অপরাধজেলা সংবাদপ্রশাসনমাদক

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ যোগদানের ৩দিনের মাথায় ৩ কারবারীসহ আটক করলেন ইয়াবার বড় চালান

123views

মাঈনুদ্দিন খালেদ :

যেমন কথা তেমনই কাজ। যোগদানের ৩ দিনের মাথায় নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনর্চাজের তত্বাবধানে অভিযান চালিয়ে ৩ কারবারীসহ আটক করলেন ইয়াবার বড় একটি চালান।

২৭ জুন শনিবার সন্ধ্যায় ঘুমধুম পশ্চিম পাড়া থেকে এ সব উদ্ধার করেছেন নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসি আলমগীর হোসেন নিজেই।

প্রত্যক্ষর্দশী সূত্র জানায়,ঘুমধুম নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার একটি ইউনিয়ন হলেও মূলত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অতি নিকটে অবস্থিত এক সীমান্ত এলাকা। আর এ এলাকাটি টেকনাফ-ককসবাজার সড়ক ঘেষাও । এ কারণে এ এলাকার মানুষ ধীরে ই্য়াবার প্রতি র্দূবল হয়ে পড়েছে ক’বছর ধরে। যার সাথে সাধারণ মানুষই নয় শুধু,জড়িয়ে পড়েন নানা পেশার লোকজনও। ২৭ জুন সন্ধ্যায় ৫০ হাজার ইয়াবা সহ আটক ৩ ইয়াবা ব্যবসায়ীর মধ্যেও এধরনের পেশাজীবী রয়েছে। এদের দু’জন সমাজ কর্মি অপর ১ জন এনজিও কর্মি। আটক হওয়া ইয়াবার ম্যূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা।

পুলিশ জানান,তারা সন্ধ্যার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘুমধুম ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওর্য়াডের পশ্চিম পাড়ার স্থানীয় এক মেম্বারের ঘনিষ্টজন হিসেবে পরিচিত ৩ জনকে আটকের পর থলের বিড়াল আসতে শুরু করেছে। তারা আরো জানান, গতকাল তারা আটক করেছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক একটি এনজিও কর্মি বদি আলম বদি, স্থানীয় কামাল মেম্বারের চাচাতো ভাই সমাজ কর্মি রশিদ আহমদ ও লুৎফর রহমান।
স্থানীয় একাধিক সূত্র দাবী করেন,বদি আলম সহ অপর ২ আসামী র্দীঘদিন ধরে এ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। তাদের ২ গডফাদার রয়েছে। তারা সরকার দলের নাম পরিচয় দিয়ে এবং প্রভাব খাটিয়ে এসব করলেও কেই মূখ খুলতে পারেনি এতোদিন। আর তারা এলাকার প্রভাবশালী ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির নেতাও বটে। এ কারণে ঘুমধুম এখন ইয়াবার ঘাটিতে। এখন সময় এসেছে এ সব প্রতিরোধের। গডফাদারদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার নবাগত অফিসার ইনর্চাজ আলমগীর হোসেন বলেন, তিনি যোগদানের প্রথম দিন ২৫ জুন বৃহস্পতিবার বিকেলে বলেছিলেন মাদক ব্যবসা আর না। এ বিষয়ে তিনি আপষ করবেন না কারও সাথে । তাই তার বাহিনীকে তিনি পুরো উপজেলায় স্ট্যান্ডভাই রেখেছেন সেদিন থেকে। আর তারই ফলশ্রæতিতে এবং তত্বাবধানে ৩ ইয়াবা ব্যবসায়ী সহ প্রায় অর্ধলক্ষ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করেন তিনি।

Leave a Response