1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
শিরোনাম :
হ্নীলায় টেকনাফ সাংবাদিক সমিতি (টেসাস) এর কার্যালয় উদ্বোধন আমি মরে গেলে আমার সব সৃষ্টি ধ্বংস করো- কবীর সুমন রাত ৮টায় এল ক্লাসিকো যুদ্ধে বার্সা-রিয়াল করোনায় আরও ১৯ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১০৯৪ সাংবাদিকনেতা গাজীর মুক্তির দাবিতে কক্সবাজারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কক্সবাজার প্রধান সড়ক বিএস মতে সড়ক বিভাগের অধিগ্রহণকৃত জমিতেই নির্মিত হবে ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতির শোক দুঃসময়ে আইনি লড়াইয়ে এগিয়ে আসেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক: প্রধানমন্ত্রী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রফিক-উল হক আর নেই টেকনাফ পৌর-ছাত্রলীগের বিশেষ জরুরী সভা অনুষ্ঠিত

টেকনাফে কর্ম ব্যস্ততায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে দর্জিরা

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০১৫
  • ৩৪ দেখা হয়েছে

মুহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান :
আসন্ন ঈদ-উল ফিতরকে সামনে রেখে টেকনাফ উপজেলা জুড়ে ঘুম নেই দর্জিদের। তাদের কর্ম ব্যস্ততায় নির্ঘম রাত কাটাচ্ছে। ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্জি দোকানের কারিগড়রা। আধুনিকতার সাথে তাল মিলিয়ে বিভিন্ন ডিজাইনের পোষাক তৈরীতে মেতে উঠেছেন দর্জিরা
সরেজমিনে দেখা যায়, উপরের বাজারের ভাই ভাই সুপার মার্কেটের বস্ টেইলার্স, এজাহার মিয়া মার্কেটের সেঞ্চরী টেইলার্স, অনন্যা টেইলার্স, বড়হাজী মার্কেটের সানমুন টেইলার্স, জামেয়া মার্কেটের আরবী টেইলার্স ও হাইস্কুল মার্কেটের কারিগড়রা নর-নারীদের পোষাক তৈরীতে চরম ব্যস্ত সময় পার করছে। আর কয়েক দিন পর মুসলমানদের অন্যতম ধমীয় উৎসব ঈদ-উল ফিতর। তাই ঈদকে সামনে রেখে গ্রাহককের চাহিদা মেটাতে পছন্দের কাপড় তৈরীতে মহা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন টেকনাফ উপজেলার প্রায় ৫’শ দর্জি। প্রতিদিনই সকাল থেকে দিবারাত্রি পরিশ্রমিক দর্জিদের সেলাই মেশিনের ঝরঝর শব্দের মুখরিত হয়ে উঠে পুরো উপজেলা শহর। মহা খুশির ঈদে যেমন বাড়ছে কেনাকাটা, তেমনি তার সাথে পাল্টা দিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে দর্জিদের কর্ম ব্যস্ততা। ক্রেতাদের চাহিদা মত পোষাক তৈরীতে তাদের দম ফেলানোর সুযোগ নেই বলে জানান অনেক কারিগড়। ঈদকে ঘিরে দর্জিদের রাতে সুখের ঘুম হারাম বললে চলে। এমনকি ক্রেতা সাধারণ মানানসই পোষাক তৈরীতে রীতিমত হুমড়ি খেয়ে বসেছে। এছাড়াও পুরুষ দর্জিদের কর্মব্যস্ততার পাশাপাশি মহিলা দর্জিরা ও দর্জি কাজে থেমে নেই। এই সুযোগে তারাও কিছু আয়ের পথ সৃষ্টি করে নিজে নিজেকে সাবলম্বি হওয়ার চেষ্টা করছে। জামেয়া মার্কেটের আরবী টেইলার্স এর স্বত্তাধিকারী মুহাম্মদ জুবাইর জানান, রোজার আগে কাজের অর্ডার বেশি থাকায় ডেলিভারি দিতে হিমশিম খাচ্ছি। তিনি আরও জানান, কাজের অর্ডার এখন পর্যন্ত ভাল। তবে ঈদের ৫/৭ দিন আগে অর্ডার আরও বাড়তে পারে। নতুন পল্লানপাড়ার গ্রামের খাইরুল হাসান নামের একজন গ্রাহক জানান, ছোটবেলা থেকেই তিনি তৈরি করা শার্ট-প্যান্ট পরেন। প্রতি বছর তিন থেকে চার সেট পোশাক বানাতে হয় তার। ব্যতিক্রম হয়নি এবারের ঈদেও। একটি টেইলার্স দোকানে একটি শার্ট ও একটি প্যান্ট ৬০০ টাকা মজুরিতে সেলাই করিয়েছেন তিনি। এদিকে এজাহার মিয়া কোম্পানীর সেঞ্চুরী টেইলার্সের মালিক জানান, অন্য দর্জিদের তুলনায় তার সার্ভিস ভালো। গ্রাহকও বেশি। তাই কোন কোন ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাপড় সেলাই শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। দর্জি কারীগর আব্দুল গোফফার ও জসীম উদ্দীন বলেন, ‘যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তারা আধুনিক ফ্যাশনের পোশাক তৈরি করছেন। এ কারণে তাদের দোকানে প্রচুর ভিড় হচ্ছে। রমজানের আগেই কাজের চাপ শুরু হয়েছে। তবে আগের বছরের তুলনায় এবার অনেকটাই কম। টেকনাফ এলাকার শাহানাজ নামের এক মহিলা গ্রাহক জানায়, যুগের সাথে তালমিলিয়ে সবাই চায় নতুন পোশাক পড়তে। রেডিমেড পোশাকের দোকানে একই নকশার অনেক পোশাক থাকে। ফলে সেখান থেকে কেনা পোশাকটির স্বাতন্ত্র অনেক ক্ষেত্রেই থাকে না। এজন্য প্রতিবারই ঈদে নিজের পছন্দমতো কাপড় কিনে দর্জির কাছে বানাতে দেই। তবে দর্জি দোকান মালিকদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় এ বছর অর্ডার কম হচ্ছে। তারা আরো জানান, দেশের বিরাজমান রাজনৈতিক অবস্থা এখন ভাল। ফলে ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙ্গা হয়ে উঠেছে।
পোশাকের মজুরি প্রসঙ্গে টেইলার্স মালিক জুবাইর জানান, অন্যান্য সময়ে একটি প্যান্টের মজুরি নেওয়া হয় ২৫০ টাকা কিন্তু ঈদের সময় কারিগড়দের পারিশ্রমিক বেড়ে যাওয়ায় এর মজুরী দাঁড়ায় ৩৫০ টাকা। অন্যদিকে শার্টের মজুরি ২০০ টাকার পরিবর্তে ২৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। টেইলার্স মালিক, হারুন, রানা, সাঈদ ও জাহিদুল ইসলাম জানান, তারা ভালো ব্যবসার জন্য ঈদ মৌসুমের অপেক্ষায় থাকেন। এ সময়ে তাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায় এবং তা অব্যাহত থাকে চাঁদ রাত পর্যন্ত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com