1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

ন্যানসির অন্দরমহলে একদিন…

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
  • ৮৯ দেখা হয়েছে

দাওয়াত মিলেছিল অনেক আগেই। কণ্ঠশিল্পী ন্যানসির অন্দরমহলে একদিন ঘুরে আসার দাওয়াত। কিন্তু সেই দিনটিই যেন আসছিল না নানান ঝুট-ঝামেলায়। অবশেষে ব্যাটে-বলে মিলে যাওয়ায় গত ২৭ আগস্ট ময়মনসিংহে ন্যানসির বাসভবনে হাজির হয়ে যায় প্রিয়.কম।
চোখে ধাঁধানো সৌন্দর্যে ঘেরা ন্যানসির বাসভবন। বাহির থেকে দেখলে যেন মনে হয় এ এক রাজপ্রাসাদ যেখানে নিজের সুখের সংসার সাজিয়েছেন ন্যানসি। রাজপ্রাসাদে পৌঁছে প্রথমেই দেখা মিলল রাজার! বলা হচ্ছে ন্যানসির বর জায়েদের কথা।
তিনিই স্বাগতম জানালেন তার রাজপ্রাসাদে। যে বাড়ির বাহির এতো সুন্দর তার ভেতর কি বলে? এই প্রশ্নের উত্তর এবং রাজরানীকে খোঁজার জন্য অন্দরমহলে প্রবেশ করলো প্রিয়.কম।
তখন সকাল সাড়ে ন’টা। আগের দিন অনেক ধকল যাওয়ায় একটু দেরীতেই ঘুমাতে গেছিলেন ন্যানসি। তাই তখনও ঘুম ভাঙেনি তার। জায়েদ তাকে গিয়ে জানালেন যে প্রিয়.কম হাজির হয়ে গেছে তাদের বাড়িতে।
ঘুম ঘুম চোখে ন্যানসি এসে স্বাগতম জানিয়ে একটু অপেক্ষা করতে বলে গেলেন ফ্রেশ হতে। ক্যামেরা হাতে প্রিয়.কম ঘুরতে থাকলো ন্যানসির অন্দরমহলের আনাচে-কানাচে।
ডুপ্লেক্স বাড়ির ভেতরে প্রতিটি পরতে পরতে যেন শিল্পের ছোঁয়া। শিল্পীর বাড়ি তো এমনই হওয়া চাই। জায়েদ জানালেন প্রায় দুই বছর ধরে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তিনি আর ন্যানসি গড়ে তুলেছেন এই বাড়িটি।
যখন বাড়ির কাজ চলছিলো একমুহূর্ত নজর অন্যজায়গায় রাখার সুযোগ মেলেনি তাদের। নিজেদের মনমতো একটি বাড়ি গড়ে তোলার জন্য যা যা করা প্রয়োজন ছিল তার সবই করেছেন তারা যার ফলাফল এই চোখ ধাঁধানো সৌন্দর্য।
জায়েদের কাছে গল্প শোনার একফাঁকে এসে আড্ডার সঙ্গী হন ন্যানসি। কথার রেশ ধরে বললেন এমন একটি বাড়ি বানানোর স্বপ্ন ছিল তার ছোটবেলা থেকেই। সেই স্বপ্ন আজ বাস্তবতায় রূপ নিয়েছে।
আর স্বপ্ন বাস্তবতায় রূপ নিলে কার না ভালো লাগে। ন্যানসি জানালেন নিজের মেয়েদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
মেয়েরা যাতে প্রকৃতির সঙ্গে খেলতে খেলতে বিশুদ্ধ বাতাসের নিঃশ্বাস নিতে নিতে বড় হতে পারেসেজন্যই এখানে গড়ে তোলা হয়েছে তার বাড়িটি। কথা বলতে বলতে চলে এলো সকালের নাস্তা।
নাস্তা খেতে খেতে ন্যানসি জানালেন তার হাতের রান্না করা খাবার খাওয়ার পর ছুটি মিলবে প্রিয়.কমের।
চলছে জায়েদের সঙ্গে আড্ডা। ন্যানসির মনোনিবেশ তখন রান্নায়। আপন মনে রেধে যাচ্ছেন সঙ্গে গুনগুনিয়ে গেয়ে চলেছেন গান। গানই যার প্রাণ তখন সবসময় তার কণ্ঠে গান থাকবে এটাই স্বাভাবিক।
ন্যানসির বাড়ি থেকে একটু দুরেই নদী। ঠিক হল তার রান্না শেষে ভুঁড়ি-ভোজের পর নদীর পাড়ে গিয়ে চলবে ফটোসেশন।
কথামতো দুপুরে খাওয়ার পরে রোদটা একটু পড়লে ন্যানসিকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয় নদীর পাড়ে। সঙ্গে জায়েদ, রোদেলা ও নায়লা। চলছে ফটোশুট। পাশাপাশি আড্ডা। নানানভাবে প্রিয়.কমের ক্যামেরায় পরিবারকে নিয়ে বন্দী হলেন ন্যানসি। ঘড়ির কাঁটা ঘুরতে ঘুরতে পৌঁছালো গোধূলি লগ্নে।
ছবি তোলা শেষ করে ফেরা হল ন্যানসির বাড়িতে। এবার বিদায়ের পালা। মনমনসিংহ থেকে ফিরতে হবে ঢাকায়। তাই একটু তাড়া ছিল। সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ঢাকার পথে পা বাড়াল প্রিয়.কম। সঙ্গে যোগ হল কিছু রঙিন স্মৃতি, পাশাপাশি পাঠকদের জন্য ন্যানসির অন্দরমহলের গল্প।

উৎসঃ   priyo

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com