1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

জেলাব্যাপী কার্গো ট্রলার মেরামতের হিড়িক

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৫
  • ৩৪ দেখা হয়েছে

আতিকুর রহমান মানিক, কক্সবাজার :
আসন্ন লবণ মৌসুমকে সামনে রেখে মাঠে উৎপাদিত অপরিশোধিত লবণ বিভিন্ন মোকামে পরিবহন করার জন্য জেলা ব্যাপী লবণবাহী কার্গোবোট মেরামতের ধুম পড়েছে। লবণবাহী কার্গো টলারের ইঞ্জিন মেরামত,গিয়ার,শ্যফট,প্রপেলার সহ ইত্যাদি যন্ত্রাংশ ও বোটের কাঠের বডি মেরামত কাজে কার্গোবোট শ্রমিক,মিস্ত্রী,মেকানিক,লাইন মিস্ত্রী ও বোট মালিকেরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। ৫শ’মন থেকে শুরু করে ৮-৯ হাজার মন পর্যন্ত ধারন মতার বিভিন্ন সাইজের কার্গোবোট যথাযথ মেরামত করে আগামী লবণ মৌসুমের জন্য প্রস্তুত করে রাখা হচ্ছে। সাধারণত ৬-৭ শত মণ ধারণ মতা পর্যন্ত বোট মেরামত করতে ডকে নেয়ার প্রয়োজন হয়না। ছোট সাইজের এসব ট্রলার সাধারণত নদীর চরে তুলে দিয়ে জ্যাকের মাধ্যমে কাৎ করে মেরামত করা হয়। আমবশ্যা ও পূর্ণিমার জোয়ারের সময় নদী ও সাগরের পানি বাড়লে উঁচু কোন চরে বোট তুলে দেয়া হয়। আমবশ্যা পূর্ণিমার জো শেষে পানি কমে গেলে ঐ সব চর শুকিয়ে যায়। এ অবস্থা ৪/৫দিন বিরাজমান থাকে। এ সময়ে বোটের প্রয়োজনীয় মেরামতের কাজ সেরে নেয়া হয়। আর ১হাজার মনের বেশি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন বোট মেরামত করতে বাণিজ্যিক ভাবে স্থাপিত বিভিন্ন ডকে তুলতে হয়। কারণ বৃহদাকার ও ভারী এসব বোট জ্যাক দিয়ে আলগা করা সম্ভব হয়না। তাই ডকে তুলতে হয়। আর ট্রলারের আকারের উপর ভিত্তি করে ডক কর্তৃপকে দৈনিক ভাড়া পরিশোধ করতে হয়। কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর তীরবর্তী কয়েকটি বাণিজ্যিক ডকে এখন চলছে রাত দিনের ব্যস্ততা। দেশের বৃহত্তম ও কক্সবাজার সদরের লবণ শিল্প এলাকা ইসলামপুর শিল্প এলাকায় নদী তীরবর্তী বিভিন্ন উঁচু চরেও ছোট আকারের কার্গো ট্রলার মেরামতের কাজ চলতেছে। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর এ সংক্রান্ত মালামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে বোট মালিকদেরকে। গত বছর এই সময়ে গানি সূতা প্রতিকেজি ৯০ থেকে ১৩০, পুটিং প্রতিকেজি ১৩০ থেকে ১৪০, মাটিয়া তৈল প্রতিটিন ৩৫০ ও আলকাতরা প্রতিটিন ৮০০টাকায় বিক্রি হলেও এ বছর গানি সূতা প্রতিকেজি ১১০থেকে ১৬০, পুটিং ১৪০ থেকে ১৬০, মাটিয়া তৈল ৩৯০ থেকে ৪০০ ও আলকাতরা প্রতিটিন সাড়ে ৮শ থেকে সাড়ে ৯শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মেরামতের কাজে নিয়োজিত বিশেষজ্ঞ মিস্ত্রীদেরকে দৈনিক ৪০০ থেকে ৫০০টাকা হারে মজুরী দিতে হচ্ছে। ইসলামপুর শিল্প এলাকার অর্ধশতাধিক লবণ কারখানায় প্রয়োজনীয় কাঁচা লবণ সরবরাহ করার জন্য জেলা ব্যাপী দুরদুরান্তের উৎপাদন এলাকা থেকে এসব কার্গো ট্রলারে করে লবণ পরিবহন করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ট্রলার মালিক জানান, ইসলামপুরে প্রভাবশালী মহল কর্তৃক প্রতিপালিত কতিপয় চাঁদাবাজের কারণে দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ট্রলার মালিক ও শ্রমিকদের। এসব পেশাদার চাঁদাবাজদের অপকর্মের বিস্তারিত খতিয়ান ইতোপূর্বে বিভিন্ন সংবাদ পত্রে প্রকাশিত হলেও কার্যকর কোন প্রশাসনিক পদপে না নেয়ায় এরা সব সময় ধরাছোয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। আসন্ন লবণ মৌসুমেও ইসলামপুর শিল্প এলাকায় লবণবাহী কার্গোবোট থেকে চাঁদা আদায় করার জন্য ইতিমধ্যেই একাধিকবার গোপন বৈঠক হয়েছে বলে জানা গেছে।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com