1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

টেকনাফে শিক্ষার্থী ও স্কুল বিহীন আনন্দ স্কুলের টাকার হরিলুট

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৯ জুন, ২০১৫
  • ১৮৩ দেখা হয়েছে

alo-logoআবুল কালাম আজাদ,টেকনাফ :

সরকার প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতা মূলক ও ঝড়ে পড়া ছাত্র ছাত্রীদের একেবারে বিনা বেতন, পোষাক ও উপকরন সহ পড়ার জন্য একটি প্রকল্প গ্রহন করেন ২০০৮ সালে। যা নাম দেওয়া হয় আনন্দ স্কুল। প্রতিটি গ্রামে একটি করে স্কুল ও একজন করে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। শিক্ষদের বেতন ধায্য করা হয় মাসিক ৩ হাজার টাকা। উক্ত স্কুলে শিশু হতে তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত লেখা পড়া করা। প্রথম প্রথম প্রকল্পের মাধ্যমে সকল স্কুল পরিচালিত হত। বেতন ভাতা ঐ খান থেকে দেওয়া ব্যবস্থা ছিল। এতে ব্যাপক অনিয়ম ধরা পড়ায় পরবর্তী পর্যায়ে আনন্দ স্কুলকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের অধীনে ন্যস্ত করা হয়। উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা অফিসারের মনোনিত একজন কর্মচারী স্কুল পরিচালনা ও মনিটরিং করেন। এভাবে চলে আসচ্ছে। এর পরও দুর্নীতি থেকে মুক্ত করতে না পারায় সরকার উক্ত প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া জন্য পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানা যায়। ইদানিং ২০১৩-১৪ অর্থ বছর শেষান্তে সু-চতুর প্রাথমিক শিক্ষাঅফিসার ও কো-অর্ডিনেটর শাপলা চাকমা উভয় মিলে শিক্ষকদের ৪ মাসের বকেয়া বেতন, উপ-বৃত্তি ও উপকরনের টাকা নামে বেনামে শিক্ষকের নাম দিয়ে সোনালী ব্যাংক টেকনাফ শাখা থেকে গত ২৫ জুন ৩৬ টি স্কুলের, ৩৬ জন শিক্ষকের প্রতি জন ১২ হাজার টাকা করে মোট ৬ লাখ ৯৬ হাজার টাকা ও উপকরন বাবদ প্রায় ২ লক্ষ টাকা, উপ-বৃত্তি বাবদ ৪শ ৮০ জন ছাত্র ছাত্রীর প্রতিজন ৬ শ টাকা করে ২ লাখ ৮৮ হাজার টাকা উত্তোলন করেছে বলে আনন্দ স্কুলের বেতন বঞ্চিত শিক্ষকেরা জানান। উল্লেখ্য যে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুব্রত ধর টেকনাফ উপজেলায় ৩৬ টি আনন্দ স্কুল খাতা পত্রে দেখালেও প্রকৃত পক্ষে উক্ত স্কুলের কোন অস্তিত পাওয়া যায়নি উপজেলা পরিদর্শন করে। অথচ উক্ত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আনন্দ স্কুলের নামে বরাদ্ধ কৃত টাকা মাসের পর মাস বছরের পর বছর আত্মসাত করে চলেছে। এব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুব্রত ধরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করেছে মর্মে শিক্ষক মারফত শুনেছি তবে আনন্দ স্কুল প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর শাপলা চাকমা টাকা উঠানোর সময় আমাকে বলেনি। তিনি উত্তোলন করে কোন শিক্ষকে কত টাকা, উপকরনে কত টাকা ও উপ-বৃত্তির কত টাকা প্রদান করেছে আমাকে জানায়নি এবং আমি জানিনা। এব্যাপারে কো-অডিনেটর শাপলা চাকমার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি টাকা উত্তোলনের কথা স্বীকার করে বলেন যে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নির্দেশ ক্রমে করা হয়েছে। এখানে নিজের দোষ অপরের উপর চাপাতে চেষ্টা চালাচ্ছে। এতেই প্রমানিত হয় যে এদের পরস্পর বিরুধী বক্তব্যে আনন্দ স্কুলের অর্থ আত্মসাতের সকল কর্মকান্ড উঠে এসেছে। এব্যাপারে এলাকার সচেতন মহল বেতন বঞ্চিত শিক্ষক শিক্ষিকারা দুই কর্মকর্তা অপকর্মের সুষ্ট তদন্ত দাবি করেছেন।

এই বিভাগের আরও খবর
  • ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ‌্য মন্ত্রণালয়ে আবেদিত ।
Site Customized By NewsTech.Com