1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
শিরোনাম :
বসতভিটা দখলে নিতে চেষ্টা: লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা “প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতায় বিশ্বমানের পর্যটন নগরী হবে কক্সবাজার”: সচিব হেলালুদ্দীন ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, আইনের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন শহরের পূজা মন্ডপগুলোতে দর্শনার্থী ও পূজারিদের ভিড় অশুভ শক্তির বিনাশই দুর্গোৎসবের বৈশিষ্ট্য-জেলা প্রশাসক প্রেসিডেন্টস কাপে চ্যাম্পিয়ন মাহমুদউল্লাহ একাদশ ঈদগাঁওতে এবার সীমিত পরিসরে শারদীয় দূর্গাৎসব উদযাপিত সরাসরি ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে চবি’তে শিক্ষার্থী ভর্তির সিদ্ধান্ত সেন্টমার্টিনে আটকেপড়া চার শতাধিক পর্যটক ফিরলেন রোহিঙ্গাদের ফেরাতে গ্রিসের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রদূত

টেকনাফ ডিগ্রী কলেজের বিজ্ঞান ভবন আনসার বাহিনীর দখলে

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৫
  • ৯ দেখা হয়েছে

টেকনাফ প্রতিনিধি :
টেকনাফের একমাত্র ডিগ্রী কলেজটি নানান সমস্যায় জর্জরিত হয়ে পড়েছে। নেই কোন লেখাপড়ার মান। কলেজের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১জনও পাস করেননি। আর যারা পাস করেছে তাদের মধ্যে একজন শিক্ষার্থীও জিপিএ-৫ পায়নি। দীর্ঘদিন ধরে কলেজের হোস্টেলটিতে ছাত্রদের থাকার কোন পরিবেশ নেই। বিজ্ঞান বিভাগের ভবনটি দীর্ঘ ২ বছর ধরে আনসার বাহিনীদের দখলে। খেলাধুলার মাঠটি খানাখন্দকে ভরা। এতে সবসময় পানিতে নিমজ্জিত হয়ে থাকে। কলেজ সূত্রে জানা যায়, এই ডিগ্রী কলেজটিতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৬৫০ জন। এর মধ্যে  প্রথম বর্ষে ২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষে ৭৪ জন। এদের মধ্যে বিএ তে ৩০ জন, বিএসএস ৩১ জন, বিবিএস ১৩ জন। ২০১৩-২০১৪ বর্ষে বিএ ৬জন, বিএসএস ৩১ জন, বিবিএস ১৩ জন। ২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষে বিএ ১০, বিএসএস ৩৩ জন, বিবিএস ১১জন। ২০১১-২০১২ শিক্ষাবর্ষে বিএ ১২ জন, বিএসএস ৩২ জন, বিবিএস ২০ জন। উচ্চ মাধ্যমিক ২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষে মানবিকে রয়েছে ১৫৬ জন, ব্যবসায়ী শিক্ষায় রয়েছে ৭৮ জন, বিজ্ঞান বিভাগে ৬ জন। ২০১৫-২০১৬ শিক্ষাবর্ষে মানবিকে রয়েছে ১০৩ জন, ব্যবসায়ী শিক্ষায় রয়েছে ৩৪ জন, বিজ্ঞান বিভাগে ১ জন। শিক্ষক-শিক্ষিকার সংখ্যা ২৮ জন। আইসিটি বিভাগে শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও নেই। সদ্য ঘোষিত এইচএসসি ফলাফল নিয়ে অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তার কারণ হচ্ছে, পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১৬২ জন, পাশ করে মাত্র ৭৬ জন। এমনকি বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১জনও পাস করেননি। আর যারা পাস করেছে তাদের মধ্যে একজন শিক্ষার্থীও জিপিএ-৫ পায়নি। অথচ এই কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য শিক্ষা মন্ত্রনালয় ও স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব আবদুর রহমান বদির চেষ্টার শেষ নেই। কিন্তু শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না। বরং দিনের পর দিন পাসের হার কমছে।অকৃতকার্য হওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শেখ জয়নাল আবেদীন একবারও হল পরিদর্শন করেননি এবং ছাত্র-ছাত্রীদের খোঁজ খবর নেননি। এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া শিলবুনিয়া পাড়ার ইমান হোসেনের পুত্র মোঃ আলম অভিযোগ করে বলেন, এমনও দিন গেছে শিক্ষকরা অফিসে এসে বসে থাকলেও আমাদের ক্লাস নেননি। আবার এমনও দিন গেছে শিক্ষকদের অফিস থেকে ডেকে এনে আমরা ক্লাস আদায় করেছি। ম্যানেজমেন্ট বিভাগে অনেকদিন ধরে নির্দিষ্ট কোন শিক্ষক নেই। তাই এই বিভাগের ২৯ জন পরীক্ষার্থী সবাই ফেল করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক আক্ষেপ করে বলেন, কলেজে সবকটি বিভাগে শিক্ষক নেই জানলে আমরা এই কলেজ ভর্তি করাতাম না। আর যে কয়েকজন শিক্ষক আছেন তারাও ঠিকমত ক্লাস নেননা। তাই এইচএসসি’র ফলাফলে ভয়ংকর অবস্থা। এদিকে কলেজপাড়া এলাকার স্থানীয় কয়েকজন মুরুব্বী অভিযোগ করে বলেন, কলেজে প্রতিদিন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আসা-যাওয়া করতে দেখা যায়। কিন্তু ঠিকমত ক্লাস হচ্ছে না বিধায় লেখাপড়ার মান এবং পাসের হার দিন দিন কমে যাচ্ছে।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শেখ জয়নাল আবেদীন বলেন- কলেজের বিজ্ঞান ভবনটি আনসার সদস্যদের সরিয়ে খালি করে দেওয়ার জন্য প্রশাসনিক ভাবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। কেন তাদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে না তা আমাদের জানা নেই। ছাত্র-ছাত্রীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি আরো বলেন- অনেক ছাত্র-ছাত্রী নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহন করে না। ঠিকমত লেখা পড়া না করলে কিভাবে তারা পাস করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com