1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ৯ সচিব : অন্যতম মেঘা সিটি হচ্ছে কক্সবাজার

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০১৫
  • ১০ দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার আলো :
সৈকত শহর কক্সবাজার দেশের অন্যমত মেঘা সিটিতে রূপান্তরিত হতে যাচ্ছে।এক দশক আগেও সমুদ্রসৈকত ঘিরে পর্যটকদের আনাগোনা, হোটেল ব্যবসা, লবণ ও চিংড়ি চাষে সীমাবদ্ধ ছিল পর্যটন নগরী কক্সবাজারের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড। এখন পরিস্থিতির বদল হয়েছে। বাড়তে শুরু করেছে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ। গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের বড় বড় প্রকল্প আসছে কক্সবাজারে।এখন উন্নয়নের মহাযজ্ঞ শুরুর অপেক্ষা মাত্র।এ কারণে অর্থনৈতিক দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে কক্সবাজার জেলা।প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আগ্রহে পর্যটন নগরী কক্সবাজারকে বিশে^র অন্যতম শহর হিসাবে গড়ে তুলতে বিমান বন্দরকে আর্ন্তজাতিক মানের ও সোনাদিয়াকে গভীর সমুদ্র বন্দর করতে ইতিপুর্বে কাজ শুরু হয়েছে।এরই ধারাবাহিকতায় কক্সবাজার জেলার বিশেষ এ প্রকল্পগুলোসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ৯সচিব।পরে বেজা কর্তৃক আয়োজিত অর্থনৈতিক অঞ্চল / বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিতকরণে শনিবার বিকালে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক জোন অথরিটির (বেজা)’র চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী এক মতবিনিময় সভায় বেজার মিশন, ভিষন, অবজেকটিভ তুলে ধরে বলেন, মহেশখালির ৮ হাজার ৭০০ একর জমিতে গড়ে তুলা হচ্ছে ৪টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ।এর মধ্যে মাতারবাড়িতে ১০ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ শুরু হচ্ছে। যা মহেশখালির চেহারায় পাল্টে দিবে। উপজেলার পরিচয় হবে এনার্জি পাওয়ার হাব হিসেবে। আদিনাথ মন্দিরের পাশে নির্মিত হবে ইপিজেড়। কালামারছড়ায় গড়ে তোলা হবে ফ্রি ট্রেড জোন। সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মানের কাজ শুরু হবে শ্রীঘই।বেজার চেয়ারম্যান টেকনাফের ইকোনমিক জোন সম্পর্কে বলেন, সাবরাংয়ে ৮৮২ একর জমি খাস জমি।টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে  চলছে এলএলজি টার্মিনাল নির্মাণের কাজ। এছাড়া রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ব্যক্তি মাীলকানধিন জমি। যার অধিগ্রহণ শুরু হবে শীঘ্রই।জালিয়ারদ্বীপের কথা তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, ওখানে একটি ক্যাবল কারের ব্যবস্থা করা হবে। বিষয়টি ইতিমধ্যেই বন ও পরিবেশ মন্ত্রনালয় অবহিত করা হয়েছে। তাদের সম্মতি পেলেই বেজা পরবর্তী কাজ শুরু করবে।এছাড়া বেজার ঘুমধুম সীমান্তে বর্ডার ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। আর জোন দিয়ে একটি সড়ক মিয়ানমার হয়ে চীনের সাথে যুক্ত হবে। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে বেজার একটি দল মিয়ানমার সফর করেছেন।
এর আগে শনিবার সকালে দলটি কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করে মহেশখালীর মাতারবাড়ী তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্পের এলাকা সহ অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য চিহ্নিত এলাকা পরিদর্শন করেন। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের দলটি শনিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ককসবাজার থেকে রওয়ানা হয়ে গাড়ীযোগে চকরিয়া সড়ক হয়ে বদরখালী সেতুদিয়ে মহেশখালীর গোরঘাটা শাপলাপুর সড়ক দিয়ে প্রথমে কুতুবজোমের ঘটিভাঙ্গা,তাজিয়াকাটা,সোনাদিায়া,হোয়ানকের পানিরছড়া, কালামারছড়া হয়ে ঝাপুয়াা এবং বদরখালী দিয়ে নদী পথে স্পীডবোট যোগে মাতারবাড়ি পৌছে এবং মাতারবাড়ী তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্পের এলাকা সহ অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য চিহ্নিত এলাকা পরিদর্শন করেন। প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের জৈষ্ট্য সচিব মোহাম্মদ সফিউল আলম,প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম, সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সচিব এমএএন সিদ্দিক, বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সচিব মনোয়ার ইসলাম, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সচিব আবদুল মালেক, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব, ড. কামাল উদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান অপরুপ চৌধুরী, বিশেষজ্ঞ এ,কে,এম মাহবুবুর রহমান, ও বেজার উপ সচিব মলয় চৌধুরী,মহেশখালী-কুতুবদিয়ার সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক ,জেলা প্রশাসক আলী হোসেন, পুলিশ সুপার শ্যামল কান্তি নাথ,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হোছাইন ইব্রাহিম, ইউএনও মো: আনোয়ারুল, মহেশখালী থানার ওসি সাইকুল আহমদ ভুইয়া,মেয়র মকছুদ মিয়া।পরে মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ এর জন্য অধিগ্রহণকৃত মকছুদের মীলনামক এলাকায় দুপুর সাড়ে এগার টার সময় স্থানীয়দের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়। সভায় বক্তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিবকে মাতারবাড়ির চতুর্দিকে বেড়িবাঁধ পূনঃনির্মাণ,চলাচলের একমাত্র রাস্তা সংস্কার,কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের পূনর্বাসন সহ নানান বিষয়ের কথা তুলে ধরেন। মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ এলাকায় বসবাসকারীদের উদ্দেশ্য প্রধান মন্ত্রীর মূখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন-মহেশখালীর সাধারণ মানুষের ক্ষতি হয় এমন কোন কাজ করবে না সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ মোতাবেক সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করেই বাস্তবায়িত হবে এই বৃহৎ প্রকল্প। আমরা সবকটি মন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নসহ সকল কাজ সম্পন্ন করতে চাই এবং মাতারবাড়ির চতুর পাশের্^র বেড়ীবাঁধ সংস্কাররে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।এরপর রবিবার সকালে কক্সবাজারের খুরুশকুলের সর্ববৃহৎ আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শন করন।২৩৫ একর জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ করে বিমান বন্দরের জন্য অধিগ্রহণ করা জমি থেকে উচ্ছেদ হওয়া বাসিন্দাদের পুনর্বাসন করা হবে।পরে দুপুরে সৈকতের লাবনী পয়েন্টে আন্তর্জাতিক সার্ফিং প্রশিক্ষন অনুষ্টানের উদ্ভোদন করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com