি সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমে অতীতের মতো ঘুরে দাঁড়াতে পারে তবে ছাত্রলীগের মাধ্যমেই সরকারের ভাবমূর্তি অনেকাংশে পুনরুদ্ধার সম্ভব।

দেশব্যাপী ছাত্রলীগের ১০১টি সাংগঠনিক ইউনিট রয়েছে। এর মধ্য ১০টি ইউনিটেই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ঘটনা ঘটেছে। এসব জায়গায় নিজেদের কর্মীদের হত্যার পাশাপাশি সাধারণ মানুষও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে এসব ইউনিটের কথাই উঠে এসেছে। তবে প্রশাসন ছিল অসহায়। কারণ এসব ইউনিটগুলোর মূল চালিকাশক্তি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি নয়। স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ফলে অনেকটা ঠুঁটো জগন্নাথের ভূমিকা পালন করতে হয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটিকে।

0সর্বশেষ ২৫ ও ২৬ জুলাই কেন্দ্রীয় সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচিত ছাত্রলীগের নতুন দুই শীর্ষ নেতাও সংগঠনটির বদনামের জন্য এসব ইউনিটকেই দুষছেন। ইতোমধ্যে তারা বিবদমান ইউনিটগুলোর তালিকা তৈরি করেছেন। একই সঙ্গে কোন্দল নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছেন বলে জানা যায় বিভিন্ন সূত্রে। ছাত্রলীগের বিভিন্ন সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া এসব বিবদমান ইউনিট হলো :

ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় : বর্তমান সরকারের দুই মেয়াদের শাসনামলে অন্তত অর্ধশতাধিকবার সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে নিজেদের কর্মী নিহত হওয়ার পাশাপাশি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন অবুঝ শিশুও। কাস-পরীক্ষা বন্ধ হয়েছে মাসের পর মাস। এরপরও থেমে নেই তাদের কোন্দল। বিশ্ববিদ্যালয় ছাপিয়ে সেই কোন্দল এখন জেলা ছাত্রলীগের সঙ্গেও। সম্প্রতি ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ ও জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি জসীম উদ্দিন গ্রুপের মধ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছে কমপে ১০ জন। তাদের মধ্যে বাকৃবি শাখা ছাত্রলীগ সেক্রেটারি সাইফুল ইসলামসহ ৪ জনের অবস্থা গুরুতর। পুড়িয়ে দেওয়া হয় বাকৃবি শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি মোর্শেদুজ্জামান বাবুর মোটরবাইক ও জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম উদ্দিনের বাসাবাড়ি। গ্রেপ্তার করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ পর্যায়ের প্রায় সব নেতাকে। এরপরও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ বারবার চেষ্টা করেও তাদের নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। গত সপ্তাহে জেলা ছাত্রলীগ নেতাদের অনুসারী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর পদত্যাগের ঘোষণায় নতুন করে সংকটের শুরু হয়। এ সংকট নিরসনে কেন্দ্র থেকে চার সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় বলে জানা গেছে।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) : অভ্যন্তরীণ কোন্দল আর শাবিপ্রবি ছাত্রলীগ যেন মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। তুচ্ছ কারণেই সংঘর্ষে লিপ্ত হন তারা। ফলে বারবার রক্তে রঞ্জিত হয়েছে শাবিপ্রবির সবুজ ক্যাম্পাস। এসব হামলায় বহিরাগতসহ দুই কর্মী নিহত হওয়ার পাশাপাশি সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইমরান খান পঙ্গত্ববরণও করেছেন। কুপিয়ে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে সাবেক আহ্বায়ক শামসুজ্জামান চৌধুরী সুমনকেও। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের প্রায় ডজনখানিক নেতা অভ্যন্তরীণ কোন্দলের শিকার হয়ে পঙ্গুত্ববরণ করেছেন। এরপরও থেমে নেই তাদের কার্যক্রম। প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো কারণে সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছেন তারা। ফলে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম। কয়েকবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসও বন্ধ ঘোষণা করতে হয়েছে কর্তৃপক্ষকে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) : কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। শিক্ষকদের পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠানোর ঘটনায় বেশ আলোচিত এ ইউনিট। কেবল তাই নয়, নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির দাবিতে আন্দোলন, ভাংচুরের ঘটনাও ঘটিয়েছে বেশ কয়েকবার। অস্ত্র প্রশিক্ষণের ঘটনাও সংবাদের শিরোনামে এসেছে। এসব কারণে বিশ্ববিদ্যালয়কে কয়েকবার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণাও করতে হয়েছে। এরপরও থেমে নেই তাদের কার্যক্রম। কয়েকদিন পর পরই তুচ্ছ বিষয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন তারা। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ওপর হামলা করতেও বুক কাঁপেনি তাদের। তবে এত সব করেও বহাল তবিয়তেই আছেন। সরকারি দলের তকমা থাকায় কোনো অপরাধেই তাদের বিচার হয়নি এ পর্যন্ত।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) : নারী লাঞ্ছনা, সাংবাদিক নির্যাতন, চাঁদাবাজি, ফাও খাওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধের কারণে অভিযুক্ত ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। অভ্যন্তরীণ কোন্দলও রয়েছে চরমে। আর এসব কারণে তুচ্ছ বিষয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। তবে কিছুদিন পর পরিস্থিতি সেই আগের মতোই। কেন্দ্র থেকে বহিষ্কারের পর তা প্রত্যাহারও করা হয় কিছুদিন পর। ফলে নেতাকর্মী দ্বিগুণ উৎসাহে আবার কোন্দলে লিপ্ত হন। গত সাড়ে ছয় বছরে তারা শতাধিকবার অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জড়িয়েছেন। এতে কয়েকশ নেতাকর্মী আহত হওয়ার পাশাপাশি নিহত হয়েছেন এক কর্মী। কেন্দ্রের বিপজ্জনক ইউনিটের তালিকায় তাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ রয়েছে উপরের তালিকায়।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) : তুচ্ছ কারণে সংঘর্ষ, সাংবাদিক নির্যাতন, পুরান ঢাকায় চাঁদাবাজি আর ইভটিজিংয়ের ঘটনায় সবচেয়ে আলোচিত পুরান ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। গত সাড়ে ছয় বছরে তারা অন্তত দেড় শতাধিকবার অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জড়িয়েছেন। এতে আহত হয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীসহ কয়েকশ নেতাকর্মী। হরতালের সময় নির্মমভাবে কুপিয়ে মারা হয়েছে পুরান ঢাকার দর্জি ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎকে। পিস্তল ঠেকিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়েরই এক শিক্ষককে। এতসব ঘটনার মধ্য কেবল বিশ্বজিৎ হত্যাকা-েরই বিচার প্রক্রিয়া শেষের পথে। কোনো ঘটনারই বিচার হয় না। এমনকি শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় অভিযুক্তরাও আছেন বহাল তবিয়তে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) : কথিত আছে রাবি ছাত্রলীগের নেতা হতে হলে রাজশাহী অঞ্চলেরই হতে হয়। গত দশ বছরের ধারাবাহিকতায় প্রমাণ পাওয়া যায় এ কথার। অর্থাৎ বাইরের শিক্ষার্থীরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের রাজনীতিতে তেমন একটা সক্রিয় থাকেন না। এর নিয়ন্ত্রকও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। রাবি ছাত্রলীগে অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিত্যনৈমিত্তিক। তুচ্ছ ঘটনায়ই তারা একে অপরের ওপর হামলে পরেন। এ পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বেশ কয়েকজনের প্রাণহানির পাশাপাশি পঙ্গত্বও বরণ করতে হয়েছে অনেক নেতাকর্মীকে। এ ছাড়া চাঁদাবাজির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক শীর্ষ নেতাকে সংগঠন থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। হামলা করা হয়েছিল বেতন ফি কমানোর দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপরও। সংগঠনটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ছাত্রী ও শিক্ষক লাঞ্ছনার অভিযোগ ওঠে প্রায়ই। অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে মাঝে মধ্যেই হল বন্ধ রাখার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণার রেকর্ডও রয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) : শাটল ট্রেন আর ছাত্রলীগের সংঘর্ষ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিত শব্দ। প্রায় প্রতিদিনই সংঘর্ষে লিপ্ত হন সংগঠনটির চবি শাখার নেতাকর্মীরা। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে এসব সংঘর্ষ হলকেন্দ্রিক হলেও চবিতে তা শাটল ট্রেনের বগি কেন্দ্রিক। গত সাড়ে ছয় বছরে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্য অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বেশ কয়েকজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি আহত হয়েছেন বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী। এতে কাস পরীক্ষাও ব্যাহত হয়েছে দীর্ঘদিন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতির নিয়ন্ত্রক চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের দুই ডাকসাইটে নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও আ জ ম নাছির।

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) : দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন শান্তই ছিল। তবে স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতির গ্রুপিং ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের হস্তক্ষেপের কারণে এখন সংঘর্ষ স্বাভাবিক ঘটনা। অভ্যন্তরীণ কোন্দলে প্রায়ই সংঘর্ষে লিপ্ত হয় বিবদমান গ্রুপগুলো। সম্প্রতি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে দুছাত্র নিহত হয়। আহত হয় শতাধিক। সে রেশ এখনো কাটেনি। ক্যাম্পাস বেশ কয়েকবার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেও নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি।

কুমিল্লা : কুমিল্লা মহানগর, জেলা ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রক মূলত দুভাগে বিভক্ত। প্রতিটি ইউনিটেই রয়েছে দুই নেতার আশীর্বাদপুষ্ট গ্রুপ। এখানে অসহায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগও। মহানগরের এমপি আকম বাহারউদ্দিন বাহার ও রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের নিয়ন্ত্রণেই সব কমিটি। সম্মেলন চলাকালেই কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের সামনে অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্য মহড়া আর গোলাগুলি করলেও নির্বাক ছিল নেতারা। এখানেই গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় এক নেতাকে। এ ঘটনায়ও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উল্টো ঘটনায় অভিযুক্তদের দিয়েই সম্প্রতি কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। অস্ত্রের মহড়া, টেন্ডাবাজি, চাঁদাবাজি আর ছাত্রলীগ সব একাকার কুমিল্লার রাজনীতিতে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ : সম্প্রতি সম্মেলনের মাধ্যমে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কমিটি ঘোষণা করা হয়। তবে অপরিপক্ব নেতৃত্বের কারণে হতাশা বিরাজ করছে নেতাকর্মীদের মধ্যে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উভয়েরই বড় যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে নেতাদের আশীর্বাদ। আর নেতৃত্ব হাতে পাওয়ার পর কোনো সাংগঠনিক কাজে দক্ষতা অর্জনের চেষ্টা না করে কেবল মোটরসাইকেল মহড়ায়ই ব্যস্ত সময় পার করছে। ইতোমধ্যে সংঘর্ষেও লিপ্ত হয়েছে। সভাপতি বায়েজিদ আহমেদের অনুসারীরা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অফিসে শফিকুল রেজা নামের এক নেতার ওপর হামলা চালায়। এ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে মহানগরের রাজনীতিতে। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন নগর ভবন কেন্দ্রিকই সময় পার করেন। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে ওয়ার্ড ছাত্রলীগ থেকে মহানগরের দায়িত্ব পাওয়া এ নেতার ওপর রুষ্ট দক্ষিণের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। এসব ইউনিটের বাইরেও ঢাকা কলেজ, তিতুমীর কলেজ, মিরপুরের বাঙলা কলেজ, মানিকগঞ্জ জেলা, যশোর জেলা নিয়েও উদ্বিগ্ন ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতৃত্ব।

ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, ছাত্রলীগের বিভিন্ন জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সর্বোচ্চ ক্ষমতা দেওয়া হবে। কোনো ছাড় নয়। কোনোভাবেই ইউনিটগুলোকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি। ছাত্রলীগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করে, কোনোভাবেই অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন বলেন, পরিচ্ছন্ন ও ত্যাগীদের সমন্বয়ে আগামীদিনে ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের কমিটি গঠন করা হবে। কোনো অন্যায় সহ্য করা হবে না। যারা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে তাদের আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে।

উৎসঃ   আমাদের সময়

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com