1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
শিরোনাম :
চুনতীর ঐতিহাসিক ১৯ দিন ব্যাপী সীরাতুন্নবী (সা:) মাহফিল শুরু টেকনাফ প্রেসক্লাব ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে, পতন আসন্ন- কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা লুৎফুর রহমান কাজল নিশোর প্রথম চলচ্চিত্রের ট্রেইলার প্রকাশ (ভিডিও) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি নিয়ে সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার রোনালদোবিহীন বার্সার মুখোমুখি হবে জুভেন্টাস রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারকে তাগিদ যুক্তরাষ্ট্রের পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি পাচ্ছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শক্তিশালী সশস্ত্রবাহিনী গড়তে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী করোনায় একদিনে আরও ২৩ প্রাণহানি, নতুন শনাক্ত ১৪৯৩

টেকনাফে নিভৃতে চলছে আবারও মানব পাচার : তালিকাভুক্ত দালাল গফুর আলম ধরাছোয়ার বাইরে

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
  • ১৯ দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশে মানব পাচার এটা নতুন কিছু নয় আর এ পাচার থেকে রেহায় পায়না নারী, শিশু এমনকি বৃদ্ধরাও। ভিন্ন সময়ে ভিন্ন পন্থায় পাচারের স্বীকার হয় এ জনপদের অসহায় বনি আদম। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বিশ্বে এ দেশের মানব পাচার বিষয়ে উদ্ধোগ প্রকাশ করেছেন এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর প্রতিবেদনে আশংকা প্রকাশ করে বলেন-অভিবাসনের আশায় এখনো সাগরে নৌকা ভাসাতে যাচ্ছে বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী বাংলাদেশ ও মায়ানমারের অধিবাসী মানবপাচারকারীরা। প্রশাসনের গতিবেগ লক্ষ্য করে সক্রিয় হয় পাচারকারীরা, থেমে নেই মানব পাচার। এ অবস্থায় সচেতনতামূলক তথ্য দিয়ে পাচারকারীদের দৌরাত্বা সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের অবগত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন এ সংস্থাটি। ইউএনএইচসিআর-এর প্রতিবেদনটিতে অভিবাসন প্রত্যাশী ও শরণার্থীদের নির্মম কিছু তথ্যও তুলে ধরা হয়।
এতে বলা হয়, পাচারকারীদের জাহাজে নৃশংস হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন কমপক্ষে ৭০ জন। থাইল্যান্ড এবং মালেশিয়া সীমান্তে পাচারকারীদের ক্যাম্পের আশেপাশে ও উপকূলের বনজঙ্গলে শত শত গণকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে যা বিশ্ববাসীর লোমকূট শিহরে উঠেছে। ইন্দোনেশিয়ায় পৌঁছানো অভিবাসীদের মধ্যে ৫৫ শতাংশই শিশু বলে সংস্থাটি দাবী করেন।
বছরের পর বছর নিভৃতে চলছে মানব পাচার। বড় কোন অঘটন না ঘটলে এ বিষয়ে প্রশাসনকে সজাগ থাকতে দেখা যায়না বলে অভিযোগ অনেকের। তবে বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে সমুদ্রপথে বিদেশে যাওয়ার সময় আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ছোট-বড় অনেক দল আটক হয়েছে এমনকি ক্রস ফায়ারেও মারা যায় কয়েকজন। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়-থাইল্যান্ড, মালেশিয়া, মিয়ানমার ও বাংলাদেশের ২৪১ দালালের নিয়ন্ত্রণে চলছে কক্সবাজার সমুদ্র উপকূল দিয়ে মানবপাচার। এতে টেকনাফ হল পাচারকারী বা দালালদের হাট, যেখানে আদম বেচা-কেনা করে আর পাচার করে দেয় অজানা গন্তব্যে যার রহস্য পাচারের শিকার ভূক্তভোগী ছাড়া কেউ বুঝেনা। দালালদের লোভনীয় কথা-বার্তায় সরল মানুষ গুলো জীবনের মায়া ছেঁড়ে জীবিকার উদ্দ্যেশ্যে জীবন দিতে প্রস্তূত হয়ে যায়। এমনই দালালদের একজন টেকনাফ সদর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ড়ের নতুন পল্লান পাড়া এলাকার জালাল আহমদের পুত্র গফুর আলম (০১৮১৭৩১৬১৫৯)। যার মাধ্যমে অসংখ্য মানুষ অজানার উদ্দ্যেশ্যে পাড়ি জমাতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে সবকিছু আর সে হয়েছে রাতারাতি আঙ্গুল ফূলে কলা গাছ যে ছিল একসময়ের রিক্সাওয়ালা।
খোজ নিয়ে জানা যায়, একই গ্রামে টেকনাফ সদর বিজিবি’র একজন হাবিলদারের সাথে দীর্ঘ দিনের সখ্যতা গড়ে উঠে তার। সেই সুবাদে সে প্রশাসনের সাথে হাত করে আন্ডারগ্রাউন্ডে চালিয়ে যাচ্ছে মানবপাচার, ইয়াবা ব্যবসা ও কাঠ পাচারের মত জঘন্য মানবতা বিধ্বংসী কাজ। আইনশৃংখলা বাহিনীর তৎপরতা লক্ষ্য করে তার কারবারের ধরণ পাল্টায়, তবে সে কাঠ ব্যবসায়ী হিসেবে মানুষের কাছে নিজেকে জাহির করে। ইয়াবা সেকশন তার আপন ভাইকে দিয়ে এবং মানবপাচার ও কাঠ পাচার সে নিজেই নিয়ন্ত্রণ করে। প্রশাসনকে ম্যানেজ করে একাধিক সহযোগীদের মাধ্যমে চালিয়ে যাচ্ছে তার অবৈধ ব্যবসা। তার সহযোগী অনেকের বিভিন্ন মেয়াদে জেল জরিমানাও হয়েছে। মোটা অংকের টাকা, গ্রেপ্তার হলে মুক্তির যাবতীয় খরচ ও তার পরিবারের ভরণ-পোষন ইত্যাদি নানা লোভনীয় অফারে যোগাড় করে এসব সহকর্মী এবং গ্রেপ্তার পরবর্তী আইনশৃংখলা বাহিনীর কাছে মূলহোতা বা তার নাম গোপন রাখতে দেওয়া হয় আরও বাড়তি সুযোগ-সুবিধা। সম্প্রতি প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাড়ায় পাড়ায় মানব পাচারকারীদের তালিকা করা হলেও কৌশলে সে পার পেয়ে যায়। এ তালিকা থেকে নিজেকে আড়াল রাখতে দায়িত্ব প্রাপ্ত জনপ্রতিনিধি ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার সিরাজুল ইসলামের স্বাক্ষর নকল করে মেম্বারের পূর্বে তার প্রতিপক্ষ ২৫ জনের নাম লিখে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে জমা দিতে গিয়ে পরবর্তীতে তার কালো তালিকার শিকার ব্যক্তিরা জানতে পারলে তার বিরুদ্ধে নালিশ ডাকে অত্র ওয়ার্ডের মেম্বার সিরাজুল ইসলামের দপ্তরে। যে তালিকায় রয়েছে এলাকার মান্য-গণ্য মানুষের নাম। টেকনাফ সদর ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আলম এর উপস্থিতিতে গত ২৪ শে আগস্ট শত শত এলাকাবাসীর সামনে কানে ধরে স্বীকার করে তার কুকর্মের কথা এবং উপস্থিত জনতার কাছে ক্ষমা চেয়ে জানান-তালিকাভূক্তদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করার জন্য এ তালিকা করা হয়েছিল যা পরবর্তীতে জানাজানি হলে পরিকল্পনা ভন্ডুল হয়ে যায়। অপরদিকে স্বাক্ষর জালিয়তির অপরাধে তার বিরুদ্ধে সিরাজুল ইসলাম মেম্বার টেকনাফ থানায় একটি জালিয়াতি মামলা রুজু করেন।
উল্লেখ্য যে, উক্ত গফুর আলমের বিরুদ্ধে ইতি পূর্বে তার পার্শ্ববর্তী ভাড়া বাসার বার্মায়া তরুণীর অবৈধ সম্পর্কের জের ধরে তার ঘরে উঠে আসলে পরবর্তীতে উক্ত তরুণীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা ও এক সময়ের তার সহপাটি টেকনাফ কচুবনিয়া পাড়ার ইব্রাহীম সিকদারের ছেলে হারুন সিকদারকে অস্ত্র ও ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। অপরপক্ষে সচেতন মহল এসব পাচারকারীদের শীঘ্রই গ্রেপ্তার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা না করলে মানবপাচার স্থায়ীভাবে বন্ধ হবেনা বলে মনে করেন
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত গফুর আলম ০১৮১৭৩১৬১৫৯ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তার নাম্বার মিসডকল এলার্ট পাওয়া যায়।
টেকনাফ থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান খোন্দকার জানান, মানবপাচার, ইয়াবা ব্যবসায়ী যতই বড় ক্ষমতাশীল হোক না কেন তাদের গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় আনা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com