1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

টেকনাফে ভোটার হালনাগাদে নতুন ভোটারদের ভোগান্তি চরমে

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৫
  • ১৮ দেখা হয়েছে

আবুল কালাম আজাদ,টেকনাফ :
টেকনাফে নতুন ভোটারদের ভোটার তালিকায় অন্তভূক্তিতে সীমাহীন দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন রোহিঙ্গা নাগরিক ভোটার তালিকায় অন্তভূক্তি না হওয়ার জন্য কক্সবাজার জেলার ৮টি উপজেলায় কড়াকড়ি আরোপ করেছেন। ভোটার হালনাগাদে নতুন ভোটার অন্তভূক্তির জন্য ১২ টি আলাদা আলাদা কাগজ পত্রের শর্ত জুড়ে দিয়েছে। তেমনি আলাদা ফরম সংযোজন করেছেন। তৎ মধ্যে রয়েছে পিতা-মাতার আইডি কার্ডের ফটোকপি, পিতা-মাতা মৃত হলে মৃত্যু সনদের ফটোকপি, স্ত্রী/স্বামীর আইডি কার্ডের ফটোকপি, জন্ম সনদের ফটোকপি, জাতীয়তা সনদের ফটোকপি, বিদ্যুৎ বা টেলিফোন বিলের ফটোকপি, পৌরকর, খাজনা ও চকিদারি রশিদের ফটোকপি, পাসর্পোটের ফটোকপি, জমির দলিল অথবা খতিয়ানের ফটোকপি, ভাই-বোন, চাচা এবং ফুফুর আইডি কার্ডের ফটোকপি, সর্বশেষ দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্টানের সনদের ফটোকপি ও বয়স্ক আবেদনকারীর বাদ পড়ার কারণ উল্লেখ করত স্থানীয় জনপ্রতিনিধির প্রত্যয়ন পত্র। এ ছাড়াও রক্ত গ্রুপের কপি ইত্যাদি। এসমস্ত কাগজ পত্রাদি সংগ্রহকরতে গিয়ে যেমনি সময়ের অপচয়, আর্থিক ব্যয় ও হয়রানী হচ্ছে নতুন ভোটারগণ। টেকনাফ পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের লোকজন জানায়, উল্লেখিত কাগজ পত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে কারও ২ হাজার আবার কারও ৩ হাজার টাকা করে ব্যয় হচ্ছে। ভোটার হালনাগদে ১২টি প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রের প্রয়োজন বিধায় কতিপয় ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্রের কর্মচারী, প্যাথলজি কেন্দ্রের মালিক ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দালাল সম্প্রদায় একে পুঁিজ করে গলাকাটা বানিজ্য শুরু করে দিয়েছে। যে যার চেয়ে বেশী টাকা আদায় করতে পারে এ প্রতিযোগিতায় রয়েছে। নতুন ভোটার তালিকায় অন্তভূক্তি ব্যক্তিগণ অর্থের দিকে না থাকিয়ে উল্লেখিত কাগজ পত্রের জন্য সরবরাহকারী প্রতিষ্টানে গেলে অহেতুক হয়রানীর শিকার ও গালমন্দ শুনতে হচ্ছে বলে ভোক্তভোগী লোকজন জানায়। এদিকে সবচেয়ে বেশী ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন হতদরিদ্র ও নি¤œবিত্ত লোকজন। যাদের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরায়। এরা জানায়, আমাদের অনেকে সন্তানাদি ভোটার উপযুক্ত হয়েছে কিন্তু নির্বাচন কমিশন যে শর্ত জুড়ে দিয়েছে তা সংগ্রহ করা ব্যয় বহুল ও প্রচুর সময়ের প্রয়োজন। সময় ও অর্থ সংকটের কারনে আমরা বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিক হওয়া শর্তেও ভোটার হতে পারচ্ছিনা। এদিকে তারা জানায় ভোটার হালনাগাদে যে সমস্ত কাগজ পত্র প্রয়োজন সে সমস্ত কাগজ পত্রের সরবরাহকারী প্রতিষ্টান সমূহে নুন্যতম মূল্যে ও দালাল মুক্ত করলে আমরা ভোটার হতে পারতাম। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ও কোন জনপ্রতিনিধি এ ব্যাপারে কোন হস্তক্ষেপ না করায় যাদেরকে ভোটার হালনাগাদে অন্তভূক্তি না করার জন্য খড়খোড়া পুড়িয়েছেন, ও প্রচার প্রচারনা চালিয়েছেন এখন ঐ রোহিঙ্গা সম্প্রদায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ভোটার হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানায়। কতিপয় তথ্য সংগ্রকারী ও সুপারভাইজারগণ দেশ প্রেমকে জলাজ্ঞলি দিয়ে টাকার লোভে রোহিঙ্গাদেরকে ভোটার করার অভিযোগ উঠেছে। এলাকার সচেতন মহল দেশের প্রকৃত নাগরিক যাতে ভোটার তালিকায় অন্তভূক্তি হতে পারে তার জন্য সহজ পদ্ধতিতে সল্প ব্যয়ে ভোটার করার জন্য নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনপ্রয়োগকারীর সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com