1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

দফতর পেলেও রুম পাননি সৈয়দ আশরাফ

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০১৫
  • ৩৮ দেখা হয়েছে

image_1257551-300x205

এলজিআরডি মন্ত্রণালয় হারানোর পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পেলেও রুম পাননি সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। ফলে মঙ্গলবার নতুন দফতরে আসেননি তিনি। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মন্ত্রীর জন্য রুম খোঁজা হচ্ছে। শিগগিরই তার রুম ঠিক হয়ে যাবে।

প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এতদিন দায়িত্বে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার অধীনে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ইসমত আরা সাদেক। শেখ হাসিনা এ দায়িত্বে থাকলেও তিনি সচারচর মন্ত্রণালয়ে এসে অফিস করতেন না। ফলে তার জন্য কোনও রুমও নির্ধারণ করা নেই। তবে সচিবালয়ের এক নম্বর ভবনের তিনতলার পূর্বদিকের তিনটি রুম নিয়ে প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেকের দফতর রয়েছে। ভবনের এই অংশে জনপ্রশাসন সচিবসহ মন্ত্রণালয়ের আরও কয়েকজন কর্মকর্তার রুম রয়েছে।

জনপ্রশাসন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মন্ত্রীর দফতরের জন্য অন্তত চারটি রুমের দরকার। একটিতে মন্ত্রী বসবেন, দ্বিতীয়টিতে তার পিএস এবং তৃতীয়টিতে বসবেন এপিএস। এছাড়া পিএ’র জন্যও একটা রুমের প্রয়োজন রয়েছে।

স্থান সংকটে থাকা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আওয়ামী লীগের এই সাধারণ সম্পাদককে মন্ত্রী নিয়োগ করায় মন্ত্রীর রুম নির্ধারণ নিয়ে রীতিমত হিমসিম খেতে হচ্ছে। মন্ত্রী কোথায় বসবেন, প্রতিমন্ত্রীর দফতর কি বর্তমান স্থানেই থাকবে, না কি সরানো হবে তা নিয়ে চলছে নানা হিসাবনিকাশ।

মঙ্গলবার দুপুরে যোগাযোগ করা হলে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, এতদিন তো এ মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর জন্য কোনও রুম ছিল না। এখন নতুন মন্ত্রী এসেছেন। কীভাবে নতুন মন্ত্রীকে ভাল রুম দেওয়া যায় সেটাই বিবেচনা করছেন ঊর্ধ্বতনরা। ১০ থেকে ১২ দিনের মধ্যে মন্ত্রীর রুম ঠিক হয়ে যাবে।

পূর্ত অধিদফতরের সচিবালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আফসার উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মন্ত্রীর জন্য রুম খুঁজতেই ব্যস্ত আছি। এজন্য দায়িত্বশীলদের সঙ্গে কথা বলতে হচ্ছে। তবে দু’একদিনের মধ্যে রুম নির্ধারণ হয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা স্থান নির্ধারণ করে দিলে আমরা তা মন্ত্রীর উপযোগী করে দেব।

এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে সাড়ে ছয় বছর দায়িত্ব পালন করলেও সৈয়দ আশরাফ তার দফতরে যেতেন না। তার জন্য নির্ধারিত রুমটি সারাবছর খালি পড়ে থাকত। সম্প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রণালয় থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। কয়েকদিন দফতরবিহীন থাকার পর তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম কার্যদিবস (ঈদুল ফিতরের ছুটির পর) সোমবার তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আসেন। এসময় তিনি সভাকক্ষে বসে কর্মকর্তাদের নিয়ে মতবিনিময় করেন।

সৈয়দ আশরাফ মন্ত্রণালয়ে না এলেও মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে গিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর যৌথসভায় যোগ দেন। সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশাসন নিয়ে রাজনীতি করেন না। আমরা প্রশাসনকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে সুযোগ দেওয়ার নীতিতে বিশ্বাসী।

এদিকে ঈদের ছুটির পর দ্বিতীয় দিনে সচিবালয়ে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতি বেড়েছে। সেইসঙ্গে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে তদবিরবাজদেরও আনাগোনা বাড়ছে।

উৎসঃ   বাংলা ট্রিবিউন

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com