1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. joaopinto@carloscostasilva.com : randaldymock :
  3. makaylabeaurepaire@1secmail.com : scotty7124 :
  4. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  5. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  6. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

তোমরা আল্লাহ’র দাসীদেরকে মসজিদে যেতে নিষেধ করোনা-সহীহ্ বুখারী

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০১৫
  • ৮৪ দেখা হয়েছে

Md.Alamgir (Mobile)মাওলানা মুহাম্মদ আলমগীর :
নামাজ নারী-পুরুষ সকল মুসলমানদের জন্য একটি ফরজ ইবাদত। মহান আল্লাহ বলেন- তোমরা সালাত কায়েম কর এবং যাকাত আদায় কর- সূরা বাকারা। অবশ্যই নামাজ এমন একটি কর্তব্য কাজ যা সময়ানুবর্তিতার সাথে আদায় করার জন্য ঈমানদার লোকদের ওপর ফরজ করে দেওয়া হয়েছে- সূরা নিছা।

পরিবার পরিজনের প্রতিঃ
তোমার পরিবার-পরিজনের প্রতি নামাজের শিক্ষা ও নির্দেশ দাও এবং তুমি নিজেও তা দৃঢ়তার সাথে পালন করতে থাক (সূরা তোয়াহা)। (মহিলাগণ) নামাজ কায়েম কর “যাকাত দাও এবং আল্লাহ তার রাসুলের আনুগত্য কর”- সূরা আহযাব (৩৩)। রাসুল (সঃ) বলেছেন- বালক-বালিকা যখন সাত বছর বয়সে উপনীত হয়, তখন তাকে নামাজের আদেশ দাও এবং যখন সে দশ বছর বয়সে পৌঁছে তখন নামাজ না পড়লে তাকে প্রহার কর- আবু দাউদ। ফরজ সালাত আদায় করতে হবে মসজিদে গিয়ে জামায়াতের সাথে। জামায়াতের সাথে সালাত আদায় করার জন্য আল্লাহর ঘোষণা- সালাত কায়েম কর, যাকাত দাও এবং রুকুকারীদের সাথে রুকু কর। অর্থাৎ যারা আমার সামনে অবনত হচ্ছে তাদের সাথে তোমরাও অবতন হও- সূরা বাকারা-৪৩। উক্ত আয়াতে সালাত জামায়াত সহকারে আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে প্রশ্ন হলো এখানে কি নারী-পুরুষ আলাদা করে নারীদের বাদ দিয়েছেন? ইসলামী জীবন ব্যবস্থায় নারী-পুরুষ সকলেই সমান মর্যাদার সম্মান, অধিকার, ইবাদত, সম্পদ ও ক্ষমতায় পুরুষের চাইতে বেশী ছাড়া কম নয়। মহিলাদের জন্য মসজিদে গিয়ে জামায়াতের সাথে সালাত আদায় করা এটি তাদের মৌলিক অধিকার। মুসনাদ আহমদ এর বর্ণনা সূত্রে হযরত আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ) বলেছেন, মসজিদের প্রতিবেশীর নামাজ মসজিদ ছাড়া আদায় হবে না। জিজ্ঞাসা করাহলো- মসজিদের প্রতিবেশী কে তিনি বলেন- যে ব্যক্তি আজান শুনে এই হুকুম কি নারী-পুরুষ পৃথক করা হয়েছে? মসজিদের প্রতিবেশী নারীদেরকে মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করতে কোন যুক্তিতে নিষেধ করা হবে। কুরআন, হাদিস ও ইজমার ভিত্তিতে আমাদের হানাফী মাজহাবের রায় নারী-পুরুষ সকলের জন্য উজর ব্যতীত ৫ (পাঁচ) ওয়াক্ত ফরজ নামাজ জামায়াতের সাথে আদায় করা ওয়াজিব।
আমার সম্মানিত মা-বোনদেরকে মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করার জন্য আল্লাহর রাসুল ব্যবস্থা করছেন। আর আমরা মুর্খতাবশতঃ মসজিদে না যাওয়ার ব্যবস্থা করছি। এটি কত বড় জাহেলিয়াত ও সুন্নাতে নববীর উপর জুলুম তা ভেবে দেখা দরকার। মহিলাদের প্রত্যেক ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে পড়ার অধিকার আছে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর থেকে বর্ণিত, রাসুল (সঃ) বলছেন, তোমাদের স্ত্রী লোকদেরকে মসজিদে যেতে বাধা দেবে না। কিন্তু ঘর তাদের জন্য উত্তমÑ আবু দাউদ। অপরদিকে হযরত আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনÑ মুমিন মেয়েরা রাসুলুল্লাহ (সঃ) এর সাথে পশমী চাদর মুড়ি দিয়ে ফজরের সালাতে অংশগ্রহণ করতো। সালাত শেষে তারা যখন ঘরে ফিরতো তখন অন্ধকারের কারণে কেউ তাদের চিনতে পারতো না (বোখারী ও মুসলিম)। ইয়াহিয়া ইবনে মুসা (র) হযরত আয়েশা থেকে বর্ণিতÑ রাসুল (সঃ) অন্ধকার থাকতেই ফজরের সালাত আদায় করতেন। এরপর মুমিনদের স্ত্রীগণ চলে যেতেন। অন্ধকারের জন্য তাদেরকে চেনা যেতনা বা একে অপরকে চিনতেন না (বোখারী ২য় খন্ড ৮৩০)। মুহাম্মদ ইবনে মিসকীন (র) আবু কাতাদাহ আনছারী থেকে বর্ণিত তিনি বলেন- রাসুল (সঃ) বলেছেন- ইশার সালাতে দাঁড়িয়ে তা দীর্ঘায়িত করব বলে ইচ্ছা করি এরপর শিশুর কান্না শুনতে পেয়ে আমি সালাত সংক্ষিপ্ত করি এ আশাংকায় যে তার মায়েরা কষ্ট পাবে (বোখারী ৮২৬)। ইয়াহিয়া ইবনে কাযাআ (র)Ñ উম্মে সালমা (রাঃ) থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন নবী করিম (সঃ) যখন সালাম ফিরাতেন তখন মহিলাগণ তার সালাম শেষে করার সাথে সাথে উঠে যেতেন। নবী করিম (সঃ) দাঁড়ানোর আগে নিজ জায়গায় কিছুক্ষণ অবস্থান করতেন। রাবী যুহরী বলেন- আমাদের মনে হয় তা এজন্য যে, অবশ্যই আল্লাহ ভাল জানেন, যাতে মহিলাগণ পুরুষের আগেই চলে যেতে পারেন (বোখারী ৮২৮)। আবুবকর ইবনে আবু শায়রা (র) সাহল ইবনে সাদ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন- আমি লোকদেরকে তাদের লুঙ্গি খাটো হবার দরুণ বালকদের মত বা তাদের গলায় বেঁধে নবী করিম (সঃ) এর পিছনে সালাত আদায় করতে দেখেছি। তখন জনৈক ব্যক্তি বললো- হে নারী সমাজ পুরুষরা সিজদা থেকে মাথা না তোলা পর্যন্ত তোমরা সিজদা হতে মাথা তুলবে না (বোখারী ৮৭১)।
আবুল ইয়ামান ও আইয়াশী (রঃ) হযরত আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেছেন- রাসুলুল্লাহ (সঃ) ইশার সালাত আদায় করতে অনেক বিলম্ব করলেন। অবশেষে হযরত উমর (র) তাকে আহবান করে বললেন- হে আল্লাহর রাসুল (সঃ) মসজিদে সালাতের অপেক্ষায় নারী ও শিশুরা ঘুমিয়ে পড়ছে। আয়েশা রাঃ বলেন- তখন রাসুলুল্লাহ (সঃ) বের হয়ে বললেন তোমরা ব্যতীত পৃথিবীর আর কেউ এ সালাত আদায় করনা রাবী বলেন মদিনাবাসী ছাড়া আর কেউ এ সময় ইশার সালাত আদায় করত না (বোখারী ৮২০)। ওবাইদুল্লাহ ইবনে মুসা (র) ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন- নবী করিম (সঃ) বলেছেন যদি তোমাদের স্ত্রীগণ রাতে মসজিদে আসার জন্য তোমাদের নিকট অনুমতি প্রার্থনা করে তাহলে তাদের অনুমতি দিবে (বোখারী ৮২৩)। হারুন ইবনে সাঈদ আল আয়ালী (র) যায়নাব আস সাকাফিয়া থেকে বর্ণিত রাসুল (সঃ) বলেন- কোন স্ত্রী লোক যখন ইশার সালাত আদায় করতে মসজিদে আসে তখন সে যেন ঐ রাতে খোশবু না লাগায় (বোখারী ৮৮০)। আবুবকর ইবনে আবু শায়বার- আবদুল্লাহর স্ত্রী যায়নাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত- তিন বলেন রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন- যে নারী মসজিদে আসবে সে যেন খোশবু স্পর্শ না করে (বোখারী ৮৮১ সালাত অধ্যায়)। ইউসুফ ইবনে মুসা (র) ইবনে উমর থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন উমর (র) এর স্ত্রী (আতিকাহ্ বিনতে যায়িদ) ফজর ও ইশার সালাতের জামায়াতে মসজিদে হাজির হতেন। তাকে বলা হলো আপনি কেন মসজিদে এসে সালাত আদায় করেন? অথচ হযরত উমর তা অপছন্দ করেন এবং মর্যাদাহানিকর মনে করেন, তখন তিনি জবাব দিলেন, তা হলে এমনকি বাঁধা আছে যে উমর স্বয়ং আমাকে নিষেধ করছেন না। বলা হলো তাকে কে বাঁধা দিয়ে রাসুল (সঃ) এর বাণী আল্লাহর দাসীদেরকে আল্লাহর ঘর মসজিদে যেতে নিষেধ কর না (বোখারী ৮৫৪)। আল্লামা হাফেজ ইবনে হাজর আসকালনী বলেন, আবদু রজ্জাক যুহরী সুত্রে বর্ণনা করেছেন হযরত উমর যখন আহত হয়েছিলেন তখন তার স্ত্রী মসজিদেই ছিলেন (ফতহুল বারী ৩য় খন্ড)। ফাতেমা বিনতে কায়েস থেকে বর্ণিত তিনি বলেন- একদা লোকদেরকে সালাত জামায়াতের সাথে আদায় করার জন্য মসজিদে আসতে ডাক দেওয়া হল। এ ডাকে সাড়া দিয়ে সাধারণ লোকদের সাথে আমিও সেখানে গেলাম। মহিলাদের প্রথম কাতারে আমি ছিলাম। অর্থাৎ পুরুষদের শেষ সারির পিছনেই (সহীহ্ মুসলিম)। যুহায়র ইবনে হারব (র) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত যে তিনি বলেন- রাসুল (স) বলেছেন পুরুষদের কাতারের মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট হলো প্রথম কাতার এবং নিকৃষ্ট কাতার হলো শেষ কাতার। আর নারীদের উত্তম কাতার হলো শেষ কাতার যা পুরুষের কাতারের চাইতে দুরে থাকে এবং নিকৃষ্ট কাতার হচ্ছে প্রথম কাতার যা পুরুষের কাতারের নিকটবর্তী হবে (বোখারী ৮৬৭)। উক্ত হাদিসগুলো প্রমাণ করে রাসুল (সঃ) নারীদের মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করতে নিষেধ করেন নি। রাসুল (সঃ) এর মসজিদে নববীতে জামায়াতের কাতারের বিষয় দেখা যায় কাতার ৩ ভাগে বিভক্ত ছিল, প্রথম ভাগ- পুরুষদের কাতার, ২য় ভাগ- নারীদের কাতার, ৩য় ভাগ- শিশুদের কাতার। ভিন্ন একটা রাওয়াতে দেখা যায়, ১ম ভাগ-পুরুষ, ২য় ভাগ- শিশু ও ৩য় ভাগ- নারীদের কাতার। আর যদি মসজিদে মহিলাদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকে তাহলে কাতার সেখানে ভাগ করার প্রয়োজন পড়ে না। জুমার সালাত ও পাঁচ ওয়াক্ত সালাত মসজিদে গিয়ে জামায়াত সহকারে আদায় করা প্রসঙ্গে উপরোক্ত হাদিসগুলো ছাড়া আরো বহু সংখ্যক হাদিস বর্ণিত আছে। ঈদের সালাত, জানাজার সালাত ও আরো সমষ্টিক সালাতে নারীরা অংশগ্রহণ ছিল এবং রাসুল (সঃ) নারীদের মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করতে উৎসাহ দিয়েছেন এবং সু-ব্যবস্থা করেছেন। মুহাম্মদ (রঃ) উম্মে আতিয়া থেকে বর্ণিত তিনি বলেন- ঈদের দিন আমাদেরকে বের হওয়ার আদেশ দেওয়া হতো। এমনকি আমরা কুমারী মেয়েদেরকেও অন্দর মহল থেকে বের করতাম এবং ঋতুবর্তী মহিলাদেরকেও। তারা পুরুষের পিছনে থাকতো এবং তাদের তাকবীরের সাথে তাকবীর বলতো এবং তাদের দোয়ার সাথে দু’আ করতো। তারা আশা করতো সে দিনের বরকত ও পবিত্রতার। হযরত ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত তিনি বলেন- নারী-পুরুষ সবাইকে সাথে নিয়ে আল্লাহর রাসুল ঈদের নামাজ আদায় করতেন এবং খুতবাহ দিতেন, মহিলাদের বেশী করে সদকাহ্ করার নসীহত করতেন (বোখারী ৮২১)।

জানাজার সালাতে নারীদের অংশগ্রহণ :
হযরত আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন- যখন সা’দ ইবনে আবু ওয়াক্কাস ইনতিকাল করলেন নবী (সঃ) এর সহধর্মিনীগণ তার কফিন মসজিদে নিয়ে আসার জন্য খবর পাঠালেন। যাতে তারা সালাতে জানাজা পড়তে পারেন। লোকেরা তাই করলো তাদের গৃহের সামনে কফিন রাখা হলো এবং তারা জানাজার সালাত আদায় করলেন (সহীহ্ মুসলিম ৩য় খন্ড)। এমনিভাবে রাসুল (সঃ) এর জানাজা ও নারীরা অংশগ্রহণ করেছিলেন।
চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণসহ রাসুল (সঃ) এর সাথে সকল নামাজে মহিলাদের অংশগ্রহণ ছিল (সহীহ্ মুসলিম ৩য় খন্ড) নিয়মিত। মসজিদুল হারাম, মসজিদে নববীসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের অনেক মসজিদ সমূহে নারী-পুরুষ সবাই নামাজ পড়ার ব্যবস্থা আছে। আমাদের দেশে কিচু কিছু মসজিদে মহিলাদের সালাতের ব্যবস্থা থাকলেও মহিলাদের উপস্থিতি আশাব্যঞ্জক নয়। কারণ আমাদের দেশে প্রতিষ্ঠিত সংস্কৃতি হলো পুরুষরাই মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করবে জুমার, ঈদের ও জানাজার নামাজ আদায় করবে। মহিলারা ঘরে বসে শুধু পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবে। এক ধরনের মুর্খ আলেম নারীরা নাচ, গান সহশিক্ষাসহ পর্দাহীনতার বিরুদ্ধে কোন ফতোয়া দিবে না। তবে যখনই কোন নারী কুরআন হাদিসের এলেম শিখবে বা মসজিদে গিয়ে সালাত আদায় করবে তখনই মহিলা মাদ্রাসা ও মহিলা মসজিদের বিরুদ্ধে ফতোয়া দিয়ে ‘র’ ও ‘মোসাদ’-কে খুশী করার চেষ্টায় মেতে উঠেন। ফতোয়াবাজদের ফতোয়ায়ে বিভ্রান্ত না হয়ে রাসুল (সঃ) এর গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ যথা আল্লাহর রাসুল (সঃ) এর আমল ও আদেশ এবং সাহাবায়ে কেরামের আমল ধারা প্রমাণিত সুন্নাতের পূর্ণজীবিত করে নারীদের দ্বীনি এলম শিক্ষাসহ সকল সালাতে অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করে নারী-পুরুষ সবাইকে একসাথে জন্নাতের পথে এগিয়ে যেতে হবে। তথাকথিত আধুনিক সভ্যতার দাবীদার প্রগতিবাদীরা নারী স্বাধীনতা ও অধিকার আদায়ের জন্য কত আন্দোলন সংগ্রাম করেন। মসজিদে জামায়াতে, ঈদের জামায়াতে ও জানাজার জামায়াতে অংশগ্রহণ করা মহিলাদের মৌলিক অধিকার। এ অধিকার আদায়ের জন্য যেমন নারীদের সোচ্চার হতে হবে- তেমনি প্রতিটি মসজিদে নারীদের নামাজের জন্য পৃথক ব্যবস্থা করা সংশ্লিষ্ট সকলের উচিত।

লেখক—
খতিব ও সেক্রেটারী, বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি কক্সবাজার জেলা ।

এই বিভাগের আরও খবর

  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com