1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

দুই সপ্তাহের ব্যবধানে আবারো বন্যার কবলে পেকুয়ার মানুষ

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০১৫
  • ৬০ দেখা হয়েছে

ইমরান হোসাইন, পেকুয়া :
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে ফের পেকুয়ার ১৮গ্রামের মানুষ বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এতে কমপক্ষে বিশ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ভেসে গেছে ক্ষেত খামার। ভেঙে পড়েছে অনেক বসতঘর। পেকুয়া সদর ইউনিয়নের পূর্বমেহেরনামা রাবারড্যাম সংলগ্ন এলাকায় পাউবোর ভেঙ্গে যাওয়া বেড়িবাঁধ গত দই সপ্তাহের মধ্যেও নির্মিত না হওয়ায় এবং টানা বৃষ্টিতে পেকুয়া সদর ইউনিয়নের নন্দীরপাড়া, হরিণাফাড়ি, সিরাদিয়া, জালিয়াখালী, পূর্বমেহেরনামা, বিলহাচুড়া, বলিরপাড়া, মোরারপাড়া, সৈকতপাড়া, উত্তরমেহেরনামা, ছৈরভাঙ্গা ও বাজারপাড়া এলাকার অরক্ষিত বেড়িবাঁধ দিয়ে বন্যার পানি ঢুকে ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। শিলখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল হোছাইন জানান, ইউনিয়নের দোকানপাড়া, পেঠানমাতবরপাড়া, আলীচানমাতবরপাড়া, হাজিরঘোনা, সবুজপাড়া, হেদায়াতাবাদ সহ দুই ইউনিয়নে মোট ১৮ গ্রাম প্লাবিত হয়ে কমপক্ষে বিশ হাজার লোকজন পানিবন্ধী হয়ে পড়েছে। এ সব এলাকার রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্টান, পুকুর, বসতবাড়ি পানির নীচে তলিয়ে গেছে। অপরদিকে পেকুয়ার প্রধান সড়ক বানিয়ারছড়া-মগনামা সড়ক পনির নিচে তলিয়ে গেছে। পেকুয়ার নদী-খাল সমূহের পানি বিপদসীমায় ৫ফুট উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্লাবিত গ্রাম সমূহের কমপক্ষে দশ হাজার লোকজন গবাদিপশু নিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে।
হরিণাফাড়ি গ্রামের পানিবন্ধী ইলিয়াছ ও শাহেদ জানান, গত কিছদিন আগেও বাড়িতে বন্যার পানি ঢুকে মজুদ থাকা খাদ্যশস্য নষ্ট হয়ে গেছে। এবং গতকাল থেকে আবার একই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি ভেঙ্গে যাওয়া বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে এলাকাবাসীকে প্রাণে বাচানোর জন্য সরকারের নিকট দাবী জানান।
পেকুয়া মাতবরপাড়া এলাকার মোক্তার জানান, আগামী আমন মৌসুমে বীজতলা তৈরী করে আমন ধানের চারা রোপনের জন্য বীজ বপন করা হয়েছে। বন্যার পানিতে প্লাবিত হওয়ায় সেই বীজতলা থেকে বপনের জন্য চারা পাব কিনা জানি না। অর্থাৎ এ মৌসমে চাষাবাদ চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে ! তাহলে আমরা খাব কি  ? প্রশ্ন মোক্তারের।
উল্লেখ্য, গত শনিবার(২৫জুলাই) থেকে পানিবন্ধী ও বন্যায় প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন ও বন্যার পানি নিষ্কাশনের জন্য সার্বিক চেষ্টা করে যাচ্ছেন পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফুর রশিদ খান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাফায়াত আজিজ রাজু, পেকুয়া সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাহাদুর শাহ।

এই বিভাগের আরও খবর
  • ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ‌্য মন্ত্রণালয়ে আবেদিত ।
Site Customized By NewsTech.Com