1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

পানি বন্দী অবস্থায় দুর্বিসহ জীবন-যাপনের পরেও : ঈদগাঁওতে ঈদ কেনাকাটায় ক্ষান্ত নেই

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৮ জুন, ২০১৫
  • ৩০ দেখা হয়েছে

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও :
কক্সবাজার সদর উপজেলার বৃহত্তর ঈদগাঁওতে সবকটি এলাকায় পানি বন্দী অবস্থায় দুর্বিসহ জীবন-যাপনের পরেও বন্যা দুর্গত লোকজনের মাঝে আসন্ন ঈদের কেনাকাটায় ক্ষান্ত নেই। এ নিয়ে ব্যবসায়ীদেalo-logoর মাঝে হতাশার পরিবর্তে আশার আলো দেখা দিয়েছে। টানা সপ্তাহজুড়ে ভারী বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের পানিতে বিশাল এলাকার গ্রামাঞ্চলের লোকজন হাবুডুবু খাচ্ছিল। এতে কারো পৌষ মাস ও কারো সর্বনাশে পরিণত হয়। এলাকা জুড়ে বন্যার পানিতে গ্রামীণ যাতায়াত সড়ক লন্ডভন্ড হয়ে যাওয়ার পরেও ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছে লোকজন। ২৮ জুন দুপুর বেলায় ঈদগাঁও বাজারের বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। জানা যায়, জেলা সদরের বহুল আলোচিত ঈদগাঁও বাজারের ব্যবসায়ীদের ভর মৌসুমেও রমজানের শুরুতে প্রচন্ড বৃষ্টিপাতের কারনে ক্রেতাহীন মার্কেটে পরিণত হলেও দশ রমজান পার হতে না হতেই ক্রেতাদের ফের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। উল্লেখ্যযোগ্য হারে ক্রেতার সমাগম না হলেও অল্প সংখ্যক ক্রেতাদের দখলে ছিল মার্কেটগুলো। তাছাড়া বন্যার পানি আর গ্রামগঞ্জের রাস্তাঘাট ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় দুর-দূরান্তের অধিকাংশ ক্রেতাগণ এখনো ঈদের কেনা শুরু করেনি। আবার অনেকে পানি বন্দী দুর্বিসহ জীবন নিয়ে হলেও ছেলে মেয়ে কিংবা আত্মীয়-স্বজনদের জন্য ঈদের কেনাকাটা করতে মার্কেটে আসতে দেখা যায়। ঈদগাঁও বাজারের নিউ মার্কেট, রহমানিয়া মার্কেট, শপিং কমপ্লেক্স, বেদার মার্কেট, তাজ মার্কেট, সুপার মার্কেট, জাপান মার্কেট, হাজী মার্কেটসহ বাজারের পশ্চিম গলি খ্যাত দোকান পাটে প্রতিযোগিতার ঈদ বাজারে ডিজাইনেবল ডেকোরেশন করে ঢাকা চট্টগ্রাম থেকে ক্রেতাদের পছন্দমত মালামাল তুলছে দোকানদাররা। আবার অনেক অনেক দোকানে ক্রেতাদের কাছ থেকে ঈদ কেনাকাটার সময় চড়া দাম নিচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেন ক্রেতারা। দোকানদাররা যে পরিমাণ মালামাল তুলেছে সে পরিমাণ ক্রেতা নেই বলে জানান ব্যবসায়ীরা। তবে একাধিক ব্যবসায়ীর মতে, ব্যাংক থেকে লোন কিংবা আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে ধার করা টাকা নিয়ে অনেকে ঈদ বাজারের মালামাল দোকানে তুলছে। এর পরেও উল্লেখযোগ্য ক্রেতা না থাকায় ব্যবসায়ীদের চোখে মুখে হতাশার কালো ছায়া দেখা দিয়েছে। আবার কয়েক পথচারীর সাথে আজকের কক্সবাজারের এ প্রতিনিধি খোলামেলা আলাপ করলে জানা যায়, এখনো তাদের উঠানে কিংবা বাড়ীর ভেতরে পানি থৈ থৈ করছে। আগে বন্যায় বৃষ্টিপাতের পানিতে জরাজীর্ণ বাসস্থান-অন্ন ঠিক করতে হবে। পরে অন্য কিছু বলে এড়িয়ে চলে যান তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com