1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

তিনদিনে নিহত ২১, কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি : আরো ৩ লাশ উদ্ধার

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৮ জুন, ২০১৫
  • ৯০ দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি:

কক্সবাজার জেলার  সদর, রামু , চকরিয়া ও পেকুয়া এই চার উপজেলার গত টানা অবিরাম বর্ষনে বন্যা কবলিত এলাকার পানি নামতে শুরু করেছে। গত শনিবার রাত থেকে ভারী বৃস্টি না হওয়ায় কক্সবাজারের এই ৪ উপজেলায় বন্যা কবলিত এলাকা থেকে ক্রমশ পানি নেমে যাচ্ছে।এদিকে আজ ২৮ জুন সকালে চকরিয়া ও রামু থেকে আরও ৩ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।উদ্ধার হওয়া লাশের মধ্যে ১ জন চকরিয়ার,১ জন রামুর,অপরজন ঢলের পানিতে নিহত সদর উপজেলার খুরুস্কুল আদর্শ গ্রামের তিন বছরের শিশু।এ নিয়ে জেলায় গত তিন দিনে মৃতের সংখ্যা ২১ জনে উন্নিত হলো। এর আগে গত শুক্রবার মারা যান ১১ জন। শনিবার আরো ৭ জনের লাশ উদ্ধার হয়। এ পরিস্থিতিতে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।কক্সবাজারের আট উপজেলার অন্তত ৫০টি ইউনিয়নের প্রায় ৩ শ গ্রাম জলমগ্ন রয়েছে। এতে পানিবন্দী হয়ে জীবন কাটাচ্ছে অন্তত ১০ লাখ মানুষ। এদিকে গত ৬ দিনের টানা বর্ষন,পাহাড়ী ঢলে ও পাহাড় ধ্বসে নিহতদের মধ্যে ১০ ব্যক্তির স্বজনদের কাছে চেক বিতরণ করেছে স্থানীয় জেলা প্রশাসন।কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ড. অনুপম সাহা জানান, জেলায় বন্যদুর্গত লোকদের জন্য ১৪৫ মেট্রিক টন চাল, নগদ ১১ লাখ টাকা, ৫০ বস্তা চিড়া বরাদ্ধ এবং প্রতিটি নিহতের পরিবারের জন্য ২০ হাজার টাকা করে নগদ সাহায্য দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও জানান,কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী,হাসপাতালের সকল ডাক্তার ও নার্সদের ছুটি বাতিলের পাশাপাশি দুর্গত এলাকার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে।অপরদিকে বন্যার কারণে সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া শহরের কলাতলী অংশে দু’টি স্থান বিধ্বস্ত হওয়ার কারণে সমুদ্র তীরবর্তী মেরিন ড্রাইভে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে উখিয়া-টেকনাফ সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সেনাবাহিনী সড়ক যোগাযোগ পুনস্থাপনের চেষ্টা করছে।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com